টানা ৬ ম্যাচে বোল্ড আউট তামিম ইকবাল

0
89

অবি ডেস্ক: ইংল্যান্ড বিশ্বকাপ ভালো যায়নি তামিম ইকবালের। আট ম্যাচে মাত্র একটি ফিফটি করেন তিনি। কিছু ম্যাচে সাবধানী শুরু করেও আউট হয়ে ফেরেন তামিম। আগ্রাসী তামিমকে পাওয়া যায়নি বিশ্বকাপে। শ্রীলংকা সিরিজেও রানে ফিরতে পারলেন না একমাত্র বাংলাদেশী ব্যাটসম্যান হিসেবে সাত হাজার রানের পথে থাকা তামিম। শ্রীলংকার বিপক্ষে সাকিব বিশ্রামে আছেন। মাশরাফির ইনজুরির কারণে নেতৃত্ব ভার তামিমের কাঁধে। ফর্ম হারানোর চাপ এবং নেতৃত্বের চাপ সামলাতে গিয়ে শ্রীলংকা সফরে শুরুর দুই ম্যাচেই ব্যর্থ হয়েছেন তামিম।

দুই ম্যাচেই বোল্ড হন বাংলাদেশ ওপেনার। এছাড়া বিশ্বকাপের শেষ চার ম্যাচেও বোল্ড হন তিনি। সর্বশেষ ছয় ম্যাচেই উপড়ে গেল তামিমের স্টাম্প। শ্রীলংকার বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডে ম্যাচে মালিঙ্গার বিখ্যাত ইয়র্কারে বোল্ড হয়ে প্রথম ওভারেই ফিরে আসেন তামিম ইকবাল। কোন রানই যোগ করতে পারেননি নিজের নামের পাশে। দ্বিতীয় ওয়ানডে ম্যাচে তাকে দায়িত্ব নিয়ে খেলতে হতো। শুরুতে সৌম্য সরকার ফিরে যান। কিন্তু সাবধানী তামিম অফের বাইরে ইসুরু উদানার করা বল খেলতে গিয়ে স্টাম্পে টেনে আনেন। ফিরে যান ইনসাইড-এজ হয়ে।

এর আগে বিশ্বকাপে নিজেদের শেষ ম্যাচে পাকিস্তানের বিপক্ষে বোল্ড হন তামিম। শুরুতে পাকিস্তানের করা বড় রান তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশ ওপেনার ২১ বলে ৮ রান করে শাহিন শাহ আফ্রিদির বলে বোল্ড হন। তার আগের ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে বোল্ড হন বাংলাদেশের বাঁ-হাতি ওপেনার। ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশ ৩১৫ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নামে। তামিম ওই ম্যাচে মোহাম্মদ শামির বলে ৩৯ বলে ২১ রান করে বোল্ড হন।

এখানেই শেষ নয়। পাকিস্তান-ভারতের আগে বিশ্বকাপে আফগানিস্তানের মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ। আফগানদের বিপক্ষে বাংলাদেশ শুরুতে ব্যাট করে ২৬২ রান তোলে। ওপেনার তামিম খুবই সাবধানী শুরু করার পরও মোহাম্মদ নবীর স্পিনে বোল্ড হন ৫৩ বলে ৩৬ রান করে। এবারের বিশ্বকাপে তামিম একমাত্র সেঞ্চুরি পান অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে। ওই ম্যাচে ৭৪ বলে ৬২ রান করে মিশেল স্টার্কের বলে বোল্ড হন দেশসেরা ওপেনার।

Print Friendly, PDF & Email

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here

four × 4 =