বনানী যুবদলের টুন্ডা মমিন তাঁতী লীগের সহ সভাপতি

0
64

হাবিব সরকার স্বাধীন: সারাদেশের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চল ও আবাসিক এলাকায় গ্রাহক সাধারণের ভোগান্তি চরমে উঠেছে। অপরদিকে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের একশ্রেণীর নেতা-কর্মী নামধারী একাধিক সংঘবদ্ধ লুটেরা চক্র সরকারি ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে সংশ্লিষ্ট দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সহায়তায় প্রতিদিন গড়ে সাড়ে চারশ’ মিলিয়ন ঘনফুটেরও বেশি পরিমাণ গ্যাস লুটে নিচ্ছে। সম্পূর্ণ চোরাইভাবে বাইপাস লাইন, মিটার ট্যাম্পারিং, খাতায় নাম-ঠিকানা না তুলেই অবৈধ গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি, সংযোগ দিয়ে নানা কৌশলে গ্যাস চুরি-লোপাটের ঘটনা অবলীলায় ঘটে চলছে। সংবাদপত্রে প্রকাশিত খবরে জানানো হয়েছে যে, সংবাদপত্রে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে কেবল সংশ্লিষ্ট দফতর থেকে মাঝেমধ্যে অভিযান চালানো হলেও অত্যন্ত দাপুটে এই সংঘবদ্ধ গ্যাস-চোর-লুটেরাদের নানা ধরনের তদবিরের কারণে মাঝপথেই এসব লোক দেখানো অভিযান থেমে যায়। গ্যাস চুরির অভিযোগে অবৈধ লাইন বিচ্ছিন্ন করা ঐ সকল প্রতিষ্ঠান আবারো নতুন করে অপরাধকর্মে লিপ্ত হয়।

এগুলোর সার্বক্ষণিক খোঁজখবর নিয়ে দ্রুত আইনানুগ প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেসব দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য তাদের দায়িত্বহীনতা কেন, বাস্তবতার তাগিদে এ প্রশ্ন এখন সমগ্র জাতির। জাতীয় সম্পদ-গ্যাস লোপাটের ঘটনা কোনো অদৃশ্য বিষয় হতে পারে না। দেশের বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠান, মার্কেট, বাসাবাড়ি, হাউজিং কমপ্লেক্স, বেসরকারি বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও সিএনজি স্টেশন সমূহে চোরাই গ্যাসের লাখ লাখ অবৈধ সংযোগ দিয়ে কড়াইল বস্তিতে গ্যাস-বিদ্যুৎ চোরের রাজা টাইটেল লাভ করেছে মমিন। এবং অনেক জায়গায় অনুমোদনের অতিরিক্ত গ্যাস সরবরাহ করে এসব দুর্নীতিবাজ চক্র প্রতিমাসে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।

জাতির  প্রশ্ন বিভিন্ন পত্রপত্রিকার লেখা হলেও সবগুলো চলে যাচ্ছে হিমঘরে তার কারণ কি? স্বাভাবিকভাবেই আমাদের প্রশ্ন, অবৈধ ও অনৈতিক সংযোগ যারা নেয় এবং যারা দেয়, তাদের খুঁটি কোথায় প্রথিত? লুটেরাদের নজিরবিহীন লুটপাটের কারণে কোটি কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে রাষ্ট্র। অপরদিকে দেশের উৎপাদন ব্যবস্থায় হাজার হাজার কোটি টাকা ক্ষতি হচ্ছে।  আবাসিক গ্রাহকরাও চরম ভোগান্তিতে রয়েছে। চট্টগ্রামে গ্যাসের অভাবে বহু শিল্প-কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। নতুন শিল্প-কারখানায় দীর্ঘদিন ধরে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। এই সরকারের আমলে গ্যাসের অভাবে শিল্প খাতে নেয়া ঋণ ভিন্ন খাতে ব্যবহৃত হচ্ছে। সরকারের নানা অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা, অযোগ্যতা, অদক্ষতা ও সর্বত্র কমিশন, ঘুষ-দুর্নীতি বিশেষ করে চরম ব্যর্থতার কারণে দেশের দারিদ্র্যবিমোচন, বেকারত্ব নিরসনে নতুন কোনো কর্মসংস্থানের ব্যবস্থাও হচ্ছে না।

