বনানী থানা সাবেক ওসি ফরমানের কান্ড সাংবাদিক বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলায় হয়রানির অভিযোগ…

0
187

রাজধানীর বনানী থানা ১৯ নং ওয়ার্ড কড়াইল বস্তির টোকাই থেকে কোটিপতি যুবদল নেতা টুন্ডা মোমিনের বিরুদ্ধে অপরাধ বিচিত্রায় ধারাবাহিকভাবে সংবাদ প্রকাশিত হয়। সরকার স্বাধীন একটি সনামধন্য পত্রিকার সাপ্তাহিক অপরাধ বিচিত্রার দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছেন। টুন্ডা মোমিনের নামে যে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে তার শিরোনাম নাম অপরাধ বিচিত্রায় প্রকাশ কড়াইল বস্তিতে অবৈধ গ্যাস বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়ে টুন্ডা মমিন কোটিপতি, টোকাই থেকে কোটিপতি টুন্ডা মোমিন। দৈনিক গণজাগরণে প্রকাশ সাংবাদিককে হত্যার চেষ্টা। দৈনিক মুক্ত বাংলা, সময়ের আলো প্রকাশ একাধিক মামলার আসামি মোমিন, অপরাধ বিচিত্রা সর্বশেষ নিউজ টোকাই থেকে কোটিপতি, যুবদলের নেতা টুন্ডা মোমিন এখন তাঁতী লীগেরসহ সভাপতি, জাতীয় পত্রিকা বাংলাদেশ প্রতিদিনে প্রকাশ কড়াইলের টোকাই রা এখন কোটিপতি, বিভিন্ন শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করা হলে। উন্মোচিত হয় নব্য তাঁতী লীগের নেতার মুখোশ। সেই সংবাদের জের ধরে উক্ত প্রতিনিধি স্বাধীন সরকারকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়েছে টুন্ডা মোমিন ও কারেন্ট খাইরুল। স্বাধীন সরকারকে মামলায় ফাঁসাতে মরিয়া মোমিন, বনানী সাবেক ওসি অপর্কম সবার অজানা নয়। তৎকালীন বনানী থানার গুণধর ওসি ফরমান আলী, এস আই শাহিন, এ এস আই সুজন কুমার সাহা, সাদা পোশাকধারী এ এস আই ইমরান, মোমিন সাথে মিলে এই কাজ করে।

অনুসন্ধানে দেখা যায়। কড়াইল বস্তির হত্যা, অস্ত্র, একাধিক মামলার আসামি মাদকসম্রাট টুন্ডা মোমিন। নাটকীয় ভাবে স্বাধীন কে ফাঁদে ফেলে। গত ২৩/৯/১৯ইং ১৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মফিজুর রহমান (মফিজ) বাবুলের মুটো ফোন থেকে কল করে অফিসে ডাকেন। মোমিনের বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে চায় সাংবাদিক স্বাধীনরে সাথে। তিনি মুঠো ফোনে বলেণ, ১২টায় তার অফিসে যেতে। তার অফিসে আসার আগে ১০:৩০ মি: স্বাধীন বনানী থানায় গিয়ে ডিউটি অফিসার এস আই ইভা কে বিস্তারিত বলেন।

তিনি বলেন ওসিকে বলতে তখন ওসি কে না পেয়ে তৎকালীন ওসি তদন্ত বোরহান উদ্দিন রানাকে বিস্তারিত খুলে বলেন স্বাধীন। যে আমি ১৯নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মফিজুর রহমান মফিজ আমাকে ডেকেছে তার কার্যালয়ে মিটিং এর উদ্দেশ্য যাচ্ছি। থানায় বিস্তারিত বলার কারণ নব্য তাঁতী লীগের নেতা গত ৩১/ ৮/১৯ইং আওয়ামীগ শোক সভায় সাংবাদিক স্বাধীন এর উপর হামলা চালায় মোমিন, খাইরুল, রায়হান, রুস্তম, নাম না জানা আরো ১৫/১৮/ জন যুবক। হামলার সময় অনুষ্ঠানের ডিউটি রত অবস্থায় উপস্থিত ছিলেন বনানী থানার কড়াইল বস্তি বিট ইনচার্জ এস আই আবু তাহের ভূইঁয়া এএস আই সোহেল রানা।

