সাব-রেজিস্টার নুরনেওয়াজের বিভিন্ন অনিয়ম ও দূনিতির তদন্ত চলছে

0
430

বিশেষ প্রতিনিধি   শেরপুর জেলার সদর সাব-রেজিস্টার এর দুনীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে, দলিল লেখক ,নকল নবীস ও স্টাম্প ভেন্ডারা প্রতিবাদ করলে তাদের লাইসেন্স বাতিলের হুমকি দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠে সদর সাব-রেজিস্টার নুর নেওয়াজের বিরুদ্ধে। এ বিষয়ে মহাপরিদর্শক নিবন্ধন ঢাকা বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দেয় দলিল লেখক ,নকল নবীস ও স্টাম্প ভেন্ডারা। এর জের ধরে বাংলাদেশ নিবন্ধন মহাপরিদর্শক শহিদুল আলম ঝিনুক শেরপুর জেলা রেজিস্টারকে সদর সাব-রেজিস্টার মোঃ নুর নেওয়াজের দুনিতি তদন্ত প্রতিবেদন ৭দিনের মধ্যে তদন্ত করে প্রতিবেদন পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানা গেছে উল্লেখ যে ,সদর সাব-রেজিস্টার মোঃ নুর নেওয়াজ ও  দলিল লেখক সমিতির স্ব-ঘোষিত সভাপতি বেলায়েত হোসেন ওরপে-বিষ বেলাল এর যোগসাজসে সরকারী নিয়মের বাহিরে গিয়ে দলিলে বেশি টাকা নেওয়া। সাধারন দলিল লেখকরা প্রতিবাদ করলে তাদের লাইসেন্স বাতিলের হুমকি দেওয়া। কালো টাকায় বিষ বেলাল শহরের নারায়নপুর এলাকায় ৫তলা বিশিস্টি একটি বাড়ীও নির্মান। সাব-রেজিস্টার মোঃ নুর নেওয়াজ তার গাড়ীর চালক মোঃ সাইফুল ইসলাম ও বিষ বিলাল এজেন্ট হিসাবে কাজ । জমির শ্রেনী বিভক্ত দলিল করে রাজস্ব্য ফাকি দিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া। সাব-রেজিস্টার মোঃ নুর নেওয়াজসহ ঐ চক্রের বিভিন্ন অনিয়ম।

সাবরেজিস্টার মোঃ নুরনেওয়াজ তার অফিস সহকারী, গাড়ির চালক ও স্বঘোষিত দলিল লেখক সমিতির সভাপতি বেলায়েত হোসেন ওরপে বিষ বিলালকে নিয়ে অফিসে গড়ে তুলেছেন দুনীতির কারখানা।  সরকার দুনীতির বিরুদ্ধে কোন ছাড় নয় বলে রাত দিন কাজ করে যাচ্ছে।সরকারি কর্মচারী হয়ে সরকারকে বৃদ্ধাঙ্গালী দেখিয়েন নিজ অফিসে  ঘুষ ও দূর্নীতির স্বর্গ গড়ে তুলেছেন সাব-রেজিস্টার নুর নেওয়াজ। তিন নিজ বাসায় বসে দলিলে স্বাক্ষর করলে ৪০ হাজার টাকা, নিয়মিত দলিলে ২ হাজার টাকা, দলিল মুলে দলিলে ৫ হাজার টাকা, আম-মোক্তানামা দলিলে ১০ হাজার টাকা যাহা অফিস সহকারীর মাধ্যমে দলিল প্রতি নিয়ে থাকেন। প্রতি সহি-মোহরী নকল থেকেও ৬৮০ টাকা ঘুষ নিয়ে থাকেন তিনি।শুধু এরই মধ্যে শেষ রাখেনি তার দূর্নীতি সরকারী রাজস্বও ফাঁকি দিয়েছেন লাখ লাখ টাকা।

শেরপুর মৌজায় ৩২ শতাংশ  বাড়ীর জায়গা কাগজ কলমে লাল জমি দেখিয়ে হাতিয়ে নিয়েছেন লাখ লাখ টাকা। যাহার দলিল নং-৪৫৭৯। রাজস্ব ফাঁকি ৯ লাখ টাকা। এ দিকে আবার বিষ বিলাল তার অপকর্ম ঢাকতে রাজনৈতিক  নেতাদের কাছে ধর্না দিচ্ছেন বলে জানা গেছ। তিনি দূর্নীতি করে হটাৎ আঙুল ফুলে কলা গাছ বনে গেছেন। তিনি কালো টাকার গরমে বিভিন্ন অনৈতিক ও অসাজিক কাজে লিপ্ত হয়েছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। অফিষ সহকারী রৌশনারা দূনীতি ও ঘুষ বানিজ্যেও সাথে জড়িয়ে পড়েছে বলেও জানাযায়। সাব-রেজিস্টার মোঃ নুরনেওয়াজের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দূনিতির তদন্ত কমিটি হওয়ায় উপর মহলের বিভিন্ন দপ্তরে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন বলেও জানাযায়। এ বিষয়ে শেরপুর জেলা রেজিস্টার ও সদর সাব-রেজিস্টার নুরনেওয়াজের বিভিন্ন অনিয়ম ও দূনিতির অভিযোগের তদন্ত কর্মকর্তা মোঃ হেলালউদ্দিনকে বারবার তার ব্যবরিত মোবাইলে ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেনি। (আগামীতে চোখ রাখুন চলবে )

Print Friendly, PDF & Email

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here

fourteen − 6 =