অবৈধ গ্যাস সংযোগ, শিশুশ্রম, টিসিবি’র পণ্য আল-বারাকা ব্রেড এন্ড বিস্কুট ফ্যাক্টরি

0
319

খাঁন: যাত্রাবাড়ী থানার ৭ নং করাতিটোলায় আল-বারাকা ব্রেড এন্ড বিস্কুট ফ্যাক্টরিতে চলছে অবৈধ গ্যাস সংযোগ দিয়ে ইঝঞও এর অনুমোদনহিন ট্রেড লাইসেন্সবীহিন সম্পূর্ণ অবৈধ পন্থায় গড়ে উঠেছে এই ব্রেড বিস্কুট ফ্যাক্টরি। গত ১০/১২/২০২২ইং তারিখে আমাদের প্রতিনিধি উক্ত ফ্যাক্টরিতে সরেজমিনে অনুসন্ধানে জানা যায়-দীর্ঘ দিন থেকে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ব্রেড বিস্কুট ইত্যাদি তৈরি করে বাজারজাত করে আসছেন ফ্যাক্টরি মালিক মো: খোরশেদ আলম ও আব্দুল কাদির গংরা। প্রতিনিধি খোরশেদ আলম ও আব্দুল কাদিরকে ফ্যাক্টরির বৈধ কাগজপত্র আছে কি না জানতে চাইলে উনারা বৈধ কিছুই দেখাতে ব্যার্থ হইয়া স্থানীয় কোন এক নেতাকে মোবাইল ফোনে কল করেন এবং আরো ২/১ জন কার্ডধারী নামসর্বস্ব পত্রিকার সাংবাদিকদের কল করেন। নেতা ও সাংবাদিকগণ আমাদের প্রতিনিধিকে নানা উল্টো পাল্টা প্রশ্ন শুরু করলে প্রতিনিধি বলেন-আপনারা ফ্যাক্টরিতে আসেন তারপর দেখে শুনে কথা বলেন। এতে উনারা উত্তেজিত হয়ে প্রতিনিধিকে হুমকির সুরে ফ্যাক্টরি ত্যাগ করতে বলেন, অন্যথায় ঝামেলা হবে এই মর্মে হুশিয়ারি করেন।

ফ্যাক্টরিতে দেখা যায় প্রায় ১২/১৫ জন শ্রমিকের মধ্যে অধিকাংশই অপ্রাপ্ত বয়স্ক শিশু। ফ্যাক্টরির ছবি ও ভিডিও করতে প্রতিনিধিকে চরমভাবে বাধা দান করলে গোপন ক্যামেরায় ভিডিও ধারণ করা হয়।

আল-বারাকা ব্রেড এন্ড বিস্কুট ফ্যাক্টরিতে পাওয়া যায় টিসিবি’র আটা, ময়দা, চিনি ইত্যাদি। আনুমানিক ২৫/৩০ বস্তা টিসিব’র পণের মালামাল মজুত ছিলো উক্ত ফ্যাক্টরিতে সেদিন। এব্যাপারে মালিক পক্ষকে জিজ্ঞেস করা হয় এসব সরকারি পণ্য আপনাদের ফ্যাক্টরিতে কেন? প্রতিত্তোরে জানা যায় এসব পণ্য উনারা কিনে এনেছেন।

কিভাবে এত পণ্য টিসিবি’র উনারা কিনলেন এই প্রশ্নের সদুত্তর দিতে পারেন নাই। অনুসন্ধানে পাওয়া যায় একই ফ্যাক্টরিতে দুটি কোম্পানির ল্যাভেল ব্যবহার করে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ইঝঞও এর নকল দুইনাম্বারি রেজিষ্ট্রেশন দেখিয়ে বাজারজাত করে যাচ্ছেন এই দুই অসাধু ব্যবসায়ী। মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকি রয়েছে এসব নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্য ব্যবহারে। বিষয়টি যথাযথ কর্তৃপক্ষ বিশেষ নজরদারিতে নিয়ে আশু আইনি পদক্ষেপ নিবেন বলে আশা করেন সাধারণ ভুক্তভুগী ক্রেতারা।

Print Friendly, PDF & Email

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here

three × five =