সুন্দরী ভয়ঙ্কর!

0
43

অন্যের বাসায় ঝিয়ে’র কাজ করতে গিয়ে আপত্তিকর দৃশ্য দেখে রিপাকে তালাক দেয় তার রিকশাচালক স্বামী। পরে ফূর্তি করতে গিয়ে রিপার জালে আটকে পড়েন নাট্য পরিচালক শাহ সুমন। বিয়ে করলেও বিচেছদ হতে সময় লাগেনি। মূলত সুমনের মাধ্যমে অপরাধ জগতের হাতেখড়ি রিপার। বিচ্ছেদ হলেও সুমনের পরামশেই চলছে রিপার ব্লাকমেইলে কারবার। গার্মেন্টস ব্যবসায়ী, সরকারি উর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে শুরু করে সর্বশেষ জাহাজ ব্যবসায়ীও রিপার ফাঁদে পড়ে খুাঁইয়েছেন লাখ লাখ টাকা। হাতিয়ে নেয়া অর্থের একটা বড় অংশ পায় সুমনও।

অপরাধ বিচিত্রা ডেস্ক: বিশেষ ডেকোরেশনে তৈরী হল রুম। যার একাংশে সুসজ্জিত মঞ্চ। পুরোটাই সাউন্ড প্রুফ। আলো আধারির সঙ্গে চলছে সাউন্ড সিস্টেমে সেক্সি গানের মিউজিক। এরই মধ্যে মঞ্চ কাপাচ্ছে নৃত্যরত অস্টাদশী। কৃত্রিম সাজে অপরুপা। অর্ধনগ্না। মিজজিকের সঙ্গে তাল মিলিয়ে কন্ঠ মেলানো নারী যেন কারো কাছে বাস্তবের রাণি। সুরের মূর্চনায় মূহুর্ত্যইে হারিয়ে যাওয়া দর্শক সারিতে থাকা বিত্তশালী। হাতে বিয়ারের ক্যান। অর্ধ মাতাল। চোখে রঙ্গিন জগত। সামনে স্বপ্নের সুন্দরী। অন্য নেশা। শিষ দিয়ে কিসের যেন সঙ্কেত। মঞ্চ কাপানো ক্লিওপেট্রারও সাড়া মেলে সহজে।

হাত ধরে নিয়ে চলা পাশের ছোট্ট রুমে।  ভিন্ন কিছু ঘটার অপেক্ষা……..। নেশার ঘোর কেটেও যায় এক সময়। কামরা থেকে দিনের আলোয় পুরুষটি। কিন্তু সে আলোয় যেন তার মুখ দেখানোই দায়। আগের রাতে ছোট্ট ঘটনার মধ্যেই তিনি আটকে পড়েছেন ফাঁদে। পাছে তার একটাই ভয় যদি কিছু প্রকাশ পায়……….! আর এ দূর্বলতাই পুঁজি মঞ্চ কাপানো সুন্দরীর। তার হাতে রয়েছে কিছু দৃশ্যর ছবি। রয়েছে ওই পুরুষটির বাসা ও ফোন নম্বরসহ বিস্তারিত। এটিই তার ব্ল্যাক মেইলের হাতিয়ার। তার কথা যেন স্পষ্ট। হয়তো অমার অর্থনৈতিক চাহিদা পুরন করো নয়তো জেল খাটো। বিত্তশালী ভিন্ন হলেও মঞ্চের রানী একজনই। যিনি দূরদানা মেহরিন রিপা। তার খপ্পড়ে পড়ে সর্বশান্ত ভূক্তভোগীদের তালিকাও অনেক বড়। আবার মনোরঞ্জনের জন্য তার পাশে থাকা শুভাকাঙ্খির সংখ্যাও কম নয়।

এ তালিকায় রয়েছে অনেক ব্যবসায়ী-প্রভাবশালী ও অন্ধকার জগতের ডন। তাদের শেল্টারেই রিপা যেন আরো বেপরোয়া।  বাবা লন্ডন প্রবাসী বলে মিথ্যা পরিচয় দেয়া রিকশাচালকের কণ্যা রিপার অজানা ইতিহাস নিয়ে থাকছে ধারাবাহিক প্রতিবেদন।  বাবা মায়ের রাখা নাম রিপা বেগম। নিজে রেখেছেন দুরদানা মেহরিন। তবে সবার কাছে পরিচিত রিপা নামেই। বয়স ত্রিশের কোঠায়। বিয়ে করেছেন একাধিক। কিন্তু এখনো তার দাবি কুমারি। বলে বেড়ান তার বাবা লন্ডন প্রবাসি। নিজের বেড়ে ওঠা আমেরিকায়। কিন্তু বাস্তব সত্য রিপার বাবা একজন রিকশা চালক।

