বাংলাদেশ রেলওয়ে শ্রমিক লীগের দুর্নীতিবাজ দুই নেতার বিভিন্ন সময় গোপন মিটিং চালিয়ে যায় কুমিল্লা -৯ লাকসাম – মনোহরগঞ্জ: রেলওয়ে হাইস্কুল কেন্দ্র সংলগ্ন তাদের বাসা বাড়ী.

নিজস্ব প্রতিবেদক: রেলওয়ে শ্রমিকলীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হাছান আহমেদ পলাশ।
*রেলওয়ে শ্রমিকলীগের সাধারণ সম্পাদক আরিফুল হায়দার চৌধুরী মান্না।
* এ দু’জন সাবেক এলজিআরডি মন্ত্রী তাজুল ইসলামের ঘনিষ্ঠ সহচর ছিলেন। ৫ আগস্টের পর পালিয়ে গেলেও ইদানীং সক্রিয় ও প্রকাশ্য চলাফেরা করছে। এ দু জনের কারণে ভোট কেন্দ্রে নাশকতা ও বিশৃঙ্খলা হতে পারে।
বিগত দিনে এ দু জনের নেতৃত্বে রেল হাইস্কুল কেন্দ্র দখল, নাশতকতা ভোটাদের বাধা দেয়া হতো।
সম্প্রতি গোপন সূত্র এলাকার বাসিন্দারা সাধারণ মানুষ জানান, তাদের বাসা বাড়ীতে প্রায় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ধারণা করা হচ্ছে তারা নির্বাচনকে ঘিরে কোন পরিকল্পনা করছে।লাকসাম রেলওয়ে স্টেশন চাঁদাবাজ ওই ছিনতাইকারী দের গডফাদার রাশেদকে নিয়ে চলছে পরিকল্পনা গোপাল শুনতে আরো জানা যায় তৎকালীন সরকারের আমলে চাঁদাবাজ রাশেদ নিরীহ মানুষের উপরে অনেক অত্যাচার নির্যাতন করিছে পলাশ মান্নার নির্দেশে জনগণের মনে পাবনা পলাশ মান্না রাশেদ এখনো পর্যন্ত তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয় নাই নাম অনিশ্চয এলাকাবাসী জানায় রাশেদ এখনো লাকসাম রেলওয়ে জিআরপি থানার উত্তর পাশে তার অবৈধ অপরাধচক্রের আস্তানা পরিচালনা করে বলে জানা যায় রেলওয়ে আঞ্চিংকলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসন নিরব চাঁদাবাজ রাশে তৎকালীন লাকসাম পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ডের যুবলীগের তথ্য সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ওই শুকাতে পলাশ মান্না নেতৃত্বে বিভিন্ন অপরাধ কাজে জড়িত লাকসাম রেলওয়ে স্টেশন থেকে দৈনিক হাজার হাজার টাকা চাঁদাবাজি অভিযোগ পাওয়া গেছে এখনো গোপনে বিভিন্ন অপরাধের সাথে জড়িত বলে জানা যায় গোপন সূত্রে



