অভিযুক্ত ক্ষমতাধর ইউএনও সোহেল রানা অপরাধ বিচিত্রাকে দেখিয়ে দেয়ার হুমকি

0
4618

শিদলাই দারুল ইসলাম মাদ্রাসা নিয়ে

 ইউএনও সোহেল রানার মিথ্যা তদন্ত প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান, পুনঃ তদন্তের দাবী, ধনাঢ্য জসিমের সাথে সখ্যতা, এলাকাবাসির অভিযোগের পাহাড়

সংস্থাপন মন্ত্রনালয়ের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন

হামলার ভিডিও, দুটি মানববন্ধন, স্থানীয় পত্রিকার সংবাদ প্রত্যক্ষদর্শী গন্যমান্য ব্যাক্তি বাদিপক্ষের বক্তব্য না নিয়ে সব কিছুকেই মিথ্যা বলে গোপনে তদন্ত প্রতিবেদন

কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার নির্বাহি কর্মকর্তা সোহেল রানা অবশেষে এলাকার দুষ্কৃতিকারিদের পাতা  ফাঁদে পা দিয়েছেন। দুষ্কৃতিকারীদের ফাঁদে পা দিয়ে প্রভাবিত হয়ে মিথ্যা রিপোর্ট প্রদান করেছেন বলে এলাকাবাসি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ইউএনওর বিরুদ্ধে। এলাকায় মাদক ব্যবসা জমজমাট। হাইকোর্টে নিষেধাঞ্জা থাকা স্বত্বেও ফসলি জমির মাটি কেটে ইট ভাটায় সাপ্লাই, ব্যাটারি চালিত রিকশা থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা চাঁদাবাজি চলছে। এগুলো দেখাশুনার দায়িত্ব ইউএনওর। কিন্তু এগুলা  দেখাশুনা করছেন কিভাবে এ প্রশ্ন এলাকাবাসির। এলাকা মাদকের স্বর্গরাজ্যে পরিনত হয়েছে। কিভাবে অটো রিকশা থেকে চাঁদাবাজি হয় তিনি এসব বিষয়ে কি কোন খোজ খবর রাখেন না অপরাধীদের সাথে সখ্যতা গড়ে তুলেছেন এসকল অভিযোগ নিয়ে অপরাধ বিচিত্রার অনুসন্ধান চলছে। ইউএনওর বিরুদ্ধে এলাকাবাসির অভিযোগের শেষ নেই। মাদ্রাসা নিয়ে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ অনেক দিনের। ইতিমধ্যে মাদ্রাসার জমি বেদখল হয়ে যাওয়া, সংঘবদ্ধভাবে দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র সহ মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল এর বাড়িঘর ভাংচুর, মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষককে মারধর এর কারনে প্রতিবাদে মানববন্ধন করা, ভয়ভীতি সৃষ্টি করার অভিযোগ সহ একটি ভিডিও ফুটেজ অপরাধ বিচিত্রার দপ্তরে সংরক্ষিত রয়েছে। ইউএনও সোহেল রানা প্রভাবিত হয়ে বিষয়টিকে পক্ষপাতমুলক আচরন করায় দিন দিন ঘটনাটি দানবীয় রুপ নিতে পারে বলে এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তিগন মনে করছেন। অপরাধ বিচিত্রায় প্রকাশিত রিপোর্টের দালিলিক প্রমান এবং স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী নিরপেক্ষ গন্যমান্য ব্যাক্তিগনের বক্তব্য ভিডিও ফুটেজ সংরক্ষন রয়েছে। প্রয়োজনে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ চাইলে তা এলাকার স্বার্থে অপরাধ বিচিত্রা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সরবরাহ করবে।

 অভিযোগ ১  নিন্মরুপ

অভিযুক্ত ব্যাক্তি জনাব মো: জসিম উদ্দিন সরকার গত প্রায় ১০ বছর যাবৎ অত্র মাদ্রাসার ৩০৮৫ দাগের জমি জোর পূর্বক দখল করে সেখানে দোকানপাট করে ভাড়া দিয়ে অবৈধ টাকা উপার্জন করছে।

