উন্নয়ন ও মানবিকতার রোল মডেল মেয়র সোহেল

0
129

নোয়াখালী পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও নোয়াখালী পৌর সভার সুযোগ্য মেয়র শহিদ উল্যাহ খান সোহেল। ছাত্রজীবন থেকেই ছাত্রলীগ থেকে শুরু করে বর্তমান আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর  আদর্শের সৈনিক ও প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার একজন পরীক্ষিত একনিষ্ঠ কর্মী। বিরোধী দল  থাকা কালে তিনি বহু জেল-জুলুম ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। যার প্রতিদানও তিনি পেয়েছেন দলের সভানেত্রীর কাছে। ২০১৬ সালের মেয়র নির্বাচনে জননেত্রী শেখ হাসিনা সোহেলকে নোয়াখালী পৌরসভার মেয়র হিসেবে নৌকার মাঝি নিযুক্ত করেন। নেত্রীর এই সিন্ধান্ত যে নোয়াখালীবাসীর জন্য আশির্বাদ ছিলো মেয়র নির্বাচিত হয়ে নানা উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের মাধ্যমে তিনি প্রমাণ করেছেন। নোয়াখালী পৌরসভা দিন দিন রুপ নিচ্ছে একটি সম্বৃদ্ধ ও আধুনিক পৌসভায়। পৌর এলাকার অসহায়, নির্যাতিত, নিপিড়িত, সুবিধা বঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো, বিপদের আপদে দলীয় নেতাকর্মীদের পাশে দাঁড়ানো, এলাকায় মসজিদ-মাদ্রাসার শিক্ষক, ইমাম মুয়াজ্জিনদের সাহার্য সহযোগীতা করা,  বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের ব্যবস্থা, সেনিটেশন, প্রয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা, সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন করাসহ মানুষের জীবন মান উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন মেয়র সোহেল। আতিথেয়তা, দূর্দিনে, দূর্যোগে ও বিপদে পাশে দাঁড়িয়ে অল্প দিনেই তিনি জয় করে নিয়েছেন পৌরবাসী ও দলীয় নেতাকর্মীদের মন। মেয়র শহিদ উল্যাহ খান অল্প দিনেই সেবার মাধ্যমে পৌরবাসীর মন জয়ের নানা কর্মকান্ড নিয়ে প্রতিবেদনটি লিখেছেন ইয়াকুব নবী ইমন

যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন:

একটি এলাকার উন্নয়নের পূর্বশত হলো সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়ন। তাই মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পর পরেই মেয়র শহিদ উল্যাহ খান সোহেল পৌর এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের দিকে নজর দেন। তিনি পৌর এলাকার গুরুত্বপূর্ন সড়ক, বিশেষ করে পুলিশ লাইনস সড়ক, সেন্ট্রাল রোড তথা সার্কিট হাউজ রোড, জেলা খানা রোড, কলেজ রোড, মাষ্টার পাড়া রোড, জজ কোর্ট সড়ক, ফকিরপুর সড়ক, বিচারপতি বদরুল হায়দার সড়ক তথা মহিলা রোড, হাসপতাল রোড, মাইজদী হাউজিং স্টেটের অধিকাংশ সড়কসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ন সড়ক নতুন করে নির্মাণ ও সংস্কারে হাত দেন। এই সাড়ে চার বছরে পৌর এলাকার প্রায় সকল সড়কেই উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে। মফস্বল পর্যায়ে যে দুইচারটি গ্রামিন সড়ক রয়েছে আগামী কয়েক মাসের মধ্যে সেগুলোও নতুন করে নির্মাণ বা সংস্কার হয়ে যাবে বলে পৌরসভার সংশ্লিষ্ঠ দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে। দির্ঘদিন অবহেলিত সড়কগুলোর এমন উন্নয়ন কর্মকান্ডে পৌরসভার মেয়র শহিদ উল্যাহ খান সোহেলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। রেকর্ড পরিমান উন্নয়ন কর্মকান্ড পরিচালনা করায় মেয়রকে ধন্যবাদ জানিয়ে তার প্রতি কৃতজ্ঞতার পাশে আবদ্ধ পৌরসভার ১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর রফিকুল বারী। দীর্ঘদিন অবহেলিত ছিলো নোয়াখালী আইনজীবি সমিতির অভ্যন্তরের সড়কটি। যেটি আইনজীবিদের যাতায়াতের জন্য ছিলো অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ন। এর আগে আইনজীবিরা অনেকের কাছে ধর্না দিয়েছেন সড়কটি সংস্কার করে দেয়ার জন্য। কিন্তু তারা শুধু আশ^াসের বানীই পেয়েছেন সড়ক সংস্কার হয়নি। কিন্তু মেয়র সোহেল আইনজীবিদের দীর্ঘদিনের দূর্ভোগ লাগবে এগিয়ে আসেন। উদ্বোধন করা হয় সড়ক সংস্কার কাজের। আরসিসি ডালাইয়ের মাধ্যমে সড়কটি মজবুত করে নির্মাণ করা হয়। এখন আইনজীবিদের পাশাপাশি সাধারণ জনগণও সড়কটি ব্যবহার করছে। মেয়রের এমন কাজে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন জেলা আইনজীবি সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো: আবদুল গোফরান ভূঁঞা।

