প্রতিবন্দীর সম্পত্তি আত্বসাতের চেষ্ঠা, স্বার্থন্বেসী, সম্পত্তি লোভী, ভুমি দস্যু হরিপদ পালের মিথ্যা প্রচারের প্রতিবাদ

0
668

মোফাচ্ছের হোসেন বাবুল ঃ ভুমি দস্যু, চাঁদাবাজ, প্রতারক ও দূর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে অপরাধ বিচিত্রার খুরধার লিখন অদম্য ধাবমান। রংপুর থেকে প্রকাশিত দৈনিক আজকের বসুন্ধরা, অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে আদালতে বিচারাধীন হিন্দু পরিবারের জমি জোর পূর্বক দখলের পায়তারা। আজগারুল শাহ্কে শিরোনাম করে ২০ শে আগষ্ট ২০২২ খ্রিঃ যে অসত্য সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে তা আমার দৃষ্টি নন্দন হয়। রংপুর জেলা তারাগঞ্জ উপজেলা ৪নং ইকরচালী ইউ,পি চরকডাঙ্গা পালপাড়ার মৃত দেবেন্দ্র নাথ পালের পুত্র প্রতারক ও ভ’মিদস্যু হরিপদ পাল এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলে গন সাক্ষে প্রমানিত হয়। দেশে সম্প্রদায়িক সম্প্রিতি বিনষ্টের ধৃষ্টতাপূর্ন আচরন হরিপদ পাল নিজেই করিতেছে। তারাগঞ্জ থেকে প্রকাশিত দৈনিক সংবাদের সম্পূর্ন অসত্য প্রকাশের তারাগঞ্জবাসী নিন্দা জানিয়েছে। তারাগঞ্জ থানার ওসি সুশান্ত কুমার সরকার দৈনিক সংবাদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, তারাগঞ্জ থানায় সংখ্যা লঘু হিন্দু পরিবার নিরাপত্তা হিনতায়, এ পর্যন্ত কোন অভিযোগ পাই নাই। অভিযোগ পেলে স্বরজমিনে তদন্ত করিয়া আইনি ব্যবস্থা গ্রহন করা হইবে। বারাতি পাল পাড়ার মৃত দেবেন্দ নাথ পালের ছেলে হরিপদ পাল বলেন, পৈত্রিক সুত্রে পাওয়া উপজেলা রহিমাপুর মৌজাস্থ প্রায় ৪ একর জমি, পাঠক আপনাদের বিবেকে প্রশ্নের ঝড় উঠুক, পত্রিকা কাহাকে বলে। বৈধ্যনাথ পালের পুত্র ঈশ^র চন্দ্র পাল ও দেবেন্দ্র নাথ পাল, জমির অংশে সমান। ঈশ^র চন্দ্র পালের পুত্র মনিন্দ্র নাথ পাল ও দেবেন্দ্র নাথ পালের পুত্র হরিপদ পাল।

দেবেন্দ্র নাথ পাল সি,এস এর পরে উল্লেখিত ৩ একর ৯২ জমি থেকে বাদ পরে যায়। এস,এ ও বি,এস রেকর্ড মনিন্দ্র নাথ পালের নামে হয়। ২নং কূর্শা ইউনিয়ন সহকারী ভুমি কর্মকর্তা মোছাঃ রেহেনা পারভীন এর প্রতিবেদনে পাওয়া যায়।

দৈনিক সংবাদের অনলাইন পোর্টালে লিখেছেন, সুধি সমাজের লোক জন আপনাকে বলেছেন, সারা দেশে হিন্দুদের প্রতি যে সহিংসতা শুরু হয়েছে তারই একটি অংশ হিসেবে কাজ করছে উগ্র সমাজের মৃত কাছুয়া শাহ্ এর পুত্র আজগারুল শাহ্। বিষয়টি আপনি সরজমিনে তদন্ত করেছেন। বাংলাদেশের কোন জেলায় হিন্দু মুসলিম সহিংসতা হয়েছে দয়া করে জানাবেন, অন্যথায় জনগনের শ^াস প্রশ^াসের ন্যায় বিশ^স্ত সাংবাদিকতায় জাতী যদি বিভ্রান্ত হয়, অপরাধ বিচিত্রা  মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষন করিতে বাধ্য।

অপরাধ বিচিত্রার অনুসন্ধানে মনিন্দ্র পালের অকাল মৃত্যুতে তার বিধবা স্ত্রী শ্রীমতি জোৎস্না রানী পাল বাক প্রতিবন্দী পুত্র শ্রী মিঠু পাল ও তার নব বিবাহিত স্ত্রী শ্রীমতি বিনা রানী পালকে নিয়ে বিশাল সম্পত্তির অধিকারীনি বিপাকে পরে যায়। বেচারী জোৎস্না পাল দুর সম্পর্কের প্রভাবশালী দেবর শিয়াল পন্ডিত মহাশয় হরিপদ পালকে সংসার দেখা শোনার দায়িত্ব দেন অর্থাৎ ছাগল বর্গা দেন।

হরিপদ পাল দায়িত্ব পেয়ে প্রতিবন্দী পরিবারের সকলকে ক্রাস করার লক্ষে মার-ডাং সহ নির্যাতনের খবর এলাকাবাসীর সুত্রে জানা যায়। লেখার অধিকার পেয়ে জাতির নিকট সত্য প্রকাশ করাতে মৃত্যুর পরোয়ানা আসিলেও ভয়ের কি আছে। এদিকে কোনো কারনে সংসার চালাতে গিয়ে প্রতিবন্দীর স্ত্রী বিনা রানী পাল মাতা জোৎস্না রানী পাল এলাকার গন্য-মান্য ব্যক্তি সহ প্রতিবন্দী মিঠু পালের পৈত্রিক রহিমাপুর মৌজাস্থ ৩ একর ৯২ এর মধ্যে ৬০ শতাংশ উপযুক্ত মুল্যে নির্ধারন করে এবং নগদ টাকা বুঝিয়া নিয়া মৃত কাছুয়া শাহ্ এর পুত্র আজগারুল শাহ্কে কবলা দলিল দেন।

যাহার খতিয়ান নং- এস,এ ৯৭, বি,এস-১০১৫, দাগ নং- ১৫১৮,১৫৬৭। মিঠু পাল ও তার পরিবার আজগারুল শাহ্কে জমির ৬০ শতাংশের দখল বুঝিয়া দেন। এদিকে প্রতিবন্দী পরিবারটি বর্তমানে আজগারুল শাহ্ এর হেফাজতের দৃষ্টিতে রহিয়াছে। এই পরিবারকে হেফাজত করিতে গিয়া আজগারুল শাহ্ও বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায়।

প্রতিবন্দী পরিবারটি হরিপদ পালের বিরুদ্ধে এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তির নিকট অভিযোগ ও গ্রাম্য শালিশ বৈঠকে হরিপদ পালকে গন্যমান্য ব্যক্তিগন অনেকভাবে কাগজপত্র পর্যালোচনা করিয়া তাহাকে জমির উপর উঠতে নিষেধ করেন। এর পরেও সে নির্লজ্যের মতো ভিত্তিহীন মিথ্যা স্বিয় স্বার্থ প্রনোদিত অসত্য খবর প্রচার করে জাতিকে বিভ্রান্তের ও দাঙ্গা-হাঙ্গামার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। বর্তমানে আজগারুল শাহ্ আমন ধানের চারা লাগিয়ে জমির দখলে আছেন। চোখ রাখুন পরবর্তী সংখ্যায়.

Print Friendly, PDF & Email

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here

five + five =