ইউএনওর রিপোর্টে

এটি মিথ্যা

ইউএনও প্রতিবেদনে বলেছেন জসিম উদ্দিন সরকার ও মাদ্রাসার কাগজ পর্যালোচনা করে দেখা যায় জসিম উদ্দিন দলিল মুলে ৩০৮৫ দাগে মোট ৩ শতক জমির মালিক দখলকার আছে। মাদ্রাসার দাবি উক্ত জমি মাদ্রাসার। জসিম উদ্দিন সরকার আদালতের রায় ছাড়া কিভাবে দাবিকৃত জমি তার দখলে রাখে। জসিম উদ্দিনের কাছে কি আদালতের রায় আছে। ইউএনও আদালতের রেফারেন্স দিয়েছেন যে আদালতের রায় ছাড়া দখলকার বলা যাবে না জসিম উদ্দিন সরকারকে। সে ক্ষেত্রে এলাকাবাসির প্রশ্ন জসিম উদ্দিনের কাছে কোন আদালতর রায় রয়েছে যে রায়ের বলে মাদ্রাসার দাবিকৃত সম্পত্তি দখলে রাখে। ইউএনও মাসুদ রানা কি সে জবাব দিবেন এলাকাবাসিকে। তাদের আরো প্রশ্ন যে জসিম উদ্দিনের সাথে ইউএনওর কি সখ্যতা রয়েছে যে কারনে তদন্ত না করে অভিযোগকারী কারোর বক্তব্য না নিয়ে কারো সাথে ক্রস চেকিং না করে গোপনে তদন্ত রিপোর্ট দাখিল করেছেন।

ভূমি অফিসের

 রেকর্ড কি বলে

খতিয়ান নং ২০, জে এল নং ১১পৃষ্টা ১, সিদলাই, থানা ব্রাম্মনপাড়া, জেলা কুমিল্লা বিভাগ চট্টগ্রাম, মালিক শিদলাই দারুল ইসলাম সিনিয়ার মাদ্রাসা কমিটি পক্ষে সেক্রেটারী অংশ ১, দাগ নং ৩০৭৯, ৩০৮০, ৩০৮১, ৩০৮২,৩০৮৩, ৩১০০, ৩১০৪, ১৯৯১, ২৯৪- জমির শ্রেণী মাদ্রাসা, কবরস্থান নাল খেলার মাঠ, ভিটা, মোট জমি ৮৭০০।

খতিয়ান ২২, জে এল নং ১১ পৃষ্টা ১,  দাগ নং ৩০৮৫ সিদলাই, থানা ব্রাম্মনপাড়া, জেলা কুমিল্লা বিভাগ চট্টগ্রাম, মালিক শিদলাই দারুল ইসলাম মোট জমি ১৪০০শতাংশ।

খাজনা পরিশোধের রেকর্ড

শিদলাই ইউনিয়ন ভূমি অফিস রেকর্ড অনুসারে ১৪২৮-২৯ বাংলা তারিখে মোট ১৭৯৫ টাকা পরিশোধ করেন। যার ইংরেজি তারিখ ১৩/১০/২০১২। দাগ নং ৩১০৪, ১৯৯১, ২৯৪, ৩০৭৯, ৩০৮০, ৩০৮১, ৩০৮২, ৩০৮৩, ৩০৮৪, ৩১০০।

মাদ্রাসার শিক্ষকদের বক্তব্য ও রেকর্ড খাজনায় প্রমান করে মাদ্রাসার জমিটি বেদখল করা হয়েছে। ফলে ইউএনওর রিপোর্ট মিথ্যা প্রমানিত হয় বলে এলাকাবাসি তা প্রত্যাখান করে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পুনরায় তদন্ত করার দাবি তোলেন।         

অভিযোগ ২ নিন্মরুপ

সভাপতি পদপ্রার্থী জসিম উদ্দিন সরকারের নেতৃত্বে তার ভাই, ভাতিজা ও একদল সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক মো: শফিকুল ইসলাম এর উপর অতর্কিতে হামলা করে এবং তাকে মারধর করে জামা কাপড় ছিড়ে ফেলে। এ ব্যাপারে মাদ্রাসার ভারপাপ্ত অধ্যক্ষও তার বক্তব্যে বলেন গত ২০২১ সনের শেষ দিকে নিয়ম মোতাবেক মাদ্রাসার গভর্নিং বডি মনোনয়নের কাজ সুন্দরভাবে চলছিল। ঠিক তখনই তার পক্ষ দল নির্বাচনে নিশ্চিত পরাজিত হবে বুঝতে পেরে দাতা সদস্য ও শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচনের পরের দিন জসিম উদ্দিন সরকার এর নেতৃত্বে তার আপন ভাই, ভাতিজা ও একদল  সন্ত্রাসী বাহিনী  নিয়ে মাদ্রাসার দক্ষিন প্রবেশদ্বারে মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক জনাব মো: শফিকুল ইসলামের উপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে তার জামা কাপড় ছিড়ে ফেলে মারধর করে আহত করে।

ইউএনও সোহেল

 রানার মিথ্যা  রিপোর্ট এলাকাবাসির প্রত্যাখান

ইউএনও তার দাখিল করা রিপোর্টকে যায়েজ করতে তদন্তের নমুনা দেখিয়েছেন তাও এক পক্ষের। তিনি কিছু হাতের লেখা বক্তব্য দেখিয়েছেন যাতে সংশ্লিষ্টদের স্বাক্ষর রয়েছে। হাতের লেখা পর্যালোচনা করে দেখা যায় সব এক হাতের লেখা শুধু স্বাক্ষরটা ভিন্ন ভিন্ন ব্যাক্তির। তিনি লিখিত ব্যাক্তির বক্তব্যের ভুল ব্যাখাও দিয়েছেন নিজের দাখিল কৃত প্রতিবেদনটিকে শুদ্ধ করার জন্য। যা বিশ্লেষন করলে বুঝা যায় সব মিথ্যা রিপোর্ট দাখিল করেছেন, বুঝা যায় দিনের আলোর মতন। যে কারনে অপরাধ বিচিত্রায় যখন সত্য ঘটনা প্রকাশ হয়ে পড়ে তাতে ইউএনও সোহেল রানার ঘাত্রদাহ সৃষ্টি হয়।