সিএনজি স্টেশনগুলোতে গ্যাস রেশনিং করেও সংকট কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হচ্ছে না। শুধু তাই নয়, নতুন গ্যাস পাওয়া না গেলে দেশে গ্যাস সংকট আরো ভয়াবহ আকার ধারণ করবে। প্রকাশিত খবরে একাধিক গ্রাহকের বরাত দিয়ে যে তথ্য জানানো হয়েছে, তাতে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে যে, টাকা দিয়ে গ্যাসের চোরাই সংযোগ নেয়া যায়। গ্যাস সংযোগের যে নিয়ম-পদ্ধতি রয়েছে, তা যদি যথাযথভাবে মেনে কাজ করা হয়, তাহলে কোনো শিল্প-কারখানায় আবাসিক এলাকায় বা বস্তিতে গ্যাসের চোরাই লাইন কিংবা অবৈধ সংযোগ কোনোভাবেই সম্ভব হওয়ার কথা নয়। এক্ষেত্রে চরম দায়িত্বহীনতা ও জবাবদিহিহীনতা কি করে চলছে, এর জবাব সরকারকেই দিতে হবে।

সর্বোপরি এরকম অবৈধ কর্মকান্ড চলতে থাকলে গ্যাস সংকটের কারণ দেখিয়ে নতুন সংযোগ প্রদান বন্ধ রাখাটাও অর্থহীন ছাড়া আর কিছু নয়। খাতায় নাম না তুলে চোরাই সংযোগ, বাইপাস লাইন, মিটার ট্যাম্পারিং ইত্যাদি অবৈধ কর্মকান্ড যে অর্থের বিনিময়ে- ভাগবাটোয়ারায় চলে আসছে, এটাও প্রকাশিত খবরে জানা গেছে। রাষ্ট্রের কোটি কোটি টাকা রাজস্ব ক্ষতির বিনিময়ে একশ্রেণীর দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা অবৈধ সংযোগ দিয়ে প্রতিমাসে কোটি কোটি টাকা লুটে নিচ্ছে। এই লুটপাটের কোটি কোটি টাকার ভাগ যে ক্ষমতাসীন দল ও সরকারের নানা স্তর পর্যন্ত ও যেতে পারে এবং অলিখিত নিয়মেই যায়, এটা এখন আর নতুন কোনো বিষয় নয়।

জাতীয় সম্পদ গ্যাসের চোরাই লাইন, অবৈধ সংযোগ, চুরি, লুটপাট ও অপচয় কোন স্বার্থের কারণে কেন বন্ধ করা যাচ্ছে না, তা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে খতিয়ে দেখা হয়েছে কিনা, আমরা নিশ্চিত নই। হবে, তেমনি এক্ষেত্রেও সমান গুরুত্ব দেয়া প্রয়োজন। দেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, শিল্প-কারখানার বিকাশ, উৎপাদন-ব্যবস্থার দ্রুত উন্নয়ন, দারিদ্র্যবিমোচন, আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, বেকারত্ব নিরসনে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, রাষ্ট্রের রাজস্ব বৃদ্ধি, রাষ্ট্রের সকল স্তরে ঘুষ-দুর্নীতির মূলোৎপাটন, সুশাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং সার্বিক জাতীয় উন্নয়নের লক্ষ্যে গ্যাস-বিদ্যুৎ তথা জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য সব সময় আমাদের সোচ্চার লেখনি।

অতএব, গ্যাস সংকট দ্রুত নিরসনে পেট্রোবাংলার শীর্ষ সূত্রের বরাত দিয়ে প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে, এরকম অবৈধ ও অনৈতিক সংযোগের সংখ্যা লাখ ছাড়িয়ে যাবে। এসব চোরাই-অবৈধ সংযোগ থেকে সরকার তথা রাষ্ট্র এক টাকাও রাজস্ব পাচ্ছে না। অথচ প্রতিমাসে কোটি কোটি টাকা ভাগবাটোয়ারা করে খাচ্ছে লুটেরা চক্র। সংবাদপত্রে লেখালেখি হলেই মাঝেমধ্যে টাক্সফোর্স গঠন করা হয়। তারপরও এসব অবৈধ সংযোগের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না সংশ্লিষ্ট দফতরের দায়িত্বশীলরা। তিতাসের শীর্ষ সূত্রের বরাত গ্যাসের চোরাই লাইন ও অবৈধ সংযোগ নেয়া এবং দেয়ার সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্র।

