
মুহাম্মদ জুবাইর
পোস্টাল ভোটিং কার্যক্রমের অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম জেলার ১০টি সংসদীয় আসনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যালট বক্স প্রস্তুত ও আনুষ্ঠানিকভাবে লক করা হয়েছে।জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা উপস্থিত প্রার্থী প্রতিনিধিদের এবং গণমাধ্যমকর্মীদের সামনে পুরো প্রক্রিয়াটি প্রদর্শন করেন,যাতে স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত হয়।
শনিবার ৩১ জানুয়ারি চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এ কার্যক্রমে চট্টগ্রাম-১, ২, ৩, ৬, ৭, ১২, ১৩, ১৪, ১৫ ও ১৬ মোট ১০টি সংসদীয় আসনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক পোস্টাল ব্যালট বক্স প্রস্তুত করা হয় এবং আনুষ্ঠানিকভাবে লক করা হয়।অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট আসনের প্রার্থীদের মনোনীত প্রতিনিধিদের সঙ্গে গণমাধ্যমকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।
জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা সকলের সম্মুখে ব্যালট বক্স লক করার সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি সরাসরি প্রদর্শন করেন।তিনি জানান,এই প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা হয়েছে। এছাড়া পোস্টাল ভোটিং কার্যক্রমের পদ্ধতি,নিরাপত্তা ব্যবস্থা,ব্যালট ব্যবস্থাপনা এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সম্পর্কেও উপস্থিত প্রার্থী প্রতিনিধিবৃন্দ ও গণমাধ্যমকর্মীদের বিস্তারিতভাবে অবহিত করা হয়।
জেলা প্রশাসক বলেন,চট্টগ্রাম জেলায় প্রায় ৯৫ হাজার ভোটার পোস্টাল ব্যালটের জন্য রেজিস্ট্রেশন করেছেন। এর মধ্যে এই ১০টি সংসদীয় আসনে রেজিস্ট্রেশন করা ভোটারের সংখ্যা ৬১ হাজারেরও বেশি। নির্বাচনের প্রতিটি ধাপে স্বচ্ছতা,জবাবদিহিতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্কতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করছে।পোস্টাল ভোটিংসহ সকল নির্বাচনী কার্যক্রম আইন ও বিধিমালার আলোকে সম্পন্ন হবে।
তিনি আরও বলেন,ব্যালট বক্স লক করার পুরো প্রক্রিয়ার সময় আমরা উপস্থিত সকলের জন্য স্বচ্ছতা নিশ্চিত করেছি। প্রার্থী প্রতিনিধিরা প্রতিটি ধাপ সরাসরি দেখেছেন। এর মাধ্যমে ভোটারদের প্রতি আমাদের দায়িত্ব ও দায়িত্বশীলতা আরও দৃঢ় হচ্ছে।
উল্লেখ্য, চট্টগ্রাম জেলার এই ১০টি সংসদীয় আসনে নির্বাচনী কার্যক্রম চলমান রয়েছে।পোস্টাল ভোটিং সুষ্ঠু ও নিরাপদভাবে সম্পন্ন করতে জেলা প্রশাসন ইতিমধ্যেই সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।ব্যালট বক্স প্রস্তুতি, লকিং ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা সহ নির্বাচনের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ধাপেও জেলা প্রশাসন কঠোরভাবে নজরদারি করছে।
এবারের নির্বাচনে পোস্টাল ভোটারদের অংশগ্রহণকে প্রাধান্য দিয়ে নিরাপদ ও স্বচ্ছ ভোটিং নিশ্চিত করতে প্রশাসন, রিটার্নিং অফিসার ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করছেন।এই কার্যক্রম ভোটারদের বিশ্বাসযোগ্যতা ও নির্বাচনের স্বচ্ছতার লক্ষ্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।