ইউএনও সোহেল রানা মিথ্যা রিপোর্ট দাখিল করেছেন বলে এলাকাবাসির অভিযোগ করেছেন অপরাধ বিচিত্রার দপ্তরে। এ ঘটনাটিকেও তিনি ভুল ব্যখ্যা দিয়েছেন। প্রমান হিসাবে দেখিয়েছেন মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক শফিকুল ইসলামের লিখিত বক্তব্য। শফিকুল ইসলাম  লিখিত বক্তব্যে  বলেছেন শফিকুল ইসলামকে মারধরের ঘটনাটি সম্পর্কে তিনি জানেন না। অপরাধ বিচিত্রার অনুসন্ধানকালেও জসিম উদ্দিনের অনুসারি শতাধিক উপস্থিত এলাকাবাসির সামনে ভয়ে আতঙ্কিত হয়ে ধারন করা ভিডিওতেও শফিকুল ইসলাম বলেছেন নির্বাচনের পরে তাকে মারধর করা হয়নি। এমন বক্তব্যের পর তাকে যখন পাল্টা প্রশ্ন করা হয় তাহলে মারধর করা হয়েছে অন্য কোন সময়ে সে মারধরের ঘটনা কবে হয়েছিল, কখন মারধর করা হয়েছে? জসিম উদ্দিনের অনুসারি শতাধিক উপস্থিত জনতার সম্মুখে তখন তিনি বলেছেন তাকে মারধরের ঘটনা নির্বাচনের পরে হয়নি আগে হয়েছে। আবারো পাল্টা প্রশ্ন করা হলে মানববন্ধনের কথা প্রশ্ন করা হলে তিনি নিরব থাকেন। তিনি বিষয়টি লুকানোর চেষ্টা করেছেন বটে তবে পাল্টা প্রশ্ন করার পরে তিনি সর্বশেষ এ প্রতিনিধি দলকে বলেছেন যে তিনি এলাকায় থাকতে চান  ঘটনার কথা প্রকাশ্যে বললে তিনি এলাকায় থাকতে পারবেন না। এলাকার শান্তি শৃঙ্খলার স্বার্থে তিনি বিষয়টিকে লুকিয়েছেন। শফিকুল ইসলাম ভয়ে ব্য ম্যানেজ হয়ে বা টাকার কাছে বিক্রি হয়ে এ ঘটনাকে শিকার করুক বা লুকানোর চেষ্টা করুক, প্রকাশ্যে বলুক বা গোপনে বলুক তাতে কিছু যায় আসে না এ ঘটনার অনেক প্রমান এলাকায় রয়েছে। কিন্তু ইউএনও সাহেব, শফিকুল ইসলামের লিখিত- জীবনের হুমকি মোকাবেলার আশঙ্কায় প্রকৃত ঘটনা আড়াল করার অযুহাত স্বরুপ সার্টিফিকেট হিসাবে ব্যবহারের সুযোগ নিয়েছেন। তিনি বলতে পারেন না যে সহকারী শিক্ষক শফিকুল ইসলামের সাথে মারধরের কোন ঘটনা ঘটে নাই, এমনকি বলার কোন সুযোগ নেই। কারন এ ঘটনার প্রতিবাদে এলাকায় একাধিক মানববন্ধন হয়েছে। স্থানীয় পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হয়েছে। সেগুলোকে পাশ কাটিয়ে ইউএনও যে প্রভাবিত হয়ে মিথ্যাচার করেছেন তা বুঝতে আর কারোর বাকি থাকে না। ইউএনও এলাকায় তদন্ত না করে পক্ষপাতিত্ব করে যে রিপোর্ট দিয়েছেন তা কোন নিরপেক্ষ সংস্থা কর্তৃক তদন্ত করলে ইউএনও সোহেল রানার মিথ্যাচারের প্রমান পাওয়া যাবে বলে এলাকাবাসি মনে করেন। এলাকাবাসি বলেছেন এলাকার তাবৎ অপরাধীদের সাথে ইউএনওর সখ্যতা রয়েছে। তারা আরো জানিয়েছে ধনাঢ্য জসিম উদ্দিনের অর্থের মোহে ইউএনও ম্যানেজ হয়ে এ ধরনের মিথ্যাচার রিপোট দাখিল করেছেন বলে এলাকাবাসির অভিযোগ।

