
মুহাম্মদ জুবাইর
সারা দেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছে।আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিতব্য ভোটগ্রহণে অংশ নিতে নিজ নিজ কেন্দ্রে পৌঁছাতে চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন বড় শহর ছাড়ছেন লাখো মানুষ।সোমবার বিকেল থেকেই চট্টগ্রামের কদমতলী অলংকার,সাগরিকা ও এ কে খান বাস টার্মিনাল,পাশাপাশি চট্টগ্রাম নিউমার্কেট রেলওয়ে স্টেশনে ঘরমুখো মানুষের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে।
ব্যাগ-পোঁটলা হাতে পরিবার-পরিজন নিয়ে গ্রামের বাড়ির পথে ছুটছেন ভোটাররা,ফলে বাস ও ট্রেন কাউন্টার এলাকায় তৈরি হচ্ছে বাড়তি চাপ।
বুধবার শেষ কর্মদিবস হওয়ার কথা থাকলেও অনেক ভোটার আগেভাগেই ছুটি নিয়ে রওনা হয়েছেন।বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত অসংখ্য ভোটার দুই থেকে তিন দিনের ছুটি নিয়ে সন্তানদের সঙ্গে গ্রামের বাড়ির উদ্দেশ্যে যাত্রা করছেন।পরিবহন সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন,ভোটের তারিখ যত ঘনিয়ে আসবে,যাত্রীচাপ তত বাড়বে।ইতোমধ্যে অধিকাংশ রুটে বাসের আগাম টিকিট প্রায় শেষ হয়ে গেছে। কোথাও কোথাও অতিরিক্ত বাস নামানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে পরিবহন মালিকরা।
চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনে দেখা গেছে,ট্রেনের টিকিট হাতে নিয়ে নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই যাত্রীরা স্টেশনে ভিড় করছেন।অনেক যাত্রীকে দাঁড়িয়ে ট্রেনে উঠতেও দেখা গেছে। অপরদিকে বাস টার্মিনালগুলোতে দূরপাল্লার বাসে ওঠার জন্য যাত্রীদের দীর্ঘ অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে।অতিরিক্ত ভিড় সামাল দিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে তৎপর থাকতে দেখা গেছে।
ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কয়েক বছর পর শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাওয়ায় যাতায়াতের কষ্টকে তারা স্বাভাবিকভাবেই নিচ্ছেন। অনেকেই বলছেন,নাগরিক অধিকার প্রয়োগের এই সুযোগ তাদের মধ্যে বাড়তি উৎসাহ তৈরি করেছে।
পরিবার-পরিজন নিয়ে একসঙ্গে ভোট দিতে পারার আনন্দেই তারা আগেভাগে গ্রামের বাড়ির পথ ধরেছেন।



