ক্যাশিয়ার সুলতানের মাসে কোটি টাকার বাণিজ্য

0
229

সিএমপির ইপিজেড থানার অফিসার ইনচার্জ নুরুল হুদার নাম ভাঙ্গিয়ে কথিত ক্যাশিয়ার সুলতান মাসে কোটি টাকার চাঁদাবাজি করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। থানার কথিত ক্যাশিয়ার সুলতানের বেপরোয়া চাঁদাবাজির ঘটনায় ওসি ও এসআইসহ থানা পুলিশও বিব্রত অবস্থায় রয়েছে বলে একাধিক পুলিশ নিশ্চিত করেছে।

অভিযোগ উঠেছে ক্যাশিয়ার সুলতানের বিরুদ্ধে ইপিজেড এলাকার বিভিন্ন পয়েন্টে মাদক, ইয়াবা, চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি, হোটেল, পতিতালয়, জুয়ার আসর, অবৈধ পরিবহন, স্বর্ণ চোরাকারবারী, চোরাই তেলকারবারী, বিউটি পার্টলারের আড়ালে দেহ ব্যবসা, ফুটপাত, ভাসমান হকার, অন্যায়ভাবে মামলা দেয়া, আসামি ধরা, আসামি ছাড়া সব ক্যাশিয়ার সুলতানের ইশারায় করা হয়। এসব কথা বলে ক্যাশিয়ার সুলতান মাসে কোটি টাকার বাণিজ্য, এবং বিভিন্ন ক্রাইম জোন থেকে মাসোহারা, টাকার বিনিময়ে এলাকার লোকজনকে গ্রেফতার করে নির্যাতন, সাধারণ মানুষকে হয়রানীসহ বিভিন্ন অভিযোগ সুলতানের বিরুদ্ধে। এলাকার লোকজন সুলতানের বিরুদ্ধে ওসি ও এসি, পুলিশ কমিশানারের কাছে অভিযোগ করে অদৃশ্য শক্তির কারণে ক্যাশিয়ার সুলতানের বিরুদ্ধে ওসিও ব্যবস্থা নিতে পারছে না বলে সংশ্লিষ্ট সুত্র জানায়। এব্যপারে চিংড়ি পোনা বিক্রেতা শাহজাহান, ঈশা খাঁ গেইট এলাকার চোরাই তেল  বিক্রেতা নুরুল আলম ও আবু তাহের ক্যাশিয়ার সুলতানকে মাসোহারা দেওয়ার কথা স্বীকার করেন। শাহজাহান চিংড়ি পোনা বিক্রি নিষিদ্ধ থাকায় মাসোহারা দেওয়ার কথা স্বীকার করলেও চোরাই তেলের ব্যবসার কথা অস্বীকার করেন নুরুল আলম ।

এ ছাড়া নগরীর মদ, গাঁজা, ফেনসিডিল ও ইয়াবা বিক্রেতা বাদশা, আবদুর রহিম, জাভেদ, মনির, ইয়াকুবসহ ২৮/৩০ জনকে দিয়ে ক্যাশিয়ার সুলতান নিজেই মাদক ইয়াবার সিন্ডিকেট গড়ে তোলেন। তাদের কাছ থেকে প্রতিমাসে পুলিশের কথা বলে ৫০ থেকে এক লক্ষ টাকা পর্যন্ত মাসোহারা নেয়। থানার ক্যাশিয়ার হিসেবে সুলতান থাকলেও সুলতানের নিজস্ব কিছু নিয়োগপ্রাপ্ত ক্যাশিয়ার রয়েছে তারা হলেন ‘মনিরসহ কয়েকজন তারা এলাকা ভিত্তিক চাঁদা আদায় করে সুলতানকে বুঝিয়ে দেয়। ইপিজেড থানার ক্যাশিয়ার সুলতানের সাথে মোবাইল ফোনো যোগাযোগ করা হলে সাংবাদিক পরিচয় দেয়ার পর কোন কথা বলতে রাজি হয়নি।

পুলিশের নাম ভাঙ্গিয়ে চাঁদাবাজির বিষয়টি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও আওয়ামী লীগ নেতাসহ অনেকে দাবি জানিয়েছেন, স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা হাজি ইকবাল জানান, আমি একজন বিবেকবান মানুষ হিসেবে সবসময়  অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে আসছি, পুলিশের নামে চাঁদাবাজির বিষয়টি দলীয়  ফোরামেও আলোচনা হয়েছে বলে তিনি জানান।

জানা গেছে, সে ভুলু মাঝি,বরিশাইল্যা এমাদুল,এই এলাকায় অবস্থিত ব্যারিষ্টার সুলতান আহমেদ চৌধুরী কলেজের প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক এস এম আনচার উল্লাহ বলেন, সুলতানের চাঁদাবাজির বিষয়টি ওসিকে একাধিকবার জানানো হয়েছে এরপরও ওসি ব্যবস্থা নেয়নি। ইপিজেড থানার অফিসার ইনচার্জ নুরুল হুদা বলেন, ক্যাশিয়ার সুলতানের বিষয়ে এলাকার অনেক লোকজন অভিযোগ করছে তবে উনাকে থানায় কাজ না করার জন্য বলে দেয়া হয়েছে।

Print Friendly, PDF & Email

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here

thirteen + seven =