ক্যাসিনো নিয়ে পুলিশের নিস্ক্রিয়তায় তদন্তে র‌্যাব

0
132

সম্প্রতি ক্যাসিনো নিয়ে গণমাধ্যমে বন্যা বয়ে যাচ্ছে। খেলাধুলার উন্নয়নের জন্য প্রতিষ্ঠিত ক্লাবগুলোতে যে অনৈতিক কর্মকান্ড চলে তা দেশবাসী এতদিন জানত না। যুবলীগ নেতা খালেদ মাহমুদ ভুইয়া ও জিকে শামীমকে গ্রেপ্তারের পর সারা দেশে ক্যাসিনেগুলোতে জুয়া, মাদক ও টাকা পাচারের ঘটনা ছড়িয়ে পড়ে। এতদিনে দেশবাসী জানতে পারছে দলীয় পরিচয়ে কিভাবে নেতাকর্মীরা কোটি কোটি টাকা অন্যায়ভাবে কামিয়েছে। পুরান ঢাকার আওয়ামীলীগের দুই নেতা এনামূল হক এনু ও রুপম ভুইয়ার মালিকানাধীন পাঁচ কোটি টাকা ও স্বর্ললঙ্কার উদ্ধারের ঘটনায় তিন মামলা হলেও পুলিশ গ্রেপ্তার করেত বিলস্ব করাতে জনমনে ক্ষোভ দেখা দিয়েছিল। তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে তদন্ত করতে গিয়ে দেখা গেল আওয়ামীলীগের এই দুই নেতা দুই বছরে পুরান ঢাকায় পনেরটি আলীশান বাড়ি করেছে। দলীয় পরিচয় দিয়েই টিনের ঘর থেকে পনেরটি বাড়ির মালিক হয়েছে তারা দুইজন। তবে অবৈধভাবে কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছে এমন নেতার অভাব নেই। তাদের হাতে সাধারন জনগণ ও তাদের জানমাল জিম্মি। গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে জানা যায় ক্লাবগুলোতে জুয়া, মদের বোতল, অবৈধ টাকার স্তুপ, টাকা পাচার ইত্যাদি সকল অপকর্মে ক্ষমাতাসীন দলের অনেক রাঘব বোয়াল রয়েছে।

যাদের নাম প্রকাশে তদন্ত কর্মকর্তারা পর্যন্ত অনাগ্রহ প্রকাশ করছেন। একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত সংবাদে জানা গেছে মতিঝিল এলাকার এক পুলিশ কর্মকর্তা এসব জুয়ার ক্যাসিনো থেকে প্রতি মাসে দুই কোটি টাকা করে নিতেন। তবে সংবাদে উক্ত পুলিশ কর্মকর্তার নামটি প্রকাশ করা হয়নি। তবে পুলিশদের একটি বিরাট অংশ এসব অপকর্ম সম্পর্কে ইতোপূর্বে ভালভাবে অবগত ছিলেন তা অস্বীকার করার কোন উপায় নেই। ক্যাসেনোকে কেন্দ্র করে অপরাধীদের ধরার জন্য গোটা দেশে অভিযান চলছে।

প্রধানমন্ত্রী বলছেন অপরাধী যেই হোক কোন ছাড় নেই। জনসাধারন চলমান এই অভিযানে স্বস্থি বোধ করছে এবং অপেক্ষা করছে ওপর লেভেলের কারা জড়িত তাদের নাম প্রকাশ করা হোক। তবে শোনা যাচ্ছে ওপর লেভেলের অনেকের নাম প্রকাশ না করতে ও তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা না নেয়ার জন্য প্রশাসন থেকে চাপ রয়েছে।

সাধারন লোকদের অভিমত বড় দুর্নীতিবাজদের না ধরলে অভিযান সফল হবে না। শুরু থেকে দুর্নীতিবাজদের ধরতে পুলিশের নিস্ক্রিয়তা স্পষ্ট হয়ে ওঠছে। তাই অভিযান পরিচালনা করছে র্যাাব। অপরাধীকে ধরে রিম্যান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদও করছে র্যােব। তবে একটি বিষয় উদ্বেগের সাথে দেখা যাচ্ছে এ পর্যন্ত কোন পুলিশকে সনাক্ত করা হয়নি ও নাম প্রকাশ হয়নি। অথচ শুরু থেকেই গণমাধ্যমে বলা হচ্ছে ক্যাসিনোগুলোতে যে অনৈতিক কর্মকান্ড ও টাকার খেলা চলছে সেখানে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অনেক সদস্য জড়িত। একারণেই কি পুলিশের নিস্ক্রিয়তায় তদন্তে র্যা ব?

অথচ শুরু থেকেই গণমাধ্যমে বলা হচ্ছে ক্যাসিনোগুলোতে যে অনৈতিক কর্মকান্ড ও টাকার খেলা চলছে সেখানে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অনেক সদস্য জড়িত। একারণেই কি পুলিশের নিস্ক্রিয়তায় তদন্তে র্যা ব?

Print Friendly, PDF & Email

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here

13 − eleven =