কড়াইল বস্তি কুমিল্লা পট্টি টুন্ড মমিনের এর অত্যাচারে অনেকে অতিষ্ঠ। তার অফিস কার্যালয়ে ও বাসায় বসে সিসি ক্যামেরা দেখে নিয়ন্ত্রণ করে তার অপকর্ম। ভিলেন স্টাইল সিনেমা মত  এলাকাবাসী তার ভয়ে টু শব্দটি পর্যন্ত কেউ করছে না। প্রতিবাদ করলেই মিথ্যে মামলার শিকার হতে হয়। যুবলীগ নেতা জুয়েলকে বিনা অপরাধে মিথ্যা অস্ত্র মামলায় ফাঁসিয়ে দীর্ঘদিন কারাগারে রেখেছেন এই টুন্ডা মমিন এলাকায় কারো অজানা নয়।  হঠাৎ আলাদিনের চেরাগ তার হাতে কিভাবে এলো? দিনমজুর আমির হোসেনের বড় ছেলে টুন্ডা মমিন। নিজের পাঁচ ভাইয়ের দাপটে মমিন বিভিন্ন অপকর্ম করে যাচ্ছে। অবৈধ টাকা দাপটে যুবদল থেকে সরাসরি তাঁতী লীগের সহ-সভাপতি পদে।

  মাদক থেকে শুরু করে সকল কিছু নিয়ন্ত্রণ করছে তার চক্রটি কুমিল্লা পট্টিতে তা রয়েছেন সেভেন স্টার গ্রুপ মাদক ফিটিং বাণিজ্য তার সিসি ক্যামেরার নিয়ন্ত্রণ চলছে। কুমিল্লা পট্টি এক দিনমজুর মাটি কেটে অন্য জোগাড় করেন। সেই ব্যক্তিকে ফিটিং দিয়ে ২০ হাজার টাকা চাঁদা আদায় করেন মমিন। ও তার সেভেন স্টার গ্রুপ এর রায়হান, রুস্তম, শেখ ফরিদ, এরশাদ, গত ৩১ শে আগস্ট রোজ শনিবার রাত ৮ঘটিকার সময় ১৯ নং ওয়ার্ড লীগের উদ্যোগে স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ কার্যালয় কড়াইল টি এন টি কলোনি ১৫ ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় সাংবাদিক এর উপর হামলা চালায় টুন্ডা মুমিন তার দলবল। সেখানে দায়িত্বরত পুলিশ অফিসার এসআই আবু তাহের ও এএসআই সোহেল রানার সহযোগিতা রক্ষা পায়। এভাবেই দিনের-পর-দিন অপকর্ম করে রেহাই পেয়ে যাচ্ছেন টুন্ডা মমিন। কুমিল্লা পট্টিতে মুমিনের অনুমতি ছাড়া কেউ ঘরের মেঝেটুকু পাকা করারও সুযোগ পান না।

বিভিন্ন থানায় চাঁদাবাজি হত্যা, গুলশান থানায় বোমা বিস্ফোরণ মামলা বনানী  থানায় একাধিক জিডিও মামলা রয়েছেন টুন্ডার বিরুদ্ধে।  তার নামে একাধিক দায়ের করা মামলা নং ৮৩৬/১৫ তাং০৬/০৯/১৮ আরো একাধিক মামলা রয়েছে যার নং ৪৫৫/১৬, বনানী থানা মামলা নং৮/১/১৫, ১৬/৭/১৬, সি.আর মামলা নং ১৬,বনানী থানা মামলা নং ৬৯/১৭ গুলশন থানা মামলা নং, ৬/৮/১৮/ অপরাধ বিচিত্রা পক্ষ থেকে আহ্বান জানাচ্ছি। যে গ্যাস চোর টুন্ডা মমিনের বিষয় কোন তথ্য থাকলে প্রমান সহকারে অপরাধ বিচিত্রা দেওয়ার অনুরোধ রইল। বিস্তারিত নিয়ে পত্রিকায় চলবে।

Print Friendly, PDF & Email

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here

10 − 9 =