দারিদ্র হ্রাসকরণ:

পৌর এলাকার প্রান্তির মানুষের জীবণ মান উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ কারে যাচ্ছেন পৌর মেয়র শহিদ উল্যাহ খান সোহেল। বসতি উন্নয়ন তহবিলের আওতায় জাতীয় নগর দারিদ্র হ্রাসকরণ কর্মসূচীর মাধ্যমে পৌরবাসীকে যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করছেন।

করোনা কালে মানুষের পাশে:

নোয়াখালী পৌর এলাকায় মরণব্যাধী করোনার পাদুর্ভাব দেখা দেওয়ার পর থেকেই মেয়র শহিদ উল্যাহ খান সোহেল নানা কর্মসূচীর মাধ্যমে পৌরবাসীর পাশে দাঁড়ান। তিনি প্রথমে স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য পৌরবাসীর মাঝে হ্যান্ডস্যানেটাইজ, মাক্সসহ করোনা প্রতিরোধী বিভিন্ন সামগ্রী বিতরণ করেন। সরকারী ভাবে লকডাউন শুরু হলে পৌরসভার গাড়ির মাধ্যমে ঘর বন্ধী মানুষের বাড়ি বাড়ি খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেন। পাশাপাশি সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে পৌর ভবনেও নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী ও ইফতার সামগ্রী বিতরণ অব্যাহত রাখেন। সমাজের পিছিয়ে পড়া তৃণমূলের দরিদ্র জনগোষ্টি মুচি, বেদে, হিজড়া, দোপা, নাপিত, রিক্সা চালক, ঠেলা গাড়ি চালক, প্রতিবন্ধী, ফরিক, মেসকিন, ভ্রাম্যমান দিনমজুর থেকে শুরু করে নিন্মবিত্ত, মধ্যবিত্ত, উচ্চ মধ্যবিত্ত কেউ বাদ পড়েনি সহযোগীতর হাত থেকে। শুধু তাই নয়, জেলার মুক্তিযোদ্ধা, সাংস্কৃতিক কর্মী, ক্রীড়া সংগঠক, পৌর এলাকার মসজিদের ইমান-মুয়াজ্জিন, এমনকি সংবাদ পত্রের হকারসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের জন্য মেয়র সোহেল ঘোষণা করেন প্রনোদনা। এতো কিছুর পরও মেয়র সোহেল ভূলে যাননি শিশুদের কথা। পৌর এলাকার শতাধিক অভিভাবকের মাঝে শিশুখাদ্যও বিতরণ করেন। পত্রিকার হকারদের মাঝেও বিতরণ করেন খাদ্য সামগ্রী। প্রতিদিন সন্ধায় ভ্রাম্যমান রোজাদারদের মাঝে ইফতার ও সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ অব্যাহত রেখেছেন। মেয়র সহিদ উল্যাহ খান সোহেলের সহযোগীতা পেয়ে খুশি পৌরবাসী। দলমত নির্বিশেষে এমন ব্যতিক্রমি ও মানবিক কার্যক্রমকে সাধুবাদ জানিয়েছে সচেতন মহল।

চিকিৎসা সেবায় ব্যতিক্রমি উদ্যেগ:

