সুনামগঞ্জে শিশুর বয়স ১০৩,সরকারী সাহায্য থেকে বঞ্চিত,

0
125

সুনামগঞ্জে এক শিশুর বয়স ১০৩ বছর। একারণে সরকারী সাহায্য থেকে সে বঞ্চিত। তাই অর্থের অভাবে করতে পারছেনা চিকিৎসা। সেই অসহায় শিশুটির নাম মাহাদী হাসান। সে জেলার ছাতক উপজেলার কালারুকা ইউনিয়নের হাসনাবাদ গ্রামের দিনমজুর ফরিদ মিয়ার ছেলে।

আজ বৃহস্পতিবার (২৫ নভেম্বর) সকালে শিশু মাহদী হাসানের বয়স জানাজানি হওয়ার পর থেকে চারদিকে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে- ২০১৮ সালের ৫ মার্চ জেলার ছাতক উপজেলার কালারুকা ইউনিয়নের হাসনাবাদ গ্রামে জন্ম হয় শিশু মাহদী হাসানের। বছর খানেক পর বাবা ফরিদ মিয়া ছেলের জন্ম সনদ ইউনিয়ন পরিষদ থেকে সংগ্রহ করেন। ওই সনদে শিশু মাহদী হাসানের জন্ম তারিখ দেওয়া হয় ৫ মার্চ ১৯১৮ খ্রিস্টাব্দ। কিন্তু বর্তমানে শিশুটির বয়স মাত্র ৩ বছর।

শিশু মাহদীর বাবা লেখাপড়া না জানার কারণে সেই ভুল তিনি তখন ধরতে ও সংশোধন করতে পারেননি। এদিকে শিশু মাহদী জন্ম থেকেই হার্ঢের রোগে আক্রান্ত। অর্থের অভাবে ভাল ভাবে চিকিৎসা করতে পারছেনা। এমতাবস্থায় বাবা ফরিদ মিয়া জানতে পারে সমাজ সেবা কার্যালয়ের মাধ্যমে হার্ঢের রোগীদের সাহায্য করছে সরকার। তখন শিশু মাহদীর জন্ম সনদসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে সমাজ সেবা কার্যালয়ে জানতে পারে তার ছেলের বয়স ১০৩ বছর। এজন্য সরকারী সাহায্য আর পায়নি অসহায় অসুস্থ্য শিশু মাহদী হাসান।

ভুক্তভোগী শিশুর বাবা ফরিদ মিয়া বলেন- জন্ম সনদে ভুল থাকার কারণে আমার অসুস্থ্য শিশুর চিকিৎসার জন্য সমাজ সেবা অফিস থেকে সহযোগী পাচ্ছিনা। তাই জন্ম সনদটি সংশোধনের জন্য ইউনিয়ন পরিষদ থেকে শুরু করে সবার ধারে ধারে ঘুরছি। কিন্তু এব্যাপারে কেউ আমাকে কোন সহযোগীতা করছেনা।

এব্যাপারে কালারুকা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান অদুদ আলম সাংবাদিকদের বলেন- আমি এবিষয়ে কিছু বলতে পারব না। জন্ম সনদের কাজ করে ইউনিয়ন পরিষদের সচিব। তিনি এই বিষয়ে ভাল জানেন। সংশ্লিষ্ট পরিষদের সচিব পিংকু দাস বলেন- আমি এখানে যোগদান করেছি বেশি দিন হয়নি, জন্ম সনদের কাজ ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তা আয়েশা আক্তার করে থাকেন।

Print Friendly, PDF & Email

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here

19 + twelve =