সিলেটের বিয়ানিবাজারে রিপার প্রথম বিয়ে হয় তাও রিকশাচালক শামীমের সাথে। পরের বাসায় ঝিয়ে’র কাজ করতে গিয়ে যুবকের সাথে রঙ্গলীলার  দৃশ্য দেখে রিপাকে তালাক দেয় স্বামী। রিপার  দূর্বলতার সুযোগ নিয়ে ফূর্তি করতে গিয়েছিলো নাট্য পরিচালক শাহ সুমন আহমেদ। ধন্যাঢ্য সুমনকে ফাঁদে ফেলে জেল খাটায় রিপা। শেষে বিয়ে করতে বাধ্য হন তিনি। এরপর সুমন রিপাকে পরিচয় করিয়ে দেয় বিত্তবানদের সাথে। নিয়ে যায় বিভিন্ন ক্লাবে। শিখিয়ে দেয় কিভাবে পুরুষ শিকার করতে হয়। সেই শুরু। মাত্র কয়েক বছরের ভাগ্য বদল হয় রিপার। এক বেলা খেতে না রিপা এখন পুরষ বদলেল মতোই গাড়ি বদল করেন। ঘুরে বেড়ান দেশ বিদেশে। তার জন্য বিমান টিকেট কেটে রাখেন অনেকেই।

হোটেলও বুক করে রাখা হয়। কিন্তু রিপার সিডিউল মেলানো দায়। কাকে আগে খুশি করবেন বুঝতে পারেন না। শেষমেশ যে পুরুষ বেশি খরচা করেন তার বিছানার সঙ্গী হতেই রাজী হন। এমনই চলছে। রিপার দাবি তিনি একজন সিঙ্গার। কেউ তাকে ৫ কোটি টাকা তাতে অন্যেও এত গাত্র দাহ কেন হবে। আমিতো ক্রাইম করিনা। খুন করিনা। সোনারগাঁও, রিজেন্সী, সুইটড্রীম, সেরিনা, শ্যালে বারসহ ঢাকা ও জেলা শহরের  বিভিন্ন হোটেল-মোটেলে নাচের নামে সেক্স ট্যুর করে বেড়ান এ নারী। এখন বড় মগবাজারের বাসটি গড়ে তুলেছেন মিনি বার হিসেবে। অনেকের কাছে বাসাটি মিনিবার। শুধু রিপার একা নয় সেখানে রিপার বেতনভূক্ত অনেক তরুনিও রয়েছে।

এদিকে রিপার অপরাধের বিষয়ে অপরাধ বিচিত্রা অনুসন্ধ্যান প্রতিবেদন শুরু করার পর থেক তার বিরুদ্ধে একের পর অভিযোগ আসছে অপরাধ বিচিত্রার অনুসন্ধানী টিমের কাছে। সিলেটের বিভিন্ন এলাকায় জমি ও বাড়ি করেছেন রিপা। সিলেট শহরে একটি ব্যবসা প্রতিষ্টানও করেছেন। তবে রেপিমেট পোশাকের নামে ওই ব্যাবসা প্রতিষ্টান শুধুই লোক দেখানো। আড়ালে তার অনৈতিক কারবার।

বিতর্কিত পুলিশ কর্মকর্তা ডিআইজি মিজান ছিলো রিপার হাতিয়ার। তাকে দিয়ে এহেন কাজ নেই যা রিপা করেননি। ওই পুশি কর্মকর্তাকে দিয়ে রিপার শত্রু পক্ষকে ঘায়েল করছেন পুলিশের ভয় দেখিয়ে। সেসব ভূক্তভোগীরা তাদের কষ্টের কথা তুলেছেন অপরাধ বিচিত্রার কাছে। এদিকে রিপাার কারনে ভাঙ্গতে শুরু করছে অনেকের সাজানো সংসার। অনেক পরিবারেই চলছে অশান্তিক। অন্যদিকে নিত্য নতুন ব্যবসায়ীকে সঙ্গী বানিয়ে সূখ নিদ্রায় ভাসছেন রিপা নামের এ ছলনাময়ী।

দিকে রিপার অপরাধের বিষয়ে অপরাধ বিচিত্রা অনুসন্ধ্যান প্রতিবেদন শুরু করার পর থেক তার বিরুদ্ধে একের পর অভিযোগ আসছে অপরাধ বিচিত্রার অনুসন্ধানী টিমের কাছে। সিলেটের বিভিন্ন এলাকায় জমি ও বাড়ি করেছেন রিপা। সিলেট শহরে একটি ব্যবসা প্রতিষ্টানও করেছেন। তবে রেপিমেট পোশাকের নামে ওই ব্যাবসা প্রতিষ্টান শুধুই লোক দেখানো। আড়ালে তার অনৈতিক কারবার। বিতর্কিত পুলিশ কর্মকর্তা ডিআইজি মিজান ছিলো রিপার হাতিয়ার। তাকে দিয়ে এহেন কাজ নেই যা রিপা করেননি।

ওই পুশি কর্মকর্তাকে দিয়ে রিপার শত্রু পক্ষকে ঘায়েল করছেন পুলিশের ভয় দেখিয়ে। সেসব ভূক্তভোগীরা তাদের কষ্টের কথা তুলেছেন অপরাধ বিচিত্রার কাছে। এদিকে রিপাার কারনে ভাঙ্গতে শুরু করছে অনেকের সাজানো সংসার। অনেক পরিবারেই চলছে অশান্তিক। অন্যদিকে নিত্য নতুন ব্যবসায়ীকে সঙ্গী বানিয়ে সূখ নিদ্রায় ভাসছেন রিপা নামের এ ছলনাময়ী।

Print Friendly, PDF & Email

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here

5 × four =