এমবি টিভির পরিচালক আমিনুরের প্রতারনা

0
356

মো: আহসানউল্লাহ হাসান: এমবি টিভি ওরফে ম্যাজিক বাংলা টিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম আমিনুর রহমান শান্তর অনৈতিক কার্যকলাপ, মাদক ব্যবসা, নারী পাচার, অফিস কর্মচারিদের বকেয়া বেতন না দেয়া, সহজ সরল সংবাদকর্মীদের কাছে এমবি টিভির পরিচয়পত্র বিক্রি করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেযা সহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, রাজধানীর মগবাজারের শহীদ তাজ উদ্দিন আহম্মদ স্মরণীর রাজ্জাক প্লাজার ১৪ তলায় এমবি টিভি কার্যালয়। মূলত এটি একটি অনলাইন টিভি পোর্টাল। এটার চেয়ারম্যান সাজ্জাদ চৌধুরী । এমবিটিভির কক্সবাজার সংবাদদাতা হিসেবে কক্সবাজার বাসিন্দা এম আমিনুর রহমান এখানে আগে কাজ করতো। আমিনুর বছর খানেক আগে এটাকে স্যাটেলাইট টিভিতে রুপান্তর করবে মর্মে সাজ্জাদের কাছ হতে ২০% শেয়ার কিনে রাজ্জাক প্লাজায় অফিস নেয়। আমিনুরের মূলত ব্যবসা মাদক ব্যবসায়ী। রামু, উখিয়া, টেকনাফে তার সিন্ডিকেট রয়েছে। সে এসএসসি পাস। সাজ্জাদের নিকট হতে ২০% শেয়ার কিনে মকবুল হোসেন নামে আইএফআইসি ব্যাংকের একজন ব্যাংকারের কাছে ১০% বিক্রি করে মোটা অংকের একটি ঋণ গ্রহন করে আমিনুর। একঝাক তরুন সাংবাদিককে অনেক স্বপ্ন দেখিয়ে এবং অচিরেই এটি পুর্ণাঙ্গ স্যাটেলাইটে আসবে কথা বলে এমবি টিভির আইডি কার্ড প্রদান করে। নিয়োগ পত্র কয়েকদিন পর দেয়ার আশ^াস দনে। কুমিল্লা, সাভার, ময়মনসিংহ , চট্রগ্রাম, কক্সবাজার সহ বিভিন্ন এলাকায় জন প্রতি ৩০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত হাতিয়ে নিয়ে তাদেরকে এমবি টিভির প্রতিনিধি কার্ড দিয়ে কোটি টাকা বাণিজ্য করে। আর কিছু দিন পরপর পুরাতন প্রতিনিধিদের বাদ দিয়ে নতুন সংবাদকর্মী নিয়োগ দিয়ে টাকা আদায় করেন। মডেল বানানো, অভিনয়ে সুযোগ করে দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে মেয়েদেরকে অসামাজিক কাজে লিপ্ত করে। মোটা অংকের টাকার লোভে ফেলে পরে তাদেরকে দিযে ব্ল্যাকমেইল করে এমবি টিভির অফিসেই অসামাজিক কাজ করানো হয় বলে জানায় ভূক্তভোগিরা। এটা রাতের বেলায় তদারকি করে আমিনুরের ছোট ভাই লুতফর।

আমিনুর বলে বেড়ায় , ডিজি এফআই , র‌্যাব, পুলিশের উর্ব্ধতন কর্মকর্তা তার বন্ধু। লবণ ও চিংড়ি মাছের ঘের তাদের ব্যবসা। এসব সম্পুর্ণ মিথ্যা কথা। ইদানিং রোমিও নামে এক নারীপাচার কারীকে উক্ত টিভিতে নিয়োগ দিয়েছে আমিনুর। রোমিও কে যদি কেউ জিঞ্জেস করে আপনি অন্য কোনো চেনেলে কাজ করেছেন কিনা ? উত্তরে বলে, চেনেল আই, একুশেটিভি ,ইন্ডিপেন্ডেট, বাংলাভিশন, ৭১ টিভি, আর টিভি, এনটিভি সহ অনেক টিভিতে কাজ করেছি। আসলে সে একজন নারী পাচারকারী।
আমিনুরের আসল চরিত্র, তার মাদক ব্যবসা, নারী পাচার, অফিসে রাতের বেলায় অসামাজিক কাজ কমর বিষয়ে চেয়ারম্যান সাজ্জাদ জেনে যাওয়া তার সাথে দ্বন্দে জড়িয়ে পড়ে আমিনুর।

সুত্র জানায়, বর্তমানে এমডি আমিনুর রহমান শান্ত বিভিন্ন জনের কাছ হতে প্রায় কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে উধাও হয়ে চট্রগ্রামের মহেশখালীতে অবস্থান করছে।
আর তার ছোট ভাই মাদক ব্যবসায়ী লুৎফর রহমান প্রতারক সাহেদের মতো সেলফি তুলে নব্য শ্রমিক নেতা হিসেবে অফিসেই রাত যাপন করেন।

এব্যাপারে এমডি আমিনুর রহমান শান্তর কথা বলার জন্য তার মোবাইল ফোনে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি তা রিসিভ করেননি। পরবর্তীতে একাটি ক্ষুদেবার্তা পাঠালেও কোন প্রতি উত্তর দেননি। তবে অপরাধ বিচিত্রার অনুসন্ধান্ধান চলমান রয়েছে। বিস্তারিত আসছে…….

Print Friendly, PDF & Email

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here

17 − 4 =