অভিযোগ ৩ নিম্নরুপ

সভাপতি পদপ্রার্থী জসিম উদ্দিন সরকারের নেতৃত্বে তার ভাই, ভাতিজা ও একদল সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ্য মোহাম্মদ রুহুল আমিনের বাড়ি ঘরে পরিকল্পিত ভাবে আক্রমন করে বাড়িঘর ভাংচুর করে ও টিনের গেট ভেঙ্গে ফেলে। অতিতেও তার সাথে হুমকি ধমকি ভয়ভীতি দেখানোর মত আচরন করেছে।

ইউএনওর মিথ্যাচার রিপোর্ট

সহকারী শিক্ষক  ছাড়াও ইতিপুর্বে মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষের সাথে মারমুখি আচরন হুমকি ধমকি, ভয়ভীতি দেখানো নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপারটিকে ইউএনও মিথ্যা বলে রিপোটে আখ্যায়িত করেছেন বলে জানা গেছে। অধ্যক্ষ অপরাধ বিচিত্রাকে বলেছেন যেহেতু তিনি শিক্ষকতা করেন তাই মান সন্মানের ভয়ে, বিষয়টি নিয়ে এলাকার লোকজনের সাথে মনোমালিন্য পছন্দ না  করায় তিনি ভয়ে এগুলো কারোর সাথে প্রকাশ করতেন না। আরো জানিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের প্রতি দীর্ঘদিনের ক্ষোভের  বর্হিপ্রকাশ ঘটিয়েছে বাড়িঘরে হামলা ভাংচুর এর মাধ্যমে। কারন কি ? কিসের ক্ষোভ। কেন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের সাথে এমন আচরন।  কেন জসিম মাদ্রাসার সভাপতি হতে চায়। কি তার রহস্য।

এর উত্তরও খুব সহজ। মাদ্রাসার জায়গাটা দখলে থাকলেও এক ধরনের শত্রƒতা বিরাজ  করছে মাদ্রাসার সাথে। যদি মাদ্রাসার সভাপতির পদটা কোনভাবে আয়ত্ব করা যায় তাহলে পাকাপোক্তভাবে জায়গাটা  পরিপুর্নভাবে জসিম নিজের আয়ত্বে নিয়ে নিতে পারবে। এমনকি মাদ্রাসায় যারা তার প্রতিপক্ষ থাকবে তাদেরকেও নানা কৌশলে মাদ্রাসা থেকে বিতিাড়িত করা যাবে, তাছাড়া নিজের লোকজনকে দিয়ে নিজের ইচ্ছা মত মাদ্রাসা পরিচালনা করা যাবে, এলাকায় প্রভাব বিস্তার করা সহজ হয়ে যাবে, এমনকি আন্ডার গ্রাউন্ড ওয়াল্ডের ব্যবসা বানিজ্য তার জন্য আরো সহজ হয়ে যাবে, কারন এলাকার চেয়ারম্যান এবং ইউএনও যেখানে তার পক্ষে কাজ করছে সেখানে আর বাধা হয়ে কেউ দাড়াতে পারবে না। এমন ফন্দি ফিকির থেকেই জসিম মাদ্রাসার সভাপতির যায়গায় নিজেকে দেখতে চায়।

মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা পীর মাওলানা আ: জব্বার (রহ:) এর বাড়িঘর অর্থ্যাৎ বর্তমান অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) এর বাড়িঘরে পরিকল্পিত ভাবে আক্রমন করে বাড়ি ঘর ভাংচুর  করে ও টিনের গেট ভেঙ্গে ফেলে এক ভয়াবহ ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। এর একটি ফুটেজ ও স্থির চিত্র অপরাধ বিচিত্রার দপ্তরে ভবিষ্যতের জন্য সংরক্ষিত রয়েছে। যে কারনে গভর্নিং বডির নির্বাচন সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি।

ইউএনও কি রহস্যজনক কারনে ভিডিওকে এড়িয়ে গেছেন, কোন রহস্যজনক কারনে ছবিতে যে হামলার চিত্র রয়েছে তা আমলে না নিয়ে অপরাধীদের বিচারের আওতায় না এনে তাদের পক্ষে সাফাই গেয়েছেন তা অনেকের বোধগম্য না হলেও এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তিগন তা ঠিকই বুঝতে পেরেছেন। যেখানে প্রযুক্তি দিয়ে ভিডিওি দেখে ছবি দেখে আজকাল সবচেয়ে বেশী

