Uncategorizedঅপরাধঅব্যাবস্থাপনাআইন ও বিচারপ্রশাসনবাংলাদেশসম্পাদকীয়

ছাত্র আন্দোলনে গুলিবর্ষণ, অর্থ আত্মসাৎ ও হয়রানির অভিযোগ রাজশাহীর তিন পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে

স্টাফ রিপোর্টার: সহকারী পুলিশ কমিশনার মো: সোহেল রানা নেতৃত্বে, ওসির সহযোগিতায় এস আই সোহেল রানা সহযোগীর কথা মতো জেল হাজতে ভয়ভীতি দেখিয়ে আইন কানুন বিধি বিধানকে বৃদ্ধাঙুলি দেখিয়ে রাজশাহীর জেল হাজতে প্রাননাশের ভয়ভীতি দেখিয়ে জমি রেজিষ্ট্রি করা, জমির টাকা আত্মসাত করা, টাকা নেওয়া/নিজেদের হেফাজতে টাকা রাখা জেল হাজতের নিয়মে অপরাধ তাহলে জেল হাজতে জমি রেজিস্ট্রি করা টাকা কার কাছে দিয়েছেন সে টাকা জমি বিক্রেতাকে না দিয়ে , ডি সি/জেলসুপার/জেলার না কি সাব রেজিস্ট্রার আত্মসাৎ করেছেন এ প্রশ্ন সবার। ঐ জমি রেজিস্ট্রি করা হয়েছে জোর করে টাকা ছাড়া গত ৪/৭/২৩ তারিখে দলিল নাম্বার ৭৮৪৩ ভূমিদস্যু সন্ত্রাসী চাঁদাবাজ জঙ্গী আলহাজ্ব মো: মহিদুল ও আব্দুল খালেকের নামে এবং এখনো ঐ মিথ্যা মামলা সাক্ষীদের কোটে হাজির করা হয় না ঐ সহকারী পুলিশ কমিশনার কথা মতো।

ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা ও আওয়ামীলীগের দোসর, রাজশাহীর তৎকালীন সহকারী পুলিশ কমিশনার সোহেল রানা ও বোয়ালিয়া মডেল থানার ওসি সোহরাওয়াদী হোসেন (বিপি নং ৭৬০২০৩৭৮৫৯) এবং এসআই সোহেল রানা (বিপি নং ৮৯১৯২২২৯১৬) বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলায় হয়রানি করা সহ ৩০ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে। শেখ হাসিনার আশীর্বাদে এই সমস্ত পুলিশ কর্মকর্তারা নিজেরা গণপ্রজাতন্ত্রী সরকারের একজন কর্মচারী তা ভুলে গিয়েছেন। অসহায়, নিরীহ, হতদরিদ্র খেটে খাওয়া মাজলুম মানুষদেরকে বিভিন্ন প্রকারের মামলা দিয়ে, ভয়-ভীতি প্রদর্শন, এমনকি প্রাননাশের হুমকি দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছেন মর্মে ভুক্তভোগীরা জানান। আরো যদি হয় তৎকালীন বিরোধী দল বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের নেতা কর্মী, তাহলে তো রাজাকার, সন্ত্রাস বা দলীয় টেক লাগিয়ে মামলা দেওয়ার রাস্তা খুলে যেত। কারণ মামলা দিলেই তো লক্ষ লক্ষ টাকা কামানো যায়, এটাই ছিল তৎকালীন স্বৈরাচার ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকার কেরামতি, সেই সুযোগে কিছু কিছু অসৎ লাগামহীন পুলিশ অফিসারদের কারণেই আজ গোটা পুলিশ ডিপার্টমেন্ট কলঙ্কিত। তাদেরই অত্যাচার নির্যাতনের শিকার ভুক্তভোগীদের মধ্যে অন্যতম ভুক্তভোগী তোফায়েল আহম্মেদ আজাদ, উপরোক্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে বলেন মোছ: ফারজানা হকের ৩০/১/২৩ ইং তারিখের আবেদন ও ১/২/২৩ মামলা নং-১৬৬ পি/২৩ আদালতের আদেশ সহকারি পুলিশ কমিশনার আমলে নেইনি, গত ০১/০২/২০২৩ তারিখে রাত্রি ৯:৩০ মিনিটে রাজশাহী সহকারী পুলিশ কমিশনার মো: সোহেল রানা ফোন করে আমাকে তার কার্যালয়ে ডাকেন। এবং সারারাত অসামাজিক অসভ্য ভাষায় গালাগালি ও অমানুষিক ম্যন্টালিটি টর্চার করেন, আমাকে জানে মেরে ফেলার ও বিভিন্ন থানায় মাদক ও বিস্ফোরক ভুয়া মামলায় গ্রেফতার দেখানো হুমকি প্রদান করে, রাজশাহীর ততকালীন সহ-কারী পুলিশ কমিশনার সোহেল রানা। আজাদ বলেন, দলিল লেখক ভূমিদস্যু সন্ত্রাসী চাঁদাবাজ জঙ্গী মো: মহিদুল হক ও আব্দুল খালেক যোগ সাজসে এই সহ-কারী পুলিশ কমিশনার সোহেল রানা আমাকে আটক রেখে-জিম্মি করে (নগদ ২০ লক্ষ) টাকা নিয়ে, রাত ২:০৫ মিনিটে আমার বিরুদ্ধে।

(১) প্রথম মিথ্যা মামলা দেয়: (বাদী মো: আবদুল খালেক)। পরে রাত ৪:৪৫ মিনিটে থানার বাহিরে গ্রেফতার দেখায়। যাহা-রাজপাড়া থানা, মামলা নং (০২) ০২/০২/ ২০২৩ ইং, এমজি আর ৪০/২৩, পরবর্তীতে আমাকে জেল হাজতে পাঠায়। (অথচ আসামী আজাদ জেলে, আসামী জেলে থাকা অবস্থায় চুরি এবং মারামারি কিভাবে করলো? প্রশ্ন ওইসব দুর্নীতিবাজ পুলিশ কর্মকর্তাদের কাছে)।শুধু এখানেই সীমাবদ্ধ নয়, সেই জেল হাজতে থাকা অবস্থায়ই, ভূমিদস্যু সন্ত্রাসী চাঁদাবাজ মো: মহিদুল হক ও আব্দুল খালেক যোগ সাজসে, সহ-কারী পুলিশ কমিশনার সোহেল রানা ও পরে চুরি-মারামারী অভিযোগ তুলে।

(২) দ্বিতীয় মিথ্যা মামলা দেয়: (বাদী মো: সাজ্জাদ বাদশা), কাশিয়াডাঙ্গা থানায়। মামলা নং (০৩) ৪/০২/২০২৩ ইং, এমজি আর ২৩/২৩। মজার ব্যাপার হল জেল হাজতে থাকা অবস্থায়ই পুনরায় আবার গ্রেফতার দেখায় (গত ২৮/০২/২০২৩ ইং তারিখে। জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পরে, অনুমান ১ থেকে দেড় মাস যেতে না যেতেই।

(৩) তৃতীয় বারে মিথ্যা মমলা: আবারও ভূমিদস্যু সন্ত্রাসী চাঁদাবাজ মো: মহিদুল হক-আব্দুল খালেক যোগ সাজেসে হয়রানি করার জন্য (বাদী এসআই (নি:) মো: আবু হায়দার (বিপি নং ৮২০১০৮৪৩২০)। মালোপাড়া পুলিশ ফাঁড়ি, বোয়ালিয়া থানার ওসি সোহরাওয়াদী হোসেন এবং এসআই সোহেল রানারা অত্যাচার, নির্যাতন ও প্রাণনাশের ভয় দেখিয়ে পুনরায় ১০ লক্ষ টাকা নেন বিস্ফোরক মিথ্যা মামলা দেয়, বোয়ালিয়া থানার মামলা। নং (৪৬) ২৪/০৫/২০২৩ ইংখের। উক্ত মামলায় ২৮/০৫/ ২০২৩ গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠায়। এমনকি বিভিন্ন থানায় একই মাদক বিস্ফোরক মামলা দেওয়ার এবং রিমান্ড দিয়ে জানে মারার হুমকি দেয়। পরবর্তীতে জেল হাজতে থাকা অবস্থায় আবারও রাজশাহী বোয়ালিয়া মডেল থানার ওসি মো: সোহরাওয়ার্দী হোসেন ও এসআই সোহেল রানা এবং সন্ত্রাসী চাঁদাবাজ মো: মহিদুল হক-আব্দুল খালেক যোগ সাজসে হয়রানি করার জন্য।

(৪) চতুর্থ বারে মিথ্যা মমলা: নাশকতা-রাষ্ট্র বিরোধী মিথ্যা মমলা দেয় (বাদী এসআই নি: মো: আবদুল জলিল-বিপি নং ৭৪৯৫০ ৫৫৪৬৩)। মামলা নং (১৫) ২২/০৫/২৩ ইং, এই মামলার এজাহারে মো: তোফায়েল আহমেদের নাম না থাকা সত্ত্বেও গত ৩১/০৫/২০২৩ ইং তারিখে এই মিথ্যা মামলায় জেল হাজতে থাকা অবস্থায় পুনরায় আবার গ্রেফতার দেখায় পুলিশ। ৪ নাম্বার মামলায় জেলে থাকা অবস্থায় ৩ নাম্বার বিস্ফোরক মামলায় আবারও ১৫/০৬/২০২৩ তারিখে বোয়ালিয়া থানার ওসি এবং এসআই সোহেল রানা রিমান্ডে নিয়ে নির্দয় ভাবে অত্যাচার ও নির্যাতন সহ অসামাজিক গালাগালি ও মারধর করেন।

মোছা: ফারজানা হক, রেজাউল করীম, তোফায়েল আহমেদ ও শাহীনের বিরুদ্ধে এজাহারে, বাদীর বক্তব্য তুলে ধরা হলো
(প্রথম) মিথ্যা মামলার: মো: আব্দুল খালেক (৪৪) বাদী হয়ে, রাজশাহীর রাজপাড়া থানায়, গত ০২/০২/২৩ ইং সালে মিথ্যা মামলা করেন- আসামী ১। মোছা: ফারজানা হক (৪৬), মো: রেজাউল করীম (৫৩), মো: তোফায়েল আহমেদ আজাদ (৫৪), মো: শাহীনদের (৪০) বিরুদ্ধে। মিথ্যা মামলার এজাহারে বাদী বলেন, তাঁরা একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্র। ঘটনার প্রকাশ বিবাদী ফারজানা, তাহার নামীয় তফসিল বর্নিত সম্পত্তি বিক্রয়ের মৌখিক সহরত দিলে আমি এবং আমার ব্যবসায়ীক পার্টনার যৌথভাবে উক্ত জমি ক্রয় করিতে ইচ্ছা প্রকাশ করি। (তফসিল: জেলা-রাজশাহী, থানা-পবা, মৌজা-আলীগঞ্জ, জেএল নং- আরএস-৬২ মধ্যে আরএস খতিয়ান নং-২২৪, প্রস্তাবিত খতিয়ান নং-৭১০৪, জমাবন্দী নং-৬৮৮৯, খারিজ কেস নং-৭৩৫/৯-১/২০২২-২০২৩ খ্রি:। আরএস দাগ নং-৭৬০, রকম-ভিটা, পরিমান-০.০৭৮০০ একর এর কাতে ০.১৬২৯ একর)। এবং গত ২৯/১২/২০২২ ইং তারিখে সকাল ১০.৩০ ঘটিকায় রাজপাড়া থানাধীন বুলনপুর এলাকাস্থ কোর্ট রেজিষ্ট্রী অফিসের দলিল লেখক হেলালের সেরেস্তায় বায়না বাবদ আমার এবং ১৫ আমার পার্টনারের নিকট হতে নগদ ৪৫, ০০, ০০০/- (পয়তাল্লিশ লক্ষ) টাকা সকল বিবাদীগন বুঝে নেন। পরে রেজিষ্ট্রী অফিসে নিয়ে, ১৬৬০৮ নম্বর বায়নানামা দলিল মূলে বিবাদী ফারজানা জমি রেজিস্ট্রেশন করে দেয়। সে মোতাবেক আমার সম্পত্তিতে গত ৩০/০১/২০২৩ তারিখে সাইনবোর্ড টাংগাইতে গেলে বিবাদী ফারজানার সহযোগী বিবাদী তোফায়েল মারফত আমাকে ও আমার পার্টনারকে বিভিন্ন প্রকার হুমকি প্রদান, অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও জমিতে কোন ধরনের সাইনবোর্ড টাংগাইতে নিষেধ করেন। এতে আমার মনে সন্দোহর সৃষ্টি হওয়ায় পবা সাব-রেজিষ্ট্রী অফিসে খোঁজ করে নিয়ে জানতে পারি যে, বিবাদী ফারজানা তফসিল ধর্ণিত সম্পত্তি বিভিন্ন লোকের কাছে ইতোপূর্বে বায়না করে প্রায় ১, ০০, ০০, ০০০/- (এক কোটি) টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। উল্লেখ্য যে, গত ২৩/০৬/২০২২ ইং তারিখে পবা সাব-রেজিষ্ট্রী অফিসে রেজিষ্ট্রীকৃত ৭৬৯৮ নম্বর বায়নানামা দলিল মূলে মো: সাজ্জাদ বাদশার নিকট হতে ১০, ০০,০০০/-(দশ লক্ষ) টাকা এবং গত ১৭/০৮/২০২২ ইং তারিখে পবা সাব-রেজিস্ট্রী অফিসে রেজিস্ট্রীকৃত ৯৮০৯ নম্বর বায়নানামা দলিল মূলে মো: শফিকুল ইসলামের নিকট হতে ৩৫, ০০,০০০/-(পয়ত্রিশ লক্ষ) টাকা নেন। পরবর্তীতে আমার ও আমার পার্টনারের নিকট হতে ৪৫, ০০,০০০/- (পয়তাল্লিশ লক্ষ) টাকা নিয়ে একই জমি বায়না প্রদান করে প্রতারণা করেছে। এখন বিবাদীরা বলেন, জমি রেজিস্ট্রী করে দিব না ও কোন টাকাও ফেরত দেব না, পারলে যা পারিস করে নিস, তোদেরকে নিমিষে গায়েব করে ফেলব। অপরদিকে রাজপাড়া থানার এসআই সুভাষ চন্দ্র বর্মণ কোর্টে প্রেরণকৃত এক স্টেটমেন্টে জানান, বাদী (৪০৬/ ৪২০/৫০৬) ধারায় মামলা করার পর ঘটনার বিষয়ে বাদীর পার্টনারকে সঙ্গে নিয়ে বিবাদীর সঙ্গে আপোষের চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় মর্মে এজাহার দায়ের করেন। আমি মামলার তদন্তভার গ্রহন করে, আসামীগণকে রাজপাড়া থানা এলাকা হইতে অদ্য ইং-০২/০২/২০২৩ তারিখ রাত অনুমান ০৪: ৩৫ ঘটিকার সময় সঙ্গীয় ফোর্সসহ গ্রেফতার পূর্বক নিজ হেফাজতে গ্রহন করিয়া মামলার ঘটনার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করিলে আসামীগণ অত্র মামলার ঘটনার সহিত জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে এবং মামলার ঘটনার বিষয়ে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ন তথ্য প্রদান করে।

দ্বিতীয় মিথ্যা মামলা: ১। মোছা: ফারজানা হক (৪৬), ২। তোফায়েল আহমেদ আজাদ, (৫৫), ৩। সবুজ (২৬), ৪। রিয়া (২২), ৫। রেজাউল করীমের (৫৩) বিরুদ্ধে-মো: সাজ্জাদ বাদশা (৩৪) বাদী হয়ে মিথ্যা মামলা করেন। মামলার এজাহারে বাদী বলেন, ঘবদ্ধ ভূমিদস্যু ও প্রতারক চক্র। ১নং বিবাদী ফারজানা হক রাজপাড়া থানাধীন আলীগঞ্জ মৌজায় প্রস্তাবিত খতিয়ান নং-৬৭৬০, হোল্ডিং নং-৬৪০০, আরএস দাগ নং-৭৬০, রকম-ভিটা, জমির পরিমান-০,০৩৩০ একর, রেজিস্ট্রি বায়না দলিল নং-৭৬৯৮/২২, রেজি: তাং-২৩/০৬/২০২২ ইং বর্ণমোতাবেক বিক্রয়ে করতে চাইলে, আমি সরল বিশ্বাসে বায়না স্বরুপ নগদ ১০,০০, ০০০/- (দশ লক্ষ) টাকা দেই। পরে জানতে পারি উপরোক্ত ১নং বিবাদী ঐ জমি আমাকে ছাড়াও আরও ৫ জন থেকে টাকা নিয়ে বায়নামা করেছে। পরবর্তীতে বায়না দলিলটি তাকে ফেরত দেওয়ার জন্য আমাকে বিভিন্ন ভাবে চাপ দিতে থাকেন।
বাদী আব্দুল খালেক-মিথ্যা মামলা খন্ডন করে, বিবাদী ফারজানা হক বক্তব্য। (তৎকালীন রাজশাহী উপজেলা সাব রেজিস্টার পবা উপজেলা পরিষদ কর্মকর্তার বরাবরে একটি লিখিত
অভিযোগও করেন):
মিথ্যা মামলার বাদী আব্দুল খালেকের বিরুদ্ধে ফারজানা হক অভিযোগ করে বলেন, আমি গত ২৬/০১/২০২৩ ইং তারিখ নিজ কাজে আপনার পবা উপজেলা সাব রেজিষ্ট্রী অফিসে অনুমান বিকাল ৪:০০ ঘটিকার সময় যাই। তৎপর অনুমান ৪:৩০ মি: সাব রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের সামনে বিবাদী ১। মো: আব্দুল খালেক, পিতা: মরহুম আব্দুল কাদের, ২। আলহাজ্ব মোঃ মহিদুল হক, পিতা: মরহুম শামসুল হক সহ আরও অজ্ঞাত কয়েকজন আমাকে ঘিরিয়া ধরে। এবং আমার নামীয় নিম্ন তফসীল বর্ণিত সম্পত্তি, উল্লেখিত একটি দলিল আমাকে সহি করিবার জন্য চাপ দিতে থাকে। আমি সহি করিতে অস্বীকার করিলে তারা আমাকে বিভিন্ন ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং এক পর্যায়ে মারধরও করে, এই সময় আমার সাথে আমার স্বামী রেজাউল করীম ছিল। আমি সেই সময় বাধ্য হইয়া বাড়ীতে খরব দিলে আমার মেয়ে সহ জামাই আসিলে তাহাদের সামনে বিবাদীগণ এবং তাহাদের সঙ্গীয় লোকজন আমাকে দলিল সহি করার জন্য চাপ দিতে থাকে। আমি পুনরায় সহি করিতে অস্বীকার করিলে বিবাদীরা আমাকে এবং আমার স্বামী, মেয়ে ও জামাইকে যারধর করে। এবং আমার নিজ মোবাইল বিবাদীগণ সহ তাদের সাথে থাকা লোকজন ছিনাইয়া নেয়। তাহারা আমাকে আমার স্বামী, কন্যা ও জামাইকে রেজিস্ট্রি অফিসের মহরি সমিতির কার্যালয়ে আটকাইয়া রাখে। সেই সময় আপনি অফিসে না থাকায় আপনাকে জানাইতে পারি নাই। আমি সন্দেহ করিতেছি যে, বিবাসী ও তাহার সঙ্গীয় লোকজন দ্বারা আমার নিকট হইতে জোর পূর্বক সহি নেওয়া দলিল লইয়া কোন দলিল সৃষ্টি করিতে না পারে। যাহা আইনগত অপরাধ। বিধায় প্রার্থনা বিবাদীগণ যাহাতে আমার নিকট হইতে ২৬/০১/২০২৩ইং তারিখ আপনার সব রেজিষ্ট্রী অফিস জোর পূর্বক সহি লওয়া দলিল রেজিষ্ট্রী না হয়, সেই বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করিবেন। (তফলীল: জেলা-রাজশাহী, থানা: পবা, মৌজা। আলীগঞ্জ, জে.এল নং-সাবেক-৪৫, আর, এস-৬২, ইউনিয়ন হড়গ্রাম, ভূমি অফিসের নাম-সহকারী কমিশনার (ভূমি) পবা, রাজশাহী, প্রজার খতিয়ান নং- সি.এস-৬৯, এস.এ-৮২, আর.এস-২২৪, প্রস্তাবিত-৭১০৪, জমাবব্দী, ৬৮৮৯, খারিজ কেস নং- ৭৩৫/খঢ-ও/২০২২-২০২৩)।
মিথ্যা মামলার বাদী আবদুল খালেক ও সাজ্জাদ বাদশার বিরুদ্ধে, তোফায়েল
আহমেদের বক্তব্য:
ভুক্তভোগী তোফায়েল আহম্মেদ আজাদ, আবদুল খালেক এর বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে বলেন, আমি ২০০৮ সালে স্বতন্ত্রভাবে এমপি পদপ্রার্থী হই, সেই সুবাদে আমি এলাকার অসহায়, নিরহ, হতদরিদ্রের পাশে থেকে তাদের সেবা করে। একপর্যায়ে এলাকার সকলেই আমাকে ভালবাসেন এবং শ্রদ্ধা করেন, এহেন ভালো কাজ ও আমার জনপ্রিয়তা দেখে সন্ত্রাসী আবদুল খালেক ও সাজ্জাদ বাদশা গংরা হিংসায় জড়াজড়িতে হয় পরেন। এবং আমাকে হেনস্তা ও হয়রানি করার জন্য আমার বিরুদ্ধে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতায় মিথ্যা মামলা দিতে থাকেন। গত ০১/০২/২০২৩ তারিখে রাত্রি ৯:৩০ মিনিটে রাজশাহী সহকারী পুলিশ কমিশনার মো: সোহেল রানা ফোন করে আমাকে তার কার্যালয়ে ডাকেন। এবং সারারাত অসামাজিক অসভ্য ভাষায় গালাগালি ও অমানুষিক ম্যন্টালিটি টর্চার করেন, আমাকে জানে মেরে ফেলার ও বিভিন্ন থানায় মাদক ও বিস্ফোরক ভুয়া মামলায় গ্রেফতার দেখানো হুমকি প্রদান করে, রাজশাহীর ততকালীন সহ-কারী পুলিশ কমিশনার সোহেল রানা। আজাদ বলেন, দলিল লেখক ভূমিদস্যু সন্ত্রাসী চাঁদাবাজ জঙ্গী মো: মহিদুল হক ও আব্দুল খালেক যোগ সাজসে এই সহ-কারী পুলিশ কমিশনার সোহেল রানা আমাকে আটক রেখে-জিম্মি করে (নগত ২০ লক্ষ) টাকা নিয়ে, রাত ২:০৫ মিনিটে আমার বিরুদ্ধে প্রথম মিথ্যা মামলা দেয় (বাদী মো: আবদুল খালেক)। পরে রাত ৪:৪৫ মিনিটে থানার বাহিরে গ্রেফতার দেখায়। যাহা-রাজপাড়া থানা, মামলা নং (০২) ০২/০২/২০২৩ ইং, এমজি আর ৪০/২৩, পরবর্তীতে আমাকে জেল হাজতে পাঠায়।

