সাক্ষাৎকারে রাশেদ খান মেনন রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচনমুখী হচ্ছে এটা ইতিবাচক

0
66

রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচনমুখী হচ্ছে এটা ইতিবাচক

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাদের বৈঠকের বিষয়টিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন। তার মতে, রাজনৈতিক দলগুলো যে নির্বাচনমুখী হচ্ছে এটা ইতিবাচক।
মন্ত্রী বলেন, ‘বিষয়টিকে আমি ইতিবাচক মনে করছি। সকল দলের অংশগ্রহণে সুষ্ঠুভাবে আগামী সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে আশা করছি। তাই নির্বাচনকে সামনে রেখে যারা বৈঠক করছে তাদের নির্বাচনের অংশগ্রহণের মনোভাব রয়েছে বলে মনে করছি।

সকল দলের অংশগ্রহণে নির্বাচন হলে সেটা সবার জন্যই ভালো হবে।’-

সম্প্রতি সাবেক রাষ্ট্রপতি বি চৌধুরীর বাসায় কয়েকটি রাজনৈতিক দলের নেতাদের বৈঠকটিকে তিনি কীভাবে দেখছেন এমন প্রশ্নে এসব কথা বলে মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন।
গতকাল শুক্রবার দুপুরে বন্দরনগরী চট্টগ্রামের মোটেল সৈকতে সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় নির্বাচনের বিষয়ে তিনি বলেন, আমরা ১৪ দলে শরীক দল হিসেবে আছি। সবাইকে সঙ্গে নিয়েই ১৪ দল নির্বাচনে অংশ নেবে।
গত নির্বাচনের মতো এবারও মহাজোট নির্বাচনে অংশ নেবে কিনা এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘গতবারের মতো মহাজোট নির্বাচন করবে কিনা তা বলতে পারছি না। জাতীয় পার্টি থাকলেইতো মহাজোট থাকবে। তবে ১৪ দল একসঙ্গে নির্বাচন করবে। ’
হজ ফ্লাইট বাতিলের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ই–ভিসা জটিলতা সহ কিছু কারণে হজ ফ্লাইট বাতিল হচ্ছে। তবে এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত সমস্যা সমাধানে কাজ করে যাচ্ছে।
সৌদি আরবের ভিসা এখন এম্বাসি দেয় না জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, এজেন্সিগুলোকে ই–ভিসা প্রিন্ট করতে হয়। ই–ভিসার জন্য দুটি দেশের সার্ভারই একই সময়ে চালু থাকতে হয়। কিন্তু দেখা যাচ্ছে সার্ভারের সমস্যার কারণে গ্রুপের কারও ভিসা আসছে, কারওটা আসছে না। ই–ভিসার ক্ষেত্রে সব প্রিন্ট না হলে ওই গ্রুপ বাতিল হয়ে যায়।
তিনি বলেন, প্যাকেজ ঘোষণার বহু পরে সৌদি কর্তৃপক্ষ ২০১৫–১৬ সালে যারা হজ করেছেন তাদের নিরুৎসাহিত করতে দুই হাজার রিয়াল (৪৪ হাজার টাকা) বেশি দাবি করেছে। কিন্তু এজেন্সিগুলো একথা জানতো না। ফলে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। অনেকের ভিসা আসছে না।
আবার এবছর থেকে সৌদি সরকার মোয়াল্লেম ফি বৃদ্ধি করেছে। আগে যেখানে ৭৫০ রিয়াল নিতো এখন সেখানে ১৫০০ রিয়াল নেওয়া হচ্ছে। এ জটিলতায়ও অনেকের ভিসা আটকে যাচ্ছে।
মেনন বলেন, আমাদের বিমানের ফ্লাইট নিয়ে কোন সমস্যা নেই। বিমানের ক্ষেত্রে পরিকল্পনার সময় লস হতে পারে তা মাথায় রেখে অতিরিক্ত ফ্লাইটের ব্যবস্থা করে রেখেছে।
কিন্তু দেখা যাচ্ছে এসব জটিলতার কারণে অনেকের ভিসা আটকে যাচ্ছে। ফলে গ্রুপ বাতিল হলে ফ্লাইটও বাতিল করতে হচ্ছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, হাব ও আটাবকে বলেছি যোগাযোগ আরও বৃদ্ধি করে ই–ভিসার জটিলতা দূর করতে। আশা করছি সংশ্লিষ্টরা জটিলতা দূর করতে সচেষ্ট হবে।
চট্টগ্রামবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি চট্টগ্রাম–কক্সবাজার ফ্লাইট চালুর বিষয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী বলেন, এয়ারক্রাফট আছে মাত্র দুটি। এয়ারক্রাফটের সংখ্যা বাড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। আশা করি আগামী বছর নাগাদ চট্টগ্রাম–কক্সবাজার রুটে ফ্লাইট চালু করতে পারবো।

Print Friendly, PDF & Email

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here

5 × one =