অপরাধীদের বিচারের আওতায় এনে অপরাধী চিহিৃত করা হয় সেখানে অপরাধ ঘটনার ভিডিওি কেন ইউএনও ধামাচাপা দিতে গেলেন তা কি আর কারোর বুঝার বাকি থাকে। সত্যবাদি ইউএনওর ভাবসাব এমন যেন তিনি ভাজা মাছটাও উল্টিয়ে খেতে পারেন না। তিনি এমন গোজামিল দিয়ে প্রতিবেদন দাখিল করেছেন যার প্রতিটি লাইন দাড়ি কমা সাক্ষি দেয় এলাকায় কি ঘটেছে। সৎ করিতকর্মা ইউনওর বিরুদ্ধে আরো অনেক অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসি। ইউএনও উক্ত এলাকায় যোগদানের পর এলাকায় মাদক চোরাচালান, ফসলি জমির উর্বরা ভূমি কেেট  ইটভাটায় সরবরাহ করা, ব্যাটারী চালিত রিকশা থেকে চাদা আদায়ের মত ঘটনাও ঘটে চলছে বলে এলাকাবাসি জানিয়েছে।

ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের অভিযোগ

একদল সন্ত্রাস বাহিনী এসে অস্ত্রসস্ত্রে সজ্জিত হয়ে

আমার বাড়ির উপরে

 হামলা করে

….আলহাজ্ব হযরত মাওলানা রুহুল আমিন, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ

তিনি বলেন গত ২০২১  সনের শেষের দিকে গভর্নিং বডির মনোনয়নের কাজ সুন্দরভাবে চলছিল ঠিক তখনই একদল সন্ত্রাস বাহিনী মাদ্রাসার দক্ষিণ গেট দিয়ে প্রবেশ করে ও মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক শফিকুল ইসলাম বাবুলের উপর অতর্কিত হামলা চালায় ফলে বাবুল গুরুতর আহত হয়। এ নিয়ে একটি মানববন্ধন হয়েছে। তিনি আরো বলেন আমার বাড়ির উপরে সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে সত্য কিন্ত এ হামলা কে বা কাহারা করছে তা আমি সরাসরি দেখিনি কারন ঘটনার দিন আমি মাদ্রাসার ভিতরে ছিলাম। একদল সন্ত্রাস বাহিনী এসে আমার বাড়ির উপরে হামলা করে বাড়ির সামনে টিন দিয়ে যে গেট করা হয়েছে তা ভেঙ্গে ফেলে এবং ঘরের চাল ভেঙ্গে ফেলেছে কিন্তু আমি সরাসরি না দেখায় কে বা কাহারা করছে তা স্পষ্ট করে বলতে পারছিনা।

আর আমার বাড়ির উপরে সন্ত্রাসী হামলার সোশ্যাল মিডিয়া একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল ওই ভিডিও দেখলে আপনারা হয়তো বলতে পারবেন ঘটনাটা কি ঘটেছিল বা কারা হামলা চােিয়ছিল।

ইউএনও মিথ্যাচার

অধ্যক্ষের বাড়িঘর ভাংচুর হয়নি বলে রিপোর্ট প্রদান

ইউএনও সোহেল রানার মিথ্যাচারের দলিল।  ছবি কথা বলে। যে ঘটনাকে মিথ্যা বলে নানা দালিলিক প্রমান তৈরী করেছেন সব এক হাতের লেখায় লিখে শুধু স্বাক্ষর নিয়েছেন। ভারপ্রাপ্ত অধ্যাক্ষের লেখাকে ভুল ব্যাখ্যা দিয়েছেন ইউএনও সোহেল রানা। এ ছবিটাই যথেষ্ট প্রমান করার জন্য। যা সরেজমিনে অনুসন্ধান কালে জসিম বাহিনী এ ঘটনাকে অশ্বিকার করে। এমনকি ইউএনও সোহেল রানাও তার প্রতিবেদনে মিথ্যা বলে ছাপাই গেয়েছেন। উপরে বাম পার্শ্বে গোল চিহ্তি পাঞ্জাবী পরা হাতে দেশীয় তৈরী এবং তার পেছনে তার অনুগত বাহিনীর হাতেও অস্ত্র, পরে ডান পাশ্বে বয়স্ক লোকটির নাম খোরশেদ,পাঠক দেখুন ছবিই কথা বলে। নিছে বাম পাশ্বে নাফিজ এর হাতে অস্ত্র, নিছে ডান পাশ্বে কুদ্দুস ও বাচ্ছু তাদের হাতেও অস্ত্র। ইউএনও সোহেল রানা আর কুচক্রি মহল যে ঘটনাকে অশ্বিকার করে চলছে। অনুসন্ধান কালে বলেছে এ ধরনের কোন ঘটনাই ঘটে নাই। আবার কেউ কেউ বলেছেন এটি ভারপােপ্ত অধ্যক্ষের সাথে আভ্যন্তরীন ঘটনা। পাঠক আপনাদের জন্য বাকি ব্যখ্যা টুকু বুঝার জন্য রেখে দিলাম।

ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রতিষ্ঠান চালাচ্ছেন ফলে তিনি আতঙ্কে আছেন যে কখন কোন উছিলা ধরে আবার তার বাড়ি ঘরে আক্রমন চালায। তাদের রোসানলে পড়ে যদি তার চাকুরিটা হারায়। এমন আতঙ্কের মাঝেই পরোক্ষভাবে তিনি বিচার দাবি করেছেণ। এলাকার প্রভাবশালীদের ভয়ের দুর্বলতাকে পুজি করে ইউএনও শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা করে যাচ্ছেন যদি তা বেশিক্ষন টিকিয়ে রাখতে পারবেন না।

