জেনে নিন গ্যাস্ট্রিক ভালো করার ঘরোয়া উপায়

1
363

কথায় আছে, “পেট ঠাণ্ডা তো দুনিয়া ঠাণ্ডা”। কিন্তু গরম গরম সিঙ্গারা, পুরি দেখলে কি আর নিজেকে সামলানো যায়! মুহূর্তের মধ্যেই ৪-৫ টি সিঙ্গারা খেয়ে এখন পেটে হাত? তা তো হবেই। গ্যাস্ট্রিক হলে কি আর রক্ষা আছে!

 

যার গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা আছে একমাত্র সেই বুঝতে পারে যে খাবার গ্রহণও ঝামেলার হতে পারে। বুকে জ্বালাপোড়া এবং অস্বস্তি সৃষ্টি হওয়ার ফলে না খেয়ে থাকতেও ভালো লাগেনা আবার খেতেও ভালো লাগেনা। এই উভয় সংকট থেকে মুক্তি পাওয়ার কিছু উপায় আজ আপনাদের সামনে তুলে ধরব। গ্যাস্ট্রিক বা অ্যাসিডিটির সমস্যাটি প্রায় মানুষের মধ্যেই রয়েছে। পৃথিবীতে গ্যাস্ট্রিক বা অ্যাসিডিটি ভালো করার অসংখ্য ঔষধ রয়েছে। তবে আমরা ওষুধ এর পাশাপাশি ঘরোয়া ভাবে এই রোগটি খবু সহজেই প্রতিরোধ করতে পারি।

পুদিনা পাতা-

পুদিনা পাতার রস গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দূর করতে বহুদিন ধরেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে। প্রতিদিন পুদিনা পাতার রস বা পাতা চিবিয়ে খেলে এসিডিটি ও বদহজম থেকে দূরে থাকতে পারবেন।

গুড়-

গুড় আপনার বুক জ্বালাপোড়া এবং এসিডিটি থেকে মুক্তি দিতে পারে। যখন বুক জ্বালাপোড়া করবে সাথে সাথে একটুকরো গুড় মুখে নিয়ে রাখুন যতক্ষণ না সম্পূর্ণ গলে যায়। তবে ডায়বেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে এটি নিষিদ্ধ।

জিরা-

এক চা চামচ জিরা ভেঁজে গুড়া করে নিন। এই গুড়াটি একগ্লাস পানিতে মিশিয়ে প্রতিবার খাবারের সময় পান করুন। এতে অনেকটাই সমাধান পাবেন আপনি।

লং-

আপনার যদি গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থাকে, তবে লং হতে পারে আপনার সঠিক পথ্য। দুইটি লং মুখে নিয়ে চিবালে এর রস অনেকটা উপকারে আসতে পারে আপনার।

মাঠা-

দুধ এবং মাখন দিয়ে তৈরি মাঠা আমাদের দেশে খুবই জনপ্রিয়। এসিডিটি দূর করতে টনিকের মতো কাজ করে যদি এর সাথে সামান্য গোলমরিচ গুঁড়া যোগ করেন। কোনো রোগকেই অবহেলা করা উচিত নয়। ছোটখাটো গ্যাস্টিক অনেক সময় বড় রোগের কারণ হয়ে দাড়াতে পারে তাই প্রথম অবস্থাতেই এর সমাধান চিন্তা করুন। ডাক্তারি মেডিসিনের চেয়ে প্রাকৃতিক ঔষধের কার্যকারিতা বহুলাংশে বেশি।

Print Friendly, PDF & Email

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here

three − one =