দুর্নীতি বিরোধী অভিযানকে স্বাগত জানাই …কামরুল আহসান সরকার রাসেল

0
95

মীর মো: সিরাজুল ইসলাম: রাজধানী ঢাকার সন্নিকটে অবস্থিত শিল্পাঞ্চল খ্যাত গাজীপুর মহানগর। দেশের প্রায় সকল জেলার খেটে খাওয়া শ্রমজীবি মানুষ জীবিকার তাগিদে নিজ জন্মস্থান থেকে ছুটে এসেছেন গাজীপুর মহানগরে। বিভিন্ন জেলার লোক জনের বসবাস হওয়ায় এখানকার রাজনীতি ও বেশ জটিল। দীর্ঘ দিন এই মহানগরে বসবাস করার সুযোগে অনেকে এখানে স্থায়ীভাবে বসবাস করার জন্য ঘর-বাড়ী নির্মান করেছেন। অনেকেই জড়িয়ে গেছেন স্থানীয় রাজনীতির সাথে। ছোট বড় প্রায় সকল রাজনৈতিক দলের রয়েছে সাংগঠনিক কমিটি, রয়েছে রাজনৈতিক সহ অবস্থান। দ্বিতীয় গোপালঞ্জ খ্যাত গাজীপুর মহানগরে আওয়ামী লীগের রয়েছে একটি শক্ত সাংগঠনিক ভীত। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়নে বিশ্বাসী ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রতি পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস রেখে সকল নেতা কর্মীরা ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করেন। গাজীপুর মহানগরে আওয়ামীলীগের পরই সাংগঠনিক শক্ত অবস্থান তৈরী করেছেন মহানগর আওয়ামী যুবলীগ। একান্ত সাক্ষাৎকারে গাজীপুর মহানগর আওয়ামী যুবলীগের আহ্বায়ক কামরুল আহসান সরকার রাসেল বলেন, গাজীপুর মহানগর আওয়ামী যুবলীগের অবস্থান অত্যন্ত শক্তিশালী। আমি ও আরো তিনজন যুগ্ম আহ্বায়ক মিলে কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের মধ্যে কোন প্রকার দন্দ্ব নেই। আমরা সকলে মিলে নিজস্ব অর্থায়নে দলের সকল কর্মসূচী পালন করি। আমাদের মধ্যে কোন মাদক ব্যবসায়ী, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী, ভূমিদূস্য নেই। কোন ব্যক্তি যদি কোন অনৈতিক কাজ করে সেই দায়িত্ব তার নিজের। কোন ব্যক্তির দায় সংগঠন বহন করবে না।

সাংগঠনিক কমিটির বিষয়ে তিনি বলেন, গাজীপুর ৮টি থানা ও ৫৭ টি ওয়ার্ড নিয়ে গাজীপুর মহানগর। ইতিমধ্যে আমরা ১৭টি ওয়ার্ড কমিটি গঠন করেছি এবং বাকী ওয়ার্ড কমিটি প্রক্রিয়াধীন। যেহেতু গাজীপুর মহানগরে বিভিন্ন জেলার লোকজনের বসবাস সেহেতু সৎ, যোগ্য, মেধাবী ও বিশ্বাসীদের নিয়ে কমিটি করতে গিয়ে আমাদের একটু সময়ের প্রয়োজন হচ্ছে।

আশা করি অল্প সময়ে আমরা সকল থানা ও ওয়ার্ড কমিটি গঠন করতে সক্ষম হব। ব্যক্তিগত আয়ের বিষয়ে তিনি বলেন, আমার মরহুম পিতা ছিলেন একজন প্রতিষ্ঠিত সফল ব্যবসায়ী। আমি তার উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করি এবং সেখান থেকে যে আয় হয় তা দিয়ে আমার জীবিকা নির্বাহ করি। তিনি বলেন, আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের একজন সৈনিক, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গঠন করতে সৎ ও সঠিক নেতৃত্বের কোন বিকল্প নেই।

চলমান দুর্নীতি বিরোধী অভিযানকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর কন্যা একজন সৎ ও সাহসী রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে সারা বিশ্বে পরিচিত, একমাত্র তার পক্ষেই দুর্নীতির বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া সম্ভব। তিনি সকল দুর্নীতির বিরুদ্ধে দেশ ও জনগণের জন্য দিন রাত কাজ করে যাচ্ছেন। আমরা তার একজন কর্মী হিসেবে কাজ করতে পেরে গর্ববোধ করি। দেশের যে কোন চক্রান্ত, ষড়যন্ত্র, আন্দোলন ও দেশ বিরোধী কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে মহানগর আওয়ামী যুবলীগ মাঠে থেকে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ পালন করতে প্রস্তুত।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, গাজীপুর মহানগরের কোন ওয়ার্ডে পদ বা কমিটি বাণিজ্য নেই। আমরা যোগ্যতার ভিত্তিতে সকলের পরামর্শ নিয়ে তৃণমূলের সমর্থনে ওয়ার্ড কমিটি গঠন করি। তিনি বলেন, আমি বঙ্গবন্ধু শেখ হাসিনার কর্মী, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সহ দলীয় হাইকমান্ড যখন যেখানে আমাকে যে দায়িত্ব দিবেন আমি আমার জীবনের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে সে দায়িত্ব সততা ও নিষ্ঠার সাথে পালন করে যাব। যতদিন বেঁচে থাকি বঙ্গবন্ধুর পরিবারের সাথে রাজনীতি করে যাব। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ’ই আমার একমাত্র ঠিকানা। উল্লেখ্য কামরুল আহসান সরকার রাসেল গাজীপুর মহানগরের বাসন থানাধীন  ভোগড়া গ্রামের সম্ভ্রান্ত সরকার পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।

পিতা-মরহুম শামসুদ্দীন সরকার ছিলেন একজন সফল ব্যবসায়ী। কামরুল আহসান সরকার রাসেল পূর্ব চান্দনা প্রাইমারী স্কুল থেকে প্রাথমিক শিক্ষা, নিউ মডেল বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক শিক্ষা ও ভাওয়াল বদরে আলম সরকারী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক ও উচ্চতর শিক্ষা লাভ করেন। কলেজ জীবনেই বঙ্গবন্ধুর আদর্শের প্রতি অনুগত হয়ে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে যোগদান করেন।

ভাওয়াল বদরে আলম সরকারী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের ক্রীড়া সম্পাদক, এজিএস, ছাত্রলীগের সভাপতি এবং জেলা ছাত্রলীগের সদস্য হিসেবে সুনামের সহিত দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য ও বর্তমানে গাজীপুর মহানগর আওয়ামী যুবলীগের আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করছেন। ব্যক্তিগতভাবে কামরুল আহসান সরকার রাসেল একজন সদালাপী, হাস্যজ্জ্বল, কর্মীবান্ধব ও মেধাবী যুবনেতা হিসেবে সর্বজন স্বীকৃত।

কামরুল আহসান সরকার রাসেল বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের পৃষ্টপোষকতা করেন। এলাকার মসজিদ, মাদরাসা, স্কুল, কলেজ সহ অসংখ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নের কাজ করেন। এলাকার গরীব দু:খী মানুষকে বিভিন্ন ভাবে সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দেয়। গরীব ছেলেমেয়েদের লেখাপড়া ও দু:স্থদের চিকিৎসা সেবার সহযোগীতা করেন। এলাকার পাড়া মহল্লার ছিনতাই ও চাঁদাবাজি রোধে সর্বদাই সচেষ্ট থাকেন।

বিভিন্ন ওয়ার্ডের যুবলীগ নেতা ও কর্মীদের সাথে আলাপ করে জানা যায় কামরুল আহসান সরকার রাসেল একজন কর্মী বান্ধব মেধাবী ও সাহসী যুবনেতা। তিনি কর্মীদের যে কোন ভালো মন্দের খোজ খবর রাখেন। সকল স্তরের নেতা কর্মীদের ডাকে সাড়া দেন। তারা মনে করেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে তার মতো একজন যোগ্য ও কর্মীবান্ধব নেতা গাজীপুর মহানগর আওয়ামী যুবলীগে খুবই প্রয়োজন। পাশাপাশি তিনি জনপ্রতিনিধি হওয়ার ও যোগ্যতা রাখেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আগামী নির্বাচনে কামরুল আহসান সরকার রাসেল ভাইকে মেয়র বা এমপি পদে দিলে সেখানে বিজয় সুনিশ্চিত হবে। তিনি কোন বিশেষ বাহিনী লালন করেন না এবং কোন মাদকসেবী, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজদের প্রশ্রয় দেন না।

পাশাপাশি তিনি জনপ্রতিনিধি হওয়ার ও যোগ্যতা রাখেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আগামী নির্বাচনে কামরুল আহসান সরকার রাসেল ভাইকে মেয়র বা এমপি পদে দিলে সেখানে বিজয় সুনিশ্চিত হবে। তিনি কোন বিশেষ বাহিনী লালন করেন না এবং কোন মাদকসেবী, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজদের প্রশ্রয় দেন না।

Print Friendly, PDF & Email

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here

thirteen − two =