তাদের সামনে আওয়ামী লীগের প্রোগ্রামের প্রকাশ্যে ফিল্মস্টালে হামলা করা হয়।কোন ভয় ছিল না হামলাকারীদের এর একজন ধরে ফেলে সাংবাদিক স্বাধীন তবু তাকে গ্রেফতার করেনি আবু তাহের। জানা যায় এলাকার মোমিনের সাথে পুলিশ এস আই আবু তাহের ভূঁইয়া সাথে মোমিনের রয়েছে চরম বন্ধু সম্পর্ক। আবু তাহের তার নামে রয়েছে মাদক কারবারীদের সহযোগিতা করা অভিযোগ তার পরে বহাল তদবিয়াতে আছেন বনানী থানায় এস আই আবু তাহের। দীর্ঘদিন বনানী থানায় থাকার কারণে কড়াইল বস্তিতে তার কাছে অতি সহজ চেনাজানা।

অন্যের তৈরি করা বাড়ি জবর দখলের অভিযোগ রয়েছে তার এস আই তাহের এর বিরুদ্ধে। সাংবাদিক স্বাধীনের উপর টুন্ডা মোমিনের সন্ত্রাসি বাহিনী হামলার কোন তথ্য দিতে রাজি হয়নি এস আই তাহের।হামলার সময় কিন্ত আবু তাহের উপস্থিত ছিলো। সেই দিন রাতে প্রথমে স্বাধীন মামলা করতে গেলে ওসি ফরমান আলী মামলা নেয়নি। লিখিত অভিযোগ দিয়ে চলে জেতে বলে। পরে তদন্ত করা হবে। স্বাধীন ৮ দিন পর আবার হামলার শিকার হন তখন জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে জিডি করেন যার নং-৭৮২।

মাদকসম্রাট টুন্ডা মমিন সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে বনানী এলাকায় মাদক ব্যবসা সহ কড়াইল বস্তিতে চোরাই গ্যাস দখল সহ বিদ্যুতের অবৈধ সংযোগ দিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।বনানী এলাকার বিভিন্ন অপকর্ম নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করায় কাল হয়েছিল সাংবাদিক স্বাধীনের। আর এতে বনানী থানা ওসি ফরমান আলী, এ এসআই সুজন কুমার সাহা ও ইমরান কর্তৃক টুন্ডা মমিনের নিকট থেকে নিয়মিত মাসোয়ারা গ্রহন করতেন। একাধিক মামলার আসামী মাদক সম্রাট টুন্ডা মমিন।

পরিকল্পনায় এ এসআই সুজন কুমার সাহা ও সাদা পোশাক ধারী ইমরান কাউন্সিলর কার্যালয় থেকে সাংবাদিক স্বাধীন ১ ঘন্টা ৩০ মিঃ মিটিং শেষ করে যখন কাউন্সিলর কার্যালয় থেকে নিচে নামে একটু সামনে আসতেই এএসআই সুজন কুমার সাহা ও এ এস আই ইমরান বলেন তাদের কাছে ইনফরমেশন আছে স্বাধীনের কাছে মাদক আছে গেরান্টি সহকারে তখন স্বাধীন সার্চ করতে বলে। স্বাধীনও নাদিমের দেহ তল্লাশী করেন সাদা পোশাক ধারী এ এস ইমরান। তার কাছে কোন না পেয়ে চুপ তারা। হটাৎ ইমরানের কল আসে। কানে কানে সুজনকে কিছু বলতে দেখে প্রশ্ন করি কিছু পেলেন না আমি কি জেতে পারি।

ইমরান গাড়ির সামনে এসে হটাৎ বলে মোটর সাইকেলে ইয়াবা পাওয়া গেছে। তখন সাংবাদিক স্বাধীন সরকার চেলেঞ্জ করেন দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে মাদক আমার নয় আপনি সি সি টিভির ফুটেজ দেখুন। সাথে সাথে সম্পাদক কে রিপোর্ট স্বাধীন বিস্তারিত বললে সম্পাদক এ এস আই সুজন কুমার সাহার, ওসি সাথে কথা বলে কিন্ত তারা সি সি টিভির ফুটেজ সংগ্রহ না করে স্বাধীন কে থানায় নিয়ে যায়।

৪/১৬ মিনিটে স্বাধীন আটল করা হলে মামলা এজাহারে রাত ৮.৩০ মিনিটে গ্রেফতার দেখানো হয় কেন!! থানায় সিসি টিভিতে দেখা যায়। ৫ টার আগে স্বাধীন থানায় কি ভাবে এলো!! মানুষ টাকার জন্য এত খারাপ হতে পারে বনানী সাবেক( ওসি) ফরমান আলীকে না দেখলে বুঝা যাবেনা।

Print Friendly, PDF & Email

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here

10 + 5 =