শফিকুল ইসলাম বাবুল মাষ্টারের পক্ষ পরিবর্তনের মধ্যদিয়ে এলাকায় কুলাঙ্গার হিসাবে পরিচিত হয়েছেন

……শেখ আবদুল হান্নান

শেখ আবদুল হান্নান বলেন আমরা দেখেছি যে কোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রয়োজন হলে মরহুম মাওলানা আবদুল হান্নান পীর সাহেব সভার আয়োজন করতেন সকলের সিদ্ধান্ত ক্রমে মাদ্রাসাটি পরিচালনা করতেন। শিক্ষার মানও ভাল ছিল কিন্তু পীর সাহেবের মৃত্যুর পর থেকে আজ পর্যন্ত এই মাদ্রাসাটির শিক্ষা ব্যবস্থাপনা বেহাল দশা। বর্তমানে মাদ্রাসাটি ছয়জন শিক্ষক প্রয়োজন। শিক্ষক ছাড়া প্রতিষ্ঠান চলেনা প্রতিহিংসা ভুলে গিয়ে ঐক্যবদ্ধ হয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য কাজ করা প্রয়োজন বলে আমি মনে করি।

কিন্তু একটি কুচক্র মহল জমি সংক্রান্ত বিষয়ের জের ধরে জেলা প্রশাসক বরাবরে একটি অভিযোগ করেন যাতে করে জসিম উদ্দিন সভাপতি হতে না পারে। তাই আমরা এই অভিযোগের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। পূর্বে আমরা দেখেছি শিদলাই গ্রামের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন নিয়ে ভোটারের মাঠে উড়েছে কালো টাকা। কিন্তু দু:খের বিষয়ে এই যে ২০২১ সনের শেষ দিকেই যখন সরকারি বিধি মোতাবেক মাদ্রাসার গভর্নিং বডি নির্বাচনের মনোনয়নের কাজ চলছিল ঠিক তখনই একটি হট্টগোল সৃষ্টি হয় শফিকুল ইসলাম বাবুল মাষ্টারের পক্ষ পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে এতে করে নির্বাচন স্থগিত করা হয়। শফিকুল ইসলাম মাষ্টার এলাকায় পক্ষ পরিবর্তনের মাধ্যমে কুলাঙ্গার হিসাবে পরিচিতি পয়েছেন। তার মুখে এক কথা অন্তরে আরেক কথা। সে মারামারির ঘটনাকে মিথ্যা বলে অন্যায় করেছে। যা সত্য তাই বলা উচিত। কারোর ভুল হলে আবার এলাকার শান্ত শৃঙ্খলার স্বার্থে মাফ করে দিয়ে মিলে মশে থাকা যায়। আমরা এলাকার শান্তি চাই। এসব ঘটনা নিয়ে এলাকায় দলাদলি কোন্দল সৃষ্টিকারীরা সবার কাছেই ঘৃনিত হয়ে থাকে। সহকারী শিক্ষক শফিকুল ইসলাম পক্ষ পরিবর্তন করে মিথ্যা বলায় এলাকায় এখন ঘৃনিত ব্যাক্তি হিসাবে পরিচিতি পেয়েছে বরং বলতে পারেেতা আমি মার খেয়েছে আমি তাদেরকে মাফ করে দিয়েছি। তাদের বিরুদ্ধে আমি কারোর কাছে বিচার চাই না।

অপরাধ বিচিত্রাকে হুমকি থানায় ইউনওর বিরুদ্ধে জিডি

ইউএনও অপরাধ বিচিত্রাকে একাধিক মোবাইল থেকে কল করে হুমকি দিয়েছেন।  তিনি মোবাইলে বলেছেন যে, কেন অপরাধ বিচিত্রায় এ ধরনের রিপোট ছাপানো হয়েছে। তিনি দেশের বিভিন্ন জেলায় জেলায় চাকুরি করেছেন তার অনেক নাম যশ খ্যাতি রয়েছে। জন প্রশাসন সচিব থেকে শুরু করে বহু মন্ত্রী এমপি সচিব তার হাতের মুঠোয়। তিনি চাইলে মুহুর্তেই অপরাধ বিচিত্রাকে বন্ধ করে দিতে পারেন।

 যেহেতু কুমিল্লার সিদলাই মাদ্রাসা নিয়ে তিনি রিপোর্ট দিয়েছেন একরকম আর অপরাধ বিচিত্রা রিপোর্ট দিয়েছেন আরেক রকম এতে করে তার শুনাম ক্ষুন্ন হয়েছে, ফলে তিনি এখন বিভন্নি জেলায় জজকোটে অপরাধ বিচিত্রার বিরুদ্ধে পত্রিকা বন্ধ করার মামলা করবেন। এবং তথ্য অধিদপ্তর প্রেস ্নষ্টিটিউটেও অপরাধ বিচিত্রা বন্ধ করার জন্য মামলা করবেন। তিনি অপরাধ বিচিত্রাকে দেখিয়ে দিবেন।