নোয়াখালী পৌর এলাকার সাধারণ জনগনের চিকিৎসা সেবায় ব্যতিক্রমি উদ্যেগ গ্রহন করেছে পৌরসভার মেয়র। যে কোন রোগিকে প্রাইভেট চেম্বারে ডাক্তার দেখাতে হলে ব্যবস্থাপত্রের ফি দিতে হয় ৫-৭শ টাকা। অনেক গরীব রোগীর পক্ষেই এই টাকা দিয়ে ভালো কোন ডাক্তার দেখানো সম্ভব হয়না। তাই পৌর এলাকার গরীব, অসহায় ও সাধারণ মানুষের কথা চিন্তুা করে পৌর সভার মেয়র শহীদ উল্যাহ খান সোহেল পৌর পরিষদে আলোচনার মাধ্যমে একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার নিয়োগ দেন। পৌরসভার অভ্যন্তরেই আউটডোর সার্ভিসের মাধ্যমে এই বিশেষজ্ঞ ডাক্তার প্রতিদিন সকাল ১০ টা থেকে দুপুর ২ টা পর্যন্ত সব রকমের রোগী দেখেন। এখানে যে কোন সাধারণ নাগরিক ও পৌরসভার যে কোন কর্মী মাত্র ২০ টাকার বিনিময়ে ব্যবস্থাপত্র ও চিকিৎসা সেবা পাচ্ছেন। কম খরচে ও সল্প সময়ে এমন স্বাস্থ্য সেবা পেয়ে মহা খুশি পৌরসভার কর্মকর্তা, কর্মচারীরাসহ সাধারণ মানুষ। সরকারী হাসপাতালের মতোই এখানে রোগী দেখা ও প্রথমিক চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে উল্লেখ করে দায়ীত্বরত ডাক্তার প্রনয় কুমার দেবনাথ সকলের সহযোগীতা কামনা করেন।

পানি সমস্যা সমাধান:

পৌরবাসীর দীর্ঘদিনের পানি সমস্যা সমাধানে এগিয়ে আসে পৌর পরিষদ। মেয়র শহিদ উল্যাহ খান সোহেলের একান্ত প্রচেষ্টায় পৌর এলাকার সোনাপুর ও মাইজদী হাউজিং এস্টেটে নির্মাণ করা হচ্ছে ব্যয়বহুল আধুনিক পানি শোধনাগার। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই এই পানি শোধনাগারটি উদ্বোধন করা হবে। এতে পৌরবাসীর দীর্ঘদিনের সুপেয় পানির দাবী পূরন হতে যাচ্ছে। এই প্রকল্প হাতে নেওয়ায় মেয়রকে ধন্যবাদ জানান হাউজিং এস্টেটবাসী। পানি শোধনাগারটি চালু হলে ২৪ ঘন্টাই পৌরবাসী পাবে আর্সেনিকমুক্ত বিশুদ্ধ পানি বলে জানান দায়ীত্বরত ইঞ্জিনিয়ার জসিম উদ্দিন।

মনোরম পরিবেশের মসজিদ নির্মাণ:

পৌরসভা এলাকায় কোন সুন্দর মসজিদ ছিলোনা, ছিলোনা নামাজ পড়ার মতো সুন্দর পরিবেশ। শহিদ উল্যাহ খান সোহেল মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পর পৌর কর্মকর্তা, কর্মচারী ও পৌরসভা এলাকার সাধারণ মানুষের নামাজ পড়ার সুবিধার্থে নির্মাণ করেন নোয়াখালী পৌরসভা জামে মসজিদ। সুন্দর ও মনোরম পরিবেশ হওয়ায় পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের পাশাপাশি জুমার নামাজ আদায় করতে অনেক মুসল্লি দুরদুরান্ত থেকে এখানে এসে থাকেন। এমন অনিন্দ সুন্দর মসজিদে নামাজ আদায় করতে পেরে খুশি মুসল্লিরা।

সাধারণ মুসল্লিদের পাশাপাশি মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করেন মসজিদের ইমাম ও খতিব।

বাস টার্মিনাল নির্মাণ:

পৌর এলাকার সোনাপুরের বাস টার্মিনালটি দীর্ঘদিন অবহেলিত ছিলো। এতে প্রধান সড়কে যানবাহনের অবস্থানের কারণে দীর্ঘ যানজট লেগে থাকতো সব সময় সোনাপুরে। মেয়র সোহেল নির্বাচিত হওয়ার পর এই অবহেলিত বাস টার্মিনালটিকে আধুনিক বাস টার্মিনালে রুপান্তরের উদ্যোগ নেন। এরি অংশ হিসেবে যানজট নিরসনে বিএমডিএফ ও নোয়াখালী পৌরসভার যৌথ অর্থায়নে সোনাপুর পৌর আধুনিক বাস টার্মিনাল। মেয়রের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান স্থানীয়রা।

