রেীমারীতে এবার চাচির সাথে ভাতিজার বিয়ে প্রস্তাবে চাচি খুশি হয়ে বিয়ে সম্পন্ন চাচার হবে কি

0
5858

মাজহারুল ইসলাম, রেীমারী কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি :
এবার চাচি ও ভাতিজার প্রেম কাহিনী থেকে বিয়ের প্রস্তাবে চাচি খুশি এর মধ্যেই   চাচি শেপালী খাতুন ২০ এর  সাথে ভাতিজা বাবু মিয়ার ২২ তার সঙ্গে চাচি শেপালীর বিয়ে সম্পন্ন । এমন বেহায়া বেহুঁশ  চাচি আর বেহুঁশ  ভাতিজার প্রেম রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনাটি ঘটেছে কুড়িগ্রাম জেলার রেীমারী উপজেলার বন্ধবের ইউনিয়নের খনজনমারা গ্রাম নামক স্থানে। এই মর্মান্তিক চাচি ও ভাতিজার প্রেমের ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে চাচা মনিরুজ্জামান. আর বেইমান বেহুঁশ আপন  ভাতিজা বাবু মিয়া. দুই পরিবারের মধ্যে বিশ্বাস ঘাতকের কারনেই এমন ঘটনায়। যেকোনো মূহরতে এর চেয়ে বড় ধরনের মর্মান্তিক রক্তক্ষয়ী. ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে বলে ওই এলাকা সুত্রেই জানা গেছে। আরও জানান  মনিরুজ্জামান খনজনমারা গ্রামের মৃত্যু কমল শেখ. এর পুত্র. ছেলেকে বিয়ে দেয় একই উপজেলার ২ নং চর শৈলমারী  ইউনিয়নের টালোয়ার চর গ্রামের আ : ছাত্তার আলী কন্যা শেপালীর সাথে  বিয়ে বন্ধনে সংসার চলে প্রায় ৭ বছর যাবৎ। তবে শেপালী এই সংসারে আসার সাথে সাথে স্বামীর বড় ভাইয়ের ছেলে ভাতিজা বাবু মিয়ার সঙ্গে প্রেমের সাগরে ভাসতে থাকে বিয়ের পর থেকেই। এভাবে চলতে চলতে হঠাৎ চুরের সাত দিন সাউথ এর একদিন দৈহিক মিলনের অবস্থায় চাচা.মনিরুজজামান সরাসরি হাতে নাতে ধরে ফেলে পড়ে এলাকার দেয়ানীদের কাছে জানান শেপালীর স্বামী। পড়ে এলাকার জনগন বসে বাবু মিয়ার কাছে গ্রাম্য সালিশে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করে গ্রাম্য সালিশের দেওয়ানি গন। তার পর থেকে চাচি আর ভাতিজার প্রেমের আরো. আগ্রহের সাগরের ঢেউয়ের মতো উত্তাল সাগরে ভাসতে শুর করে। এর পড়ে দিন দিন প্রেমের সমপ্রক বেড়েই চলে চলতে চলতে  . আবার গত ২২-৫-২০১৭ ইং রাত আনুমানিক ৩ টার সময় প্রেমিক  ভাতিজা ও প্রেমিকা চাচি বাড়ির পাশে বাশঝারে অবৈধ মেলামিশ. অব্যাহত  অবস্থায় দুজনকে এলাকা বাসীদের সহযোগিতায় আটক করে। এলাকার দেওয়ানিদের কাছে বাবুকে জমা দেয় আর প্রেমিকা শেপালি খাতুন কেও একই ভাবে গ্রামের দেওয়ানিরা জমা নেয়। পরদিন প্রেমিকা শেপালির বাবাকে খবর দেয় বিষয়টি নিয়ে গ্রাম্য সালিশের সময় সুচি  নির্ধারন করে প্রেমিক প্রেমিকার উভয় পক্ষের গার্ডজিয়ানদের অবগত করেন ওই বন্ধবের ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কবির হোসেন ও ওয়ার্ড মেমবারসহ পরোটা। এলাকার জনগণরা ইউনিয়ন পরিষদে সালিশের আয়োজন করেন তারপর সালিস বৈঠক করেও কোনো  সমধান না পেয়ে রেীমারী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে শেপালীর স্বামী ভাতিজা ও তার  স্থীর বিরোদ্ধে। তার পরও সমাধানের কিছুই হয়নি অবশেষে চাচির সাথে ভাতিজার বিবাহের আয়োজনে এলাকা বাসীদের একান্ত ডিসিশন ফাইনাল করে বিয়ে সম্পন্ন বলে জানা গেছে। অপরদিকে রেীমারী উপজেলায় প্রতিনিয়ত এধরনের অহরহ দূঘটনা দিন দিন বেড়েই চলেছে। এবং একই ধরনের ঘটনায় রেীমারী উপজেলার অনেক নারী  পুরুষসহ না বালক বালিকাদের অকালে দূঘটনার শিকার হয়ে. মৃতু বরন ঘটছে। এবিষয়ে ছোটো করে দেখার কিছু নেই এই রেীমারীতে অনেক এইসব ঘটনা ধামাচাপা দিয়ে দেখা গেছে অকালে জীবন দিতে হয়েছে। তবে যাক ওসব কথা ভাতিজা আপন চাচিকে বিয়েটি সম্পন্ন হয়েছে।  এখন বলেন তো আপন বাপের ভাই মনিরুজজুামান এর বউ শেপালী খাতুন  বাবু মিয়া ভাতিজার প্রেমিকা   চাচি শেপালী।  প্রেমিকের চাচা কোথায় গিয়ে দ্বারাবেন এখন এইটাই জানা বা দেখার  বিষয়। চাচির প্রেমের সাগরে ভাসছে ভাতিজা সেই প্রেম কাহিনী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কবির হোসেন তার কাছে জানতে চাইলে চাচি ভাতিজার দির্ঘ্যদিনের প্রেম ঘটনার সত্যতা শিকার করে বলেন ইটা মিমাংসার হয়েছে ভাতিজা চাচির বিয়ে সম্পন্ন করা হয়েছে  বলে তিনি জানান।

Print Friendly, PDF & Email

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here

16 − two =