প্রশ্ন হলো অপরাধ বিচিত্রা যে রিপোটর্ শিদলাই মাদ্রাসা নিয়ে ছেপেছে তা নিয়ে ইউএনওর এত মাথাব্য্যথা কেন। অপরাধ বিচিত্রা যে রিপোর্ট ছেপেছে তা এলাকা বাসির বক্তব্য, মাদাসা নিয়ে যে ঘটনা হয়েছে তার চিত্র মাত্র। সেখানে এলাকাবাসির বক্তব্যের মত ইউএনওর বক্তব্য সহ এলাকার চেয়ারম্যান সহ অন্যান্যদের বক্তব্য মাত্র। শিদলাই মিাদ্রাসার ঘটন্ ানিয়ে যে চিত্র পাওয়া গেছে তা নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনটি সংশ্লিষ্ট সকলের কাছে পাঠনো হয়েছে যা অপরাধ বিচিত্রার একটি রুটিন ওয়ার্ক বটে। যেহেতু এলাকাবাসি ইউএনওর বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন সেহেতু জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয় বিষয়টি দেখার দায়িত্ব বর্তায়, সেহেতু জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী সচিব এর নজরে আসা আবশ্যক বিধায় অপরাধ বিচিত্রা পেশাগত দায়িত্ব পালন করেছে বটে। এতেই ইউএনও সোহেল রানার ঘাত্রদাহ হয়েছে। আর এতেই সোহেল রানার প্রভাব যে কত বড় কোন কোন মন্ত্রী তার হাতের মুঠোয়, কোন সচিব তার নাকি খয়ের খা তার ফিরিস্তি দিয়েছেন ক্ষমতা দেখানোর জন্য। আরো বলেছেন চাইলে মুহুর্তেই তিনি অপরাধ বিচিত্রাকে বন্ধ করে দিতে পারেণ। আর এই আচরনের মাধ্যমে জানা গেলে যে মাদক সেবনকারীরা যেমন মাদক গ্রহন করার ফলে খিটখিটে মেজাজের আচরন করে থাকে, ঘরের জিনিস পত্র ভেঙ্গে ফেলে, মুখে অশ্লিল ভাষা প্রয়োগ করে থাকে, রুগ্ন মেজাজী হয়ে যার তার সাথে যা ইচ্ছা তাই আচরন করে থাকে সোহেল রানা ইউএন হলেও তার কথা বার্তায় ইউএনওর ভদ্রোচিত কোন আচরন পাওয়া যায়নি। মনে হয়েছে কোন নেশাগ্রস্থ রুগ্ন ও উগ্র আচরনের কোন বখাটে ব্যাক্তি মোবাইলে কাউকে গালিগালাজ করছে। মোবাইলে পরিচয় না দেয়া কল করেই সন্ত্রাসী বা বখাটে রাস্তার লোকের মত আচরন করা একজন ইউএনওর পেশাদারিত্বের সাথে বড়ই বেমানান। তার আচরনে অপরাধ বিচিত্রা থেকে থানায় একটি জিডি করা হয়েছেল। জিডির তিন দিন পর তদন্তকারী কর্মকর্তা মোবাইলে জানালেন মোবাইল কারী হুমকিদাতা একজন সরকারী কর্মকর্তা এবং ইউএনও সোহেল রানা।

পাঠক আপনারাই বলুন একজন ইউএনও কি এ ধরনের আচরন করতে পারে। যে কোন কারনেই হোক এ ধরনের একজন ব্যাক্তি অন্তত এ ধরনের পোষ্টে থাকা বড়ই বেমানান। এতে করে সরকারের ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন হতে পারে। তাই  ইউএনও সোহেল রানাকে অন্তত কিছুদিন আচার ব্যবহার শিখানোর জন্য ট্রেনিং সেন্টারে বা মানষিক হাসপাতালে পাঠানো উচিত। তা না হলে সাধারন মানুষের সাথেও এ ধরনের আচরন করে সেবার পরিবর্তে রুড় আচরন করে বিপরিত কান্ডই ঘটাতে পারেন।

ইউনওে সোহেল রানার বিরুদ্ধে আরো গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে। সেসব বিষয়ে অপরাধ বিচিত্রা থেকে অনুসন্ধান করা হচ্ছে অনুসন্ধান শেষে থাকবে বিস্তারিত প্রতিবেদন। বিভিন্ন জেলায় জেলায় তিনি মামলা করবেন বলে অপরাধ বিচিত্রাকে হুমকিও দিয়েছেন।।

সিদলাইয়ে কে

এই জসিম?

