তিনি সেই আইন প্রয়োগকারী সংস্থার একজন কর্মকর্তা

0
102

প্রায় কোটি টাকার মূল্যেও জমি। এর উপর নির্মাণ করা হচ্ছে ১১ তলা বিশিষ্ট বহুতল ভবন। এটি নির্মাণ করছেন সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় কর্মরত উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. জসিম উদ্দিন। সিদ্ধিরগঞ্জের হিরাঝিল ৩ নম্বর রোড মসজিদ গলি এলাকায় এই ভবন নির্মাণ কাজ দ্রুত চলছে। তবে, অভিযোগ উঠেছে, ভবন নির্মাণ করতে যেয়ে ইমারত বিধিমালাকে বৃদ্ধাঙুলি প্রদর্শন করেছেন পুলিশের ওই কর্মকর্তা।

একজন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার ব্যক্তি হয়ে কীভাবে তিনি বেআইনী কাজ করতে পারেন, এ নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন।

যদিও এসআই জসিম প্রশ্ন তুলেছেন, আমার আশেপাশের কেউই ইমারত বিধিমালা অনুসরণ করেনি। এই বিধিমালা কি শুধু আমার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে?

স্থানীয়রা বলছেন, অন্যরা যদি আইন ভঙ্গ করে থাকে তাহলে তাদেরকে আইনীভাবেই প্রচলিত আইনের ধারায় নিয়ে আসতে হবে। সে জন্য আইন রয়েছে। তিনি সেই আইন প্রয়োগকারী সংস্থার একজন কর্মকর্তা। অথচ সেটি তিনি না করে নিজেই ভাঙছেন আইন!

এলাকাবাসী জানায়, সিদ্ধিরগঞ্জ থানার এসআই মো. জসিম উদ্দিন প্রায় কোটি টাকা মূল্যে ৪ কাঠা জমির উপর বহুতল (১১ তলা) ভবন নির্মান করে আসছে। ইমারত বিধিমালা অনুসরণ করে ভবন নির্মাণের কথা থাকলেও এসআই মো. জসিম উদ্দিন নিয়ম-নীতি তোয়াক্কা না করেই নির্মাণ কাজ করছেন।

সূত্র বলছে, ইমারত বিধিমালা ১৯৯৬-এ বলা হয়েছে, ইমারতের সর্বাধিক ঊচ্চতা সম্মুখবর্তী রাস্তার প্রশস্থ এবং ইমারত ও রাস্তার মধ্যবর্তী উন্মুক্ত স্থানের যোগফলের দ্বিগুণের বেশি হবে না। সেই বিধিমালার কোনো কিছুই মানছেন না সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশের ওই কর্মকর্তা।

এছাড়াও প্রশ্ন উঠেছে একজন সাব ইন্সপেক্টর সততার সাথে ঠিক কতদিন চাকরি করলে ১১ তলা বিশিষ্ট ভবন নির্মাণ করতে পারনে? কয়েক কোটি টাকা মূল্যের অমন একটি বাড়ি করার পেছনে যে অর্থ খরচ হচ্ছে, সেসব অর্থের উৎস নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে জনমনে। সংশ্লিষ্টদের বিষয়টি খতিয়ে দেখারও অনুরোধ করেছেন সচেতন মহল।

এ বিষয়ে কথা হলে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার এসআই মো. জসিম উদ্দিন বহুতল ভবন নির্মার্ণের কথা স্বীকার করে বলেন, আমরা ৩/৪ জন বন্ধু মিলে এ ভবন নির্মান করছি।

Print Friendly, PDF & Email

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here

2 × five =