বনানী প্রেসক্লাব ও দেশপত্র পরিবারের পক্ষ থেকে সাংবাদিক রোজিনার মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন

0
277

হাবিব সরকার স্বাধীন: চলো যাই যুদ্ধে সাংবাদিক নির্যাতনের বিরুদ্ধে স্লোগানে এক দফা এক দাবি নিঃশর্তে রোজিনার মুক্তি দিবি । ইতিপূর্বে সারা বিশ্বজুড়ে বুঝে গেছে সাংবাদিকদের একতা। মানববন্ধনে সকল কর্মীদের স্লোগান ছিল। কোন মাফিয়া লুটেরাদের সাথে কোন আপস নয়।ও সাংবাদিক নির্যাতনে কোন আপস নয়। দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকার অনুসন্ধানী সাংবাদিক রোজিনার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে বনানী প্রেসক্লাব ও দেশত্র পরিবারের মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন, বনানী প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কাওসার আহমেদ চৌধুরী বিজয় এবং মানববন্ধনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশ পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক আব্দুল আল মামুন। রোজিনা ইসলাম এর মুক্তির দাবিতে উক্ত মানববন্ধনে দেশপত্র পরিবারের কর্ণধার সাঈদুর রহমান রিমন এর নির্দেশে মানববন্ধনে দেশপত্র পরিবারের সকল সদস্য স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেছেন। রাজধানীর উত্তরা প্রেসক্লাব থেকেও বেশ কিছু প্রতিবাদী সাংবাদিক বৃন্দ উক্ত মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেন। মানববন্ধনে নেতৃবৃন্দ বলেন, প্রথম আলো অনুসন্ধানী সাংবাদিক রোজিনা কে পরিকল্পিতভাবে মন্ত্রণালয়ের ভিতর নির্যাতন ও অপমান করা হয়েছে। চুরির অপরাধে তারা মামলা দিতেও পিছপা হননি। সাংবাদিক সমাজের পক্ষ থেকে আমরা এহেন কান্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। সাথে সাথে কোন তালবাহানা ছাড়াই রোজিনাকে নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে।

বনানী প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ বেলায়েত হোসেনের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে আরো উপস্থিত ছিলেন, বনানী প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি দৈনিক সরেজমিন বার্তা পত্রিকা রিপোর্টার দেলোয়ার হোসেন, সহ-সভাপতি সেন্টু মিয়া,

বনানী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এশিয়ান টেলিভিশনের ক্রাইম রিপোর্টার শেখ সোহাগ, সাপ্তাহিক অপরাধ বিচিত্রা রিপোর্টার ও বনানী প্রেসক্লাবের যুগ্ম-সাংগঠনিক সম্পাদক হাবিব সরকার স্বাধীন,

দৈনিক পুনরুত্থান পত্রিকার রিপোর্টার ও বনানী প্রেসক্লাবের দপ্তর সম্পাদক রিপন হাওলাদার, মানব কন্ঠ পত্রিকার রিপোর্টার ও বনানী প্রেসক্লাবের প্রচার সম্পাদক রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজ, বসুন্ধরা পত্রিকার রকি পাটোয়ারী,দৈনিক ডেসটিনি পত্রিকার রিপোর্টার ও বনানী প্রেসক্লাবের শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক কবির হাওলাদার, সোহেল রানা, অনিক দাস, সহ আরো অনেকে।

উল্লেখ্য, রাষ্ট্রীয় গোপন নথি ‘চুরির চেষ্টার’ অভিযোগে প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রোজিনা ইসলামকে সোমবার সচিবালয়ে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের এক কর্মকর্তার কক্ষে প্রায় সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা আটকে রাখা হয়।

পরে রাতে তাকে শাহবাগ থানায় সোপর্দ করে ব্রিটিশ আমলের অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট ও দণ্ডিবিধির কয়েকটি ধারায় মামলা করে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ। বুধবার মামলার তদন্তভার পেয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ-ডিবি।

Print Friendly, PDF & Email

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here

eighteen − ten =