সিদলাইয়ে জসিম এখন এক আতঙ্কের নাম। এলাকার অনেকেই বলেছেন যে জসিম এক সময় এলাকায় অপরাধী হিসাবে চিহ্নিত ছিল। এলাকায় থাকতে না পেরে বিদেশ গিয়ে আত্বগোপন করে নানা রকম অনৈতিক পথে অর্থ উপার্জন করে আগের চেয়ে আরো শক্তিশালী হয়ে আবারো এলাকাকে অশান্ত করে তুলেছে। শিদলাই এলাকার মানুষ শান্তিপ্রিয়। কিন্তু জসিম তার প্রভাব প্রতিপত্তি সৃষ্টি করার অভিপ্রায়ে এলাকায় গ্রপিং লবিং করে উত্তেজনা সৃষ্টি করে অশান্ত করে তুলছে। এলাকাবাসির দাবী জসিমের টাকার উৎস্য অনুসন্ধান করতঃ তার অনৈতিক চর্চা বন্ধ করতে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করা উচিৎ।এলাকার শান্তি শৃঙ্খলার স্বার্থে জসিমের অপতৎপরতা বন্ধে প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন করা আবশ্যক।

উপসংহার

অপরাধ বিচিত্রা দেশ ও জনগনের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করে। কোন হীন স্বার্থসিদ্ধির বশীভুত হয়ে কারোর পক্ষ অবলম্বন করা অপরাধ বিচিত্রার কাজ নয়। দুর্নীতিমুক্ত দেশ আমাদের স্বপ্ন এই শ্লোগানকে সামনে রেখে তিন যুগেরও বেশী সময় ধরে সুনামের সাথে কাজ করে চলছে অপরাধ বিচিত্রা । দেশের নানা ক্রান্তিলগ্নে অপরাধ বিচিত্রা সভা সেমিনার মানববন্ধন র‌্যালি করে রাষ্ট্রের কল্যানে কাজ করা একটি নিয়মিত ব্যাপার। কোন অপরাধীদের সাথে আপোষ নয় বরং দুষ্টের দমন শিষ্টের লালন অপরাধ বিচিত্রার লক্ষ্য। সিদলাই মাদ্রাসার ক্ষেত্রেও অপরাধ বিচিত্রা শুধু এলাকার শান্তিপ্রিয় মানুষের বক্তব্যের আলোক তথ্য চিত্র তুলে ধরেছে মাত্র । যেখানে ইউএনও সোহেল রানার বক্তব্যও তুলে ধরা হয়েছে। কিন্তু ইউএনও সোহেল রানারর যথাযথ তদন্ত না করা পক্ষপাত মুলক আচরনের বিষয়ে আপত্তি তুলেছেন খোদ এলাকাবাসি। সে বিষয়ে অপরাধ বিচিত্রা তা সরকারের  সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তপক্ষ বরাবর অপরাধ বিচিত্রার প্রকাশিত কপি প্রেরন করেছে দৃষ্টি আকর্ষন করা যাতে করে উর্ধ্বতন মহল নিরপেক্ষ তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করতে পারে। এখানে ইউনএওর সাথে অপরাধ বিচিত্রার বৈরী আচরনের কোন সুযোগ নেই। বরং এলাকার শান্তি শৃঙ্খলার স্বার্থে অপরাধ বিচিত্রা সতর্ক থেকে কাজ করেছে মাত্র। ইউএনও টেলিফোনে অপরাধ বিচিত্রার মোবাইলে কল করে পরিচয় না দেয়া অশ্লিল আচরনে কথা বলা, ক্ষমতা দেখিয়ে কথা বলা, সকল মন্ত্রী, সচিব তার হাতের মুঠোয় বলে নিজেকে জাহির করা, পত্রিকাব বন্ধ করে দেয়ার ক্ষমতা দেখানো বরং ইউএনও হিসাবে তার যোগ্যতার দেউৃলিয়াপনার বর্হিপ্রকাশ বটে। যাতে করে তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের  সত্যতাই প্রমান করে। তিনি যদি সত্যি রিপোর্ট প্রদান করে থাকেন তাহলে তার উত্তেজিত হওয়ার কথা নয়। বরং তদন্তে কর্তৃপক্ষ যদি ইউনওর প্রতিবেদনের সত্যতা খুজে পায় তাহলে তিনি প্রশংসার পাত্র হবেন। আমরাও চাই ইউএনও তার নিরপেক্ষতা বজায় রেখে এলাকার উন্নয়নে কাজ করে পেশাগত জীবনে সফলতা অর্জন করুক। ইউএনওর সাথে অপরাধ বিচিত্রার কোন শত্রুতা নেই, সেটি বুঝার তৌফিক দিক ইউএনওকে।

সর্বশেষ অপরাধ বিচিত্রা এলাকার চিত্র তুলে ধরেছে মাত্র নিশ্চয়ই উর্ধ্বতন কর্তপক্ষ পুনঃ তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করবেন বলে অপরাধ বিচিত্রা আশা করে।

Print Friendly, PDF & Email

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here

seven − one =