কুড়িগ্রামের রৌমারী কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে ডুবে গেছে হাওর এলাকার উঠতি বড় ধান

0
166

মাজহারুল ইসলাম রৌমারী কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি : রৌমারী উপজেলার কৃষির উপর নির্ভশীল কৃষকের উঠতি ধান তলিয়ে যাওয়ায় হতাশায় দিন গুনছে তারা।উপজেলার কৃষকরা হাওরে আগাম জাতের বোরো ধান চাষ করে থাকেন খোদা নিবারণের লক্ষ্যে। এবার কিন্তু  হাওরে ফোলানো ফসল বোরো ধান ঘরে তুলতে পারেনি এঅঞ্চলের কৃষকরা। তবে হাওর এলাকায় সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে অসংখ্য জমির ধান- পাট-ভূট্রা-তীল- সবজিসহ অনেক ফসলি জমি পাহাড়ী ঢলের পানিতে ডুবে গেছে। সীমান্তঘেষা যাদুরচর ইউনিয়নের আলগারচ,খেওয়ারচর,চুলিয়ারচর-বারবান্দাসহ উপজেলার বিভিন্ন হাওরের ধান পাহাড়ী ঢলের ঘোলা পানিতে নিম্মজিত যাওয়ায় দিশেহাড়া কৃষকরা।

 হাওরের ধান চাষি রবিউল ইসলাম, আঃ লতিফ, আলহাজ্ব  রহিম উদ্দিন, সামসুল, কফিলউদ্দীনসহ আরো অনেকেই। জানান এবার ধান কাটতে পারলাম না ছেলে মেয়ে নিয়ে কি খাবো এই চিন্তায় দিশাহারা হাওরের চাষিরা। তারা আরো জানায়

 প্রতিবছর ওইসব হাওর  জমির ধান দিয়ে সারাবছর খাবার যোগান দিয়ে ছেলে মেয়েকে মানুষ করা হয়। এমনটি  জানিয়েছেন হাওরের বোরো চাষি কৃষির উপর নির্ভশীল কৃষকরা। তারা দাবি জানিয়েছেন সরকার যদি হাওর অঞ্চলের কৃষকদের সহযোগিতা না করে তাহলে বন্যার সময় নিঘাত না খেয়ে থাকতে হবে।  বিশেষ করে সীমান্ত ঘেষা এলাকা গুলি হাওড় অঞ্চল পাহাড়ী ঢলেই ডুবে যায় এসব এলাকার বোরো ধান।

হাওরের ধান ডোবার বিষয়  রৌমারী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কাইয়ুম চৌধুরীর কাছে জানতে চাইলে তিনি জানায় উপজেলায় ১০ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষ হয়েছে। এর মধ্যে হাওর এলাকার  ৩০ হেক্টর জমির ধান পাহাড়ী ঢলে তলিয়ে গেছে এটি কয়েকদিন আগের তথ্য পরে আরো ডুবেছে। ক্ষয়ক্ষতির বিষয় উর্ধ্বতন কতৃপক্ষের কাছে জানানো হয়েছে। এটি হচ্ছে কয়েকদিন আগের তথ্য তবে গত তিনদিনের টানা বৃষ্টিতে আরও অনেক ফসলের ব্যাপক খতি সাধিত হয়েছে বলে কৃষকদের বরাত দিয়ে জানা গেছে।

Print Friendly, PDF & Email

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here

five + fifteen =