জন প্রিয়তার র্শীষে আলহাজ্জ্ব জাফর আহমেদ চৌধুরী নোয়াখালী-২ (সেনবাগ-সোনাইমুড়ি আংশিক) নির্বাচনী এলাকা

0
151

আলহাজ্জ্ব জাফর আহমেদ চৌধুরী ১৯৫৬ইং সালে নোয়াখালী জেলার সেনবাগ উপজেলার ৫ নং অর্জুনতলা ইউনিয়নের মানিকপুর গ্রামে জন্ম গ্রহন করেন। পিতা মরহুম আলহাজ্জ্ব মোহাম্মদ হানিফ চৌধুর, মাতা মরহুমা আলহাজ্জ্ব রুচিয়া খাতুন। তিনি ১৯৮২ সাল থেকে ব্যবসা-বাণিজ্যের পাশাপাশি সমাজসেবা ও রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন। ব্যবসার মাধ্যমে উনার জীবন শুরু। ঢাকাস্থ নবাবপুরে জেড এ গ্রুফ প্রতিষ্ঠা করে তিনি বাংলাদেশের ৬৮ হাজার গ্রাম-বাংলার মানুষের জন্য একজন সফল ব্যবসায়ী হিসেবে ব্যাপক পরিচিতি অর্জন করেন। তিনি নিজ এলাকা সেনবাগের বেকারত্ব দূরিকরনের লক্ষ্যে উপজেলার কাদরা গ্রামে জেড এ চৌধুরী ফ্লাওয়ার মিল প্রতিষ্ঠা করেন। পাশাপাশি সারা বাংলাদেশের কৃষকদের সেবা করার লক্ষ্যে সল্পমূল্যে কৃষি যন্ত্রপাতি ও মেশিনারী সরবরাহ করেন যা বর্তমান সরকারের সহযোগীতা এবং তার প্রচেষ্টায় জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার বাংলাদেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে এক মাইল ফলক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। যা আজও ধারাবাহিক ভাবে চলমান। তিনি মেশিনারীজ ব্যবসা জগতে ব্যাপক সুনাম করায় বাংলাদেশ এগ্রিকালচার মেশিনারীজ মার্চেন্ট এসোসিয়েশনে পাঁচবার বিপুল ভোটে সভাপতি পদে নির্বাচিত হন। ব্যবসার পাশাপাশি প্রিয় সেনবাগ বাসীর সেবা করার লক্ষ্যে সেনবাগ দুঃস্থ কল্যাণ সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেন। এ সংস্থার মাধ্যমে সেনবাগের বিভিন্ন এলাকার দুঃখী অসহায় নিরীহ মানুষের মাঝে রিক্সা বিতরণ, গৃহ নির্মান ও চিকিৎসা সেবা দিয়েছেন অকৃপণ হাতে। এছাড়াও সেনবাগে মসজিদ, মাদ্রাসা, স্কুল-কলেজ, এতিমখানা, মন্দির গীর্জাসহ গরীব অসহায় ছেলেমেয়ের বিয়েতে আর্থিক অনুদান দিয়ে সেনবাগের উন্নয়নে শরীক হয়েছেন। শিক্ষার ক্ষেত্রে তার ব্যাপক অবদান রয়েছে। গরীব মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের লেখা-পড়া ও পরীক্ষার ফি বাবদ সব সময় আর্থিক সাহায্য সহযোগীতা দিয়ে আসছেন এবং অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান করেছেন ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের জমি ও নগদ টাকা প্রদান করেছেন এবং প্রতিষ্ঠানের পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন। আলহাজ্জ্ব জাফর আহমেদ চৌধুরীর প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠান গুলো হল: তথ্য গ্রহণে তাসমিয়া:
কানকির হাট বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ-অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক সভাপতি।
ডুমুরিয়া জেড এ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়-প্রতিষ্ঠাতা।
