ঢাকার উত্তর যাত্রাবাড়িতে রমজানে সেহরির সময় উচ্চ শব্দে মাইক দিয়ে মোল্লাদের হাকডাক ও গান

বাগবাড়ী বায়তুর রহমান জামে মসজিদ ৫/সি-১ উত্তর যাত্রাবাড়ি, ঢাকা থেকে সেহরির সময় শুরুর সাথে সাথে মাইক দিয়ে প্রচন্ড শব্দে ডাক চিৎকার শুরু করে দেয়।
সেহরির সময় শুরু হওয়ার পর থেকে শেষ হওয়া পর্যন্ত মসজিদের মোল্লারা দীর্ঘ এক ঘন্টা মাইক দিয়ে প্রচন্ড শব্দে ডাকাডাকি ও গান করতে থাকে। ওরা পালাক্রমে মাইক দিয়ে চিৎকার করতে থাকে। কেউ একটু পর পর সেহরির সময় ঘোষনা করতে থাকে, কেউ উচ্চ শব্দে পুরো একটি গান করতে থাকে। মাইকের প্রচন্ড শব্দে এলাকাবাসিদের প্রচুর ক্ষতি হচ্ছে। বিশেষ করে অসুস্থ্য ও শিশুরা আতংকগ্রস্ত হচ্ছে।
মাইক ও লাউড স্পিকার ব্যবহারের আইন রয়েছে। উচ্চ শব্দে মাইক ব্যবহার করে শব্দ দুষন ও কারো ক্ষতি করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। অথচ বেআইনি এই কাজের কোন নিয়ন্ত্রন নাই। মাইক দিয়ে মোল্লারা হাকডাক ও প্রচন্ড শব্দ করে সবাইকে ঘুম থেকে জোরপূর্বক উঠত বাধ্য করে। মাইকের প্রচন্ড শব্দে কানের পর্দা ফেটে যাওয়ার মত অবস্থা। মোল্লারা একটু পর পর সেহরির সময় কখন শুরু ও কখন শেষ তা ঘোষনা দিতে থাকে। ওদের কান্ডকারখানা দেখলে মনে হয় রোজাদাররা কেউ সেহরির সময় সম্পর্কে অবগত নয়।
সেহরির সময় কখন শুরু ও কখন শেষ তা শুধু মোল্লারাই জানে। বর্তমান তথ্যপ্রজুক্তির যুগে সহেরির সময় সম্পর্কে সকল রোজাদারই ভালভাবে অবগত আছেন। পত্র পত্রিকায় ও বিভিন্ন প্রচার মাধ্যমে সেহরির সময় সম্পর্কে স্পষ্ট উল্লেখ করা হচ্ছে রমজানের প্রতিদিন। মসজিদের মাইক দিয়ে বিকট শব্দে মোাল্লাদের হাকডাক, চিৎকার ও গানের কোন প্রয়োজন নাই। এলাকার রোজাদার থেকে শুরু করে অসুস্থ লোকারা ও শিশুরা সকলেই ক্ষতি ও বিরক্তির শিকার হচ্ছে।
মসজিদ কমিটির কিছু লোকদের উষ্কানিতে মোল্লারা প্রতি রাতে ধর্মের নামে এভাবে বিকট শব্দে মাইক দিয়ে হাকডাক ও চিৎকার করে সুস্থ মানুষদেরকে অসুন্থ্য করে ফেলছে। যেই কাজ মানুষের জন্য ক্ষতি ও বিরক্তির কারণ সেই কাজ ইসলামের অন্তুর্ভূক্ত নয়। এলাকার শান্তিপ্রিয় লোকরা এই ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছে।