
মোঃ সোহেল রানা
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, যারা ক্ষমতায় যাওয়ার আগে এভাবে মানুষ খুন করতে পারে তাদের হাতে এই দেশ নিরাপদ নয়। তারা মানুষের জানমালের নিরাপত্তা দিতে পারবে না। ১১ দলীয় নির্বাচনী প্রচারণায় বিএনপির বন্ধুরা যেভাবে হামলা করছে, নারীদের অপমান অপদস্ত করছে এ থেকেই বুঝা যায় তাদের পতন অনিবার্য। ৫ই আগস্টের পরে ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য তারা বেসামাল হয়ে গেছে।

শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকালে চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত ও ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী মাওলানা বিলাল হোসেন মিয়াজীর নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
গোলাম পরওয়ার বলেন, দেশের মানুষ এখন মৌলিক রাজনৈতিক পরিবর্তন চায় এবং পুরোনো ক্ষমতাকেন্দ্রিক রাজনীতির অবসান ঘটিয়ে নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে চায়। শেরপুরে জামায়াত নেতাকে হত্যার ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে গোলাম পরওয়ার বলেন,শেরপুর উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারিকে নিষ্ঠুরভাবে নির্যাতন করে শহীদ করা হয়েছে। জাতীয় নির্বাচনী প্রচারণায় এই প্রথম একজন জামায়াতে ইসলামীর নেতা শহীদ হলেন।
তিনি বলেন, ভোটারদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিলে ভোটকেন্দ্রে যেতে দেওয়া হবে না। বিএনপির সন্ত্রাসীরা নিষ্ঠুরভাবে হামলা করে ওই নেতাকে হত্যা করেছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণা শুরুর পর এটিই প্রথম হত্যাকাণ্ড। খুনিদের গ্রেপ্তার করতে হবে। আর যেন জামায়াতে ইসলামীসহ কোনো দলের প্রার্থীদের ওপর হামলা করা না হয়। সেটা নিশ্চিত না করলে দেশ যদি সহিংস হয়ে ওঠে, তাহলে এই নির্বাচন নিরপেক্ষ হবে না। ভোটকেন্দ্রে তারা সন্ত্রাস করবে। ভোটকেন্দ্রে সহিংসতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কঠোর ও নিরপেক্ষ ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।
জনসভায় মাওলানা বিল্লাল হোসেন মিয়াজির সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন জামাআতের কেন্দ্রীয় শূরা সদস্য নোয়াখালী ও কুমিল্লা অঞ্চল টিম সদস্য মাওলানা লিয়াকত হোসাইন,
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সেক্রেটারি ও জিএস মো. মাজহারুল ইসলাম, জেলা সেক্রেটারি আমিনুল ইসলাম, জেলা সহ-সেক্রেটারি অধ্যক্ষ হারুনুর রশিদ, ফরিদগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা ইউনুস হেলাল, সেক্রেটারি মো. শাখাওয়াত হোসেনসহ প্রমুখ।