শ্রীপুদ্দী উচ্চ বিদ্যালয়-প্রতিষ্ঠাতা।
বেগমগঞ্জ কুতুবপুর জাফর আহমেদ চৌধুরী প্রাথমিক বিদ্যালয়-প্রতিষ্ঠাতা।
ছিলোনিয়া ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়-সাবেক সভাপতি, পরিচালনা পরিষদ (১৯৯২-২০০১) ও ১০ শতাংশ জমিদাতা।
চাচুয়া হাজী আলী আকবর আলিম মাদ্রাসা-বর্তমান সভাপতি, পরিচালনা পরিষদ।
ছিলোনিয়া ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় ও হাজী আলী আকবর আলিম মাদ্রাসা জে, এ, চৌধুরী ভবন নির্মান।
বাতাকান্দি আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়-বর্তমান সভাপতি, বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদ।
তেজগাঁও বিদ্যালয় কলেজ গভর্নিং বডি, ঢাকা সাবেক সদস্য। এছাড়াও অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব অত্যন্ত সুনামের সহিত পালন করে আসছেন। জাফর আহমেদ মেদাবৃত্তি স্কীম চালু করে গরীব অনন্য মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষা বিস্তারে ও শিক্ষার উন্নয়নে সর্বাতœক চেষ্টা করে যাচ্ছেন। লেখাপড়ার পাশাপাশি ক্রীড়া ও সাংকৃতিক জগতেও তার ব্যাপক অবদান রয়েছে যেমন সেনবাগ মোহামেডান ক্লাবের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ছিলেন। সেনবাগ মহামেডান ক্লাবের উদ্যোগে জাফর আহমেদ চৌধুরী গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট খেলার আয়োজন করেন এবং বিভিন্ন সাংকৃতিক সংগঠনের সাথে জড়িত আছেন। আলহাজ্জ্ব জাফর আহমেদ চৌধুরী ১৯৯৭ সালে সেনবাগ আওয়ামীলীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহন করার পর আওয়ামীলীগকে একটি শক্তিশালী সংগঠন প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্যে আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছেন। সাংগঠনিক ভাবে সফলতা অর্জন করায় তিনি দুই বার সভাপতি হিসেবে ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হয়েছেন। এজন্য তিনি এলাকাবাসীর নিকট চির কৃতজ্ঞ। তিনি তৃণমূল পর্যায়ে আওয়ামীলীগকে একটি শক্তিশালী সংগঠন হিসাবে প্রতিষ্ঠা করছেন। পূর্বের তুলনায় আওয়ামীলীগ এখন একটি শক্তিশালী সংগঠন এতে কোন সন্দেহ নাই। এছাড়া সহযোগী সংগঠন ছাত্রলীগ, যুবলীগ, মহিলা আওয়ামীলীগ, কৃষকলীগ, শ্রমিকলীগ ও সেচ্ছাসেবকলীগসহ সব সংগঠনই আজ পূর্বের তূলনায় অনেক শক্তশালী। ২০০১ সালে আজকের সফল প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা আলহাজ্জ্ব জাফর আহমেদ চৌধুরীকে নোয়াখালী-২ আসনে নৌকা প্রতীক নিয়ে মনোনয়ন প্রদান করেছিলেন। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় পরক্ষণে, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্রের কারণে সারা বাংলাদেশের ন্যায় তাকেও পরাজয় বরন করতে হয়। কিন্তু তার পর ও তার প্রাণের সংগঠন ছাড়েননি তিনি বলেন আওয়ামীলীগ তার রক্তের সংগঠন। জনগণকে নিয়ে প্রাণের সংগঠন আওয়ামীলীগকে সু-সংগঠিত ও প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে নিজের অক্লান্ত পরিশ্রমে অর্পাজিত অর্থ দিয়ে দলকে শক্তিশালী করার কাজে ব্যয় করে যাচ্ছেন। ২০০৭ সালে মনোনয়ন পেয়েও নেত্রীর নির্দেশে তিনি মনোনয়ন প্রত্যাহার করে মহৎ ব্যক্তিত্বের পরিচয় দিয়েছেন। রাজনৈতিক ভাবে তিনি নোয়াখালী জেলা আওয়ামীলীগ-সাবেক সদস্য।