সুপার মার্কেট ও কিচেন নির্মাণ:

এসাধারণ মানুষের কেনাকাটার সুবিধার্থে সোনাপুর বাজারেই নির্মাণ করা হয়েছে সুপার মার্কেট ও কিচেন মার্কেট। এই উন্নয়ন মূলক কাজের মাধ্যমে পৌরসভাকে একটি মডেল পৌরসভা হিসেবে রূপান্তর করা হয়েছে বলে জানায় স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। সোনাপুরে এই সব উন্নয়ন কর্মকান্ডের জন্য মেয়র শহিদ উল্যাহ খান সোহেলকে ধন্যবাদ জানান স্থানীয় কাউন্সিলর ফখরুদ্দিল মাহমুদ ফখরুল।

সম্প্রতি এই তিনটি প্রকল্প ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উদ্বোধন করেন এলজিআরডি মন্ত্রী মো: তাজুল ইসলাম। এ তিনটি প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে জেলার ঐতিহ্যবাহী সোনাপুরে যানজট নিরসনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষ নির্বিঘেœ প্রতিদিনের কেনাকাটা করতে পারবে। অপর দিকে পৌর শহরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পাবে মনে করছেন এলজিআরডি মন্ত্রী মো: তাজুল ইসলাম।

টেকসই উন্নয়ন:

পৌর মেয়র শহিদ উল্যাহ খান সোহেলের নেতৃত্বে টেকসই উন্নয়নের পথেই হাটছে নোয়াখালী পৌরসভা। বিগত দিনের চেয়ে কয়েক গুন বেশি উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে পৌর এলাকায়। এমনটাই জানালেন পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী সুজিত বড়–য়া।

জেলাব্যাপী গ্রহন যোগ্যতা:

নোয়াখালী পৌর সভার মেয়র শহিদ উল্যাহ খান সোহেল শুধু পৌর এলাকায় নয়, পুরো জেলাব্যাপী রয়েছে গ্রহনযোগ্যতা। জেলার যে কোন প্রান্তে দলীয় নেতাকর্মী বা সাধারণ একজন মানুষ যদি বিপদে পড়েন শহিদ উল্যাহ খান দলমত নির্বিশেষে তাদের পাশে দাড়ান। এমন উদাহরণ অনেক রয়েছে মেয়র সোহেলের জীবনে।

আতিথেয়তা:

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ব বিদ্যালয়ের ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের থাকা ও খাওয়ার ব্যবস্থা করে বিশ্বব্যাপী আলোচিত হন মেয়র শহিদ উল্যাহ খান সোহেল। মেয়রের এমন উদ্যেগের ভূয়সি প্রশংসা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে আসা শিক্ষার্থীরা ও তাদের অভিভাবক। এমন নানাবিধ কর্ম দিয়ে পৌর মেয়র সোহেল অল্প দিনেই জয় করেছেন পৌরবাসীর মন। তাই আগামী দিয়ে শহিদ উল্যাহ খান সোহেলকে আবারও মেয়র হিসেবে দেখতে চায় পৌরবাসী।

আলোচনায় সোহেল:

সামাজিক ও রাষ্ট্রিয় কর্মকান্ডের মাধ্যমে ইতিমধ্যেই আলোচনায় এসেছেন নোয়াখালী পৌরসভার মেয়র শহিদ উল্যাহ খান সোহেল। বিগত দিনের চাইতে মাত্র সাড়ে ৪ বছরে নোয়াখালী পৌরসভায় যে অভুতপূর্ন উন্নয়ন হয়েছে তা জেলার ইতিহাসে বিরল। দায়-দেনা মাথায় নিয়ে পৌরসভার মেয়র হিসেবে দায়ীত্ব নেয়ার পর পৌরবাসীর ভাগ্য উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করেছে। সুযোগ পেলে আগামীতেও তিনি পৌরবাসীর সেবা করে যেতে চান বলে সংবাদ মাধ্যমে জানান।

Print Friendly, PDF & Email

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here

13 − 5 =