এ এস আই আল-হাসান-এর বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন মামলা, স্ত্রীকে মৃত্যুর হুমকি

0
720

নীলফামারী প্রতিনিধি: নীলফামারীতে স্বামীর বিরদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন মামলা করায় পুলিশ সুপার বগুড়া হাইওয়ে রিজিওন কর্মরত পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক ও নীলফামারী সদর উপজেলার দুহুলী শান্তি নগর গ্রামের ইসমাঈল ওরফে ইছাহাক আলীর ছেলে আল-হাসান স্ত্রীকে ভয়-ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, গত ১১/০৫/১১ ইং তারিখে রেজিঃ কৃত কাবিননামা মূলে ইসলামী শরীয়ত মোতাবেক বিবাহ সম্পন্ন হয়। কিছুদিন স্বামীর সহিত সুখে-শান্তিতে বসবাস করা কালীন সময়ে একটি পুত্র সন্তান জন্ম গ্রহণ করে। পিতা-মাতার কু-প্ররোচনায় আল হাসান বিবাহের যৌতুক বাবদ ৫ লক্ষ টাকার জন্য স্ত্রীকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতেন। এমনকি গর্ভপাত করতে বাধ্য করেন।
পরবর্তীতে ১৮ জুন ১৯ ইং তারিখে নীলফামারী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর আদালতে ১১(খ)/৩০ ধারায় স্বামী আল-হাসান, শ্বশুর ইসমাঈল ওরফে ইছাহাক আলী, শাশুড়ি হাসিনা বেগম ও দেবর এন্তাজ আলীর বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা নং ২৫৭/১৯। দীর্ঘদিন তদন্ত শেষে আদালত ঘটনার সত্যতা পেয়ে আল-হাসান ও তার পিতার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।
গত ১২/০২/২০ ইং তারিখে অন্তর্বর্তী কালীন জামিনে মুক্তিলাভ করিয়া মোবাইলে বিভিন্ন ভয়-ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করেন। অতঃপর গত ১৫/০২/২০ ইং তারিখে তার স্ত্রী, শাশুড়ি ও শালিকা কেনাকাটা করে বাড়ি ফেরার পথে হাসান ও তার ক্যাডার বাহিনী স্ত্রীকে হত্যার উদ্দেশ্যে ধারালো ছোরা দ্বারা মাথা বরাবর চোট মারিলে তা ঠেকানোর চেষ্টা করে অটোতে শুয়ে গেলে চোটটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে পায়ে লাগিয়ে রক্তাক্ত গুরুতর জখম হয়। স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় প্রাণে রক্ষা পেলেও নগর টাকা ও গলায় থাকা স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।
মামলা করার পর থেকেই শ্বশুর-শাশুড়ি ও স্বামী মামলা তুলে নেয়ার জন্য ভয়-ভীতি প্রদর্শন ও হুমকি দিতে থাকেন। এদিকে মামলার তারিখ যতই ঘনিয়ে আসছে, বিভিন্ন লোক মাধ্যম ও একাধিক নাম্বারে ফোন করে মামলা তুলে না নিলে জানি মারিয়া ফেলারসহ অন্য মামলায় ফাঁসিয়ে ক্রসফায়ারের ভয়-ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করেন বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী।

Print Friendly, PDF & Email

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here

9 − nine =