বঙ্গবন্ধু সৈনিকলীগ-শিল্প ও বাণিজ্যিক বিষয়ক সম্পাদক, কেন্দ্রীয় কমিটি (সাবেক)।
লায়ন্স ক্লাব অব প্রগ্রেসিভ-সাবেক সদস্য।
ঢাকাস্থ সেনবাগ কল্যাণ সমিতি-আজীবন প্রতিষ্ঠাতা সদস্য।
সেনবাগ যুব কল্যাণ সমিতি-প্রতিষ্ঠাতা সদস্য।
ঢাকাস্থ নোয়াখালী জেলা সমিতি-আজীবন সদস্য।
ঢাকাস্থ বেগমগঞ্জ যুবকল্যাণ সমিতির আজীবন সদস্য থেকে সেনবাগের সার্বিক উন্নয়নের চেষ্টা করে যাচ্ছেন।
তবে সেনবাগের বর্তমান অবস্থা সকলেরই জানা। রাস্তা ঘাটের দূরবস্থা, একটি মাত্র হাসপাতাল তাও আবার ডাক্তার সংকটের কারনে মানুষ চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত। সেনবাগ সরকারী কলেজ, সরকারী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকটের কারনে ছাত্রছাত্রীদের লেখাপড়ার মান খারাপ হচ্ছে। নতুন করে গড়ে উঠেনি কোন শিল্প কারখানা তাই বেকারত্বের দূর্বিসহ যন্ত্রনা বুকে নিয়ে দিশেহারা যুবসমাজ আর ধাবিত হচ্ছে মাদকের মত মরণ নেশায়। আর পুরো এলাকা তৈরী হয়েছে মাদকের ক্ষণিতে। নেশার টাকা যোগার করতে করছে চুরি, চাদাঁবাজি। বিচার শালিশের নামে চলছে নিরীহ মানুষের উপর জুলুম আর ভেঙ্গে পড়ছে সামাজিক ব্যবস্থা। স্বাধীনতার ৪৭ বছর পরেও সেনবাগের কাঙ্খিত উন্নয়ন স্বপ্নই থেকে গেল। বর্তমান প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা উন্নয়নে সারা বাংলাদেশের মানুষ যখন উচ্ছসিত, বিশ্ব যেখানে শেখ হাসিনার উন্নয়ন বন্ধনায় বিমোহিত, আজ সেনবাগ- সোনাইমুড়ির মানুষ সেখানে হতাশ। সেনবাগ নিয়ে হচ্ছে হলি খেলা। যে যার মত ব্যক্তি স্বার্থে ব্যবহার করছে আওয়ামীলীগকে। তৃণমূলের কর্মীরা আজ হতাশায় নিমজ্জিত। পরস্থিতি উত্তরণে সেনবাগকে দেখার কেউ নেই। একমাত্র কারণ সেনবাগে আওয়ামীলীগের তৃণমূল কর্মী বান্ধব কোন এমপি অর্থাৎ জনপ্রতিনিধি না থাকা। এই অবস্থায় সেনবাগকে উক্ত পরিস্থতি থেকে উত্তরণের জন্য আগামী নির্বাচনে আলহাজ্জ্ব জাফর আহমেদ চৌধুরীর মত একজন ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন সৎ নির্লোভ, নিরঅহংকার, দয়ালু বঙ্গবন্ধুর আর্দশের একজন পরিক্ষিত জন প্রতিনীধি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রতিক সুপ্রতিষ্ঠিত ভাবে ধরে রাখার পরিক্ষিত জনপ্রতিনিধি প্রয়োজন। আসন্ন সংসদ নির্বাচনে আলহাজ্জ্ব জাফর আহমেদ চৌধুরীকে নৌকায় ভোট দিয়ে যোগ্য জন প্রতিনিধি হিসেবে দেখতে চায় জনগন।

Print Friendly, PDF & Email

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here

three + three =