তৃতীয় মিথ্যা মামলা: তোফায়েল আহমেদ সহ ততকালীন বিএনপির ১১ জন কর্মীদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক বোয়ালিয়া মডে থানার এসআই (নি:) মো: আবু হায়দার বাদী হয়ে মিথ্যা বিস্ফোরক মামলা দায়ের করেন। মামলা নং (৪৬) তাং ২৪/০৫/২০২৩ খ্রি:) ২৮/৫/ ২০২৩ জেল হাজতে গ্রেফতার দেখায়

চতুর্থ মিথ্যা মামলা: তোফায়েল আহমেদের বিরুদ্ধে নাশকতা-রাষ্ট্র বিরোধী চতুর্থ মিথ্যা মামলা করেন এসআই (নি:) মো: আব্দুল জলিল বাদী হয়ে, রাজপাড়া মামলা নং ১৫ ২২/০৫/২০২৩ ইং। মো: তোফায়েল আহমেদকে প্রথমে এজাহারে আসামী না করলেও, পরবর্তীতে জেলে থাকা অবস্থায়ই (গত ৩১/০৫/২৩ ইং) রাজপাড়া থানার এসআই (নি:) মো: নূর ইসলাম, পুনরায় গ্রেপ্তার দেখান। ১৫/৬/২০২৩বোয়ালিয়া থানার ওসি এবং এসআই সোহেল রানা রিমান্ডে নিয়ে নির্দয় ভাবে অত্যাচার ও নির্যাতন সহ অসামাজিক গালাগালি ও মারধর করেন। ৪নং মামলায় তোফায়েল সহ ১২ জনকে আসামী করা হয়, (তবে ২ নং/৩নং ও ৪নং মামলা থেকে তোফায়েল আহমেদ বেকসুর খালাস পেয়েছেন)।

ভুক্তভোগী ফারজানা হকের বক্তব্য:
ফারজানা হক বলেন, জেল হাজতে থাকা অবস্থায় টাকা ছাড়া জমি রেজিস্ট্রি নেওয়া হয়। টাকা রাখা জেল নিয়মে অপরাধ তাহলে জমি রেজিস্ট্রি করার টাকা কার কাছে ডিসি, জেল সুপার, জেলার নাকি দলিল সাব রেজিস্টার নিকট এই টাকাটা কার কাছে আছে আইন গতভাবে প্রকাশ করা হোক। বায়না দলিলে সময় আছে সময় থাকতে মিথ্যা মামলা হয় না গত ২৬/১/২০২৩ তারিখে সাব রেজিস্টার অফিসে বায়না রদবদল করতে জাই গত ৩০-১-২৩ ইং তারিখে বরাবর পুলিশ কমিশনার কাছে আবেদন করা হয় গত ২৬/১/২০২৩ তারিখে রেজিস্টার অফিসের ভিতরে সন্ত্রীসী ভূমি দস্যুরা মারধর করে জমি রেজিস্ট্রি করে নেয় ও গত ১/২/২০২৩ ইং তারিখের বিজ্ঞ আদালতের আদেশ সহকারী পুলিশ কমিশনার মো: সোহেল রানা অমান্য করে মিথ্যা মামলা দায়ের করেন ওই মিথ্যা মামলার সাক্ষীদেরকে কোর্টে হাজির করেন না।
মো: শফিকুল ইসলাম ও মো: শরিফুল ইসলাম উভয় ২৫ লক্ষ টাকা নেয় বায়না রদবদল করার জন্য টাকা নিয়ে উধাও তারা এখনো বায়না রদবদল করে না।
(২) বাদী সাজ্জাদ বাদশা বক্তব্য:
কাশিয়াডাঙ্গা থানায় সাজ্জাদ বাদশা কে জোর করে মিথ্যা মামলা করানো হয় সাজ্জাদ বাদশা বিজ্ঞ আদালতে হাজির হয়ে স্বীকার করে তার টাকা বুঝে পাইছে গত ২৬/১/২০২৩ ইং তারিখ বায়না রদবদল করছে মামলা থেকে আসামি খালাস হয়েছে ২/৩/২০২৫ ইং তারিখে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button