আইন-শৃঙ্খলাপ্রশাসন

এয়ারপোর্ট ফুটপাত গিলে খাচ্ছে প্রভাবশালী সিন্ডিকেট 

হাবিব সরকার স্বাধীন

সরিষা ক্ষেতে ভুত। খোদ পুলিশ এয়ারপোর্ট বক্সের নিকটেই অবৈধ ফুটপাতের দোকানের সয়লাব। নেপথ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মদদের অভিযোগ উঠেছে।অভিযোগের তীর বক্স ইনচার্জ এস আই সফিক ও এয়ারপোর্ট পুলিশ বক্স নামে পরিচিত কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তার নাম উঠেছে অনুসন্ধানে। দোকানপতি চাঁদা সর্বনিম্ন ৪০০ টাকা এবং প্রথম বসতে দশ থেকে বিশ হাজার টাকা চাঁদা দিতে হয় নয়তো ফুটপাত নামে গ্রেফতার বাণিজ্য। কথায় আছে চোরে না শোনে ধর্মের কাহিনী। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন দুর্নীতির আওতায় নেতা-নেত্রী-কর্মী বা মন্ত্রী আমলাসহ প্রশাসনের যেই হোক না কেন কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।

তবুও টনক নড়েনী অসাধু কিছু প্রশাসনিক কর্মকর্তাগণদের। তেমনী এয়ারপোর্ট পুলিশ বক্স ইনচার্জ শফিক প্রধানমন্ত্রীর কথা অমান্য করে নানা ধরণের অবৈধ দখলবাদী চাঁদাবাজিতে অভিযোগ উঠেছে। কয়েকবার পত্র পত্রিকায় শিরোনাম সংবাদ প্রকাশ উৎপাত গিল খাচ্ছেন কারা? বদলির ঘন্টা বাজলো অজানা  ইশারায় আবার বদলি থেমে যায়। যেকোনো মূল্যে এয়ারপোর্ট থাকা চাই এয়ারপোর্ট ফুটপাতে যেন সোনার হরিণ সরকারি চাকরিবিধানে দু বছর দু বছর পর্ব নিয়ম থাকলেও দীর্ঘদিন ধরে একই অবস্থানে রয়েছেন এই পুলিশ কর্মকর্তা এবং অনেকের কাছে বলাবলি করেন ডিসি তার বলিষ্ঠ আত্মীয় তোমাদের তিনি এখানে রয়েছে এই পুলিশ কর্মকর্তার খুব বলিষ্ঠ হিসেবে কাজ করছেন এ এস আই মনির।

চাঁদাবাজি  নিয়ন্ত্রণে  রয়েছে সোর্স  সজীব ফারুক মমিন কোয়েল মোল্লা বাবু ইব্রাহিম আরো অনেকে। লোকদের বলাবলি করছে টোকিও নিকট্য উদ্ধতন কর্মকর্তার কর্মকান্ডে লিপ্ত রয়েছেন। উত্তরা জোনের উপ-পুলিশ কমিশনার জনাব শহিদুল্লাহ একজন সৎ, নির্ভীক ও চৌকস কর্মকর্তা। তিনি তার অধীনস্থ সকলকে আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে মাদক সহ বিভিন্ন অপরাধ অবৈধ দোকানপাট ইত্যাদির বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দিলেও কিছু অসাধু কর্মকর্তারা নিজেকে সাধু পরিচয় দিলেও অন্তরালে করছে অসাধু উপায়ে অর্থ উপার্জন। বনানী ফাঁড়িতে তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে ফাঁড়ির পেট্রোল ইন্সপেক্টরকে পাওয়া যায়নি।

তিনি সন্ধ্যার পর বেশির ভাগ সময় ফাঁড়িতে বসেন না। অভিযোগ রয়েছে পোস্ট অফিসের গলিতে দোকান বসালে প্রশাসনের কিছু অসাধু কর্মকর্তাসহ সিন্ডিকেটকে দিতে মোটা অংকের চাঁদা। এসব টাকা সংগ্রহ করে লাইনম্যান আব্দুল করিম, ঘড়ি জসিম। ফাঁড়ির পাশে রয়েছে লাইনম্যান হাফিজের বিশাল ভাতের হোটেল।

তার পাশে ভাতের হোটেলের সামনে লেখা আছে পুলিশ ম্যাচ, কিন্তু সেখানে সব ধরনের সাধারণ লোকরা এসে খাওয়া দাওয়া করছে। ৪ নং কবরস্থান রোড সিএনজি স্টেশন লাইসেন্স বিহীন অবৈধ গাড়ীর যানজট সবসময় লেগেই থাকে যা দেখাশুনা করে লাইনম্যান মাসুদ।

এসব অবৈধ যানবাহনের ব্যক্তিদের নিকট থেকে সাপ্তাহিক শেষে পান মোটা অংকের মাসোয়ারা। সৈনিক ক্লাব থেকে শুরু করে চেয়ারম্যান বাড়ী, আমতলী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর মহাখালী, বনানী কাঁচা বাজার, স্বপ্নের মোড়, ভার্সিটির গলি, ১৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর  কার্যালয় পর্যন্ত একাধিক লাইনম্যান নিয়ন্ত্রণ করছেন বনানীর করিম, ঘড়ি জসিম তারা প্রায় ৪৮০ টির মতো দোকান নিয়ন্ত্রণ করে আসছে।

দোকান প্রতি প্রায় প্রতিদিন চাঁদা ৪০০-৫০০-১০০০ টাকা করে উঠায়। সাবেক ইন্সপেক্টর মতিন থাকাবস্থায় শৃঙ্খলা ভাবে থাকলেও এখন একরামুল যোগ দেওয়ার পরেই ভাসমান দোকানে ভরে গেছে। অভিযোগ উঠেছে গোপালগঞ্জের এক জুতার ব্যবসায়ী প্রায় ১৫ বছর ধরে ফুটপাতে ব্যবসা করে আসছে কিন্তু একদিন চাঁদা না দেওয়ায় তাকে গ্রেফতার করিয়েছিল লাইনম্যান জসিম।

কাকলী ব্রিজের পাশে রমজান নামের এক ব্যক্তি চাঁদা না দেওয়ায় তার দোকানও ভাংচুর মারধর সহ তাকে থানায় নিয়ে যায় ফাঁড়ির পেট্রোল ইন্সপেক্টর একরামুল। পেট্রোল ইন্সপেক্টর একরামুলের ভয়ে আশেপাশে কেউ কথা বলার সাহস পায়না এবং সে চলে যাওয়ার পর এসব সেটিং দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করে লাইনম্যানরা।

ফুটপাতের সব দোকান উচ্ছেদ না করে নির্দিষ্ট তার ইচ্ছে মতো কেন ভেঙ্গে দিবে। অন্যগুলো কেন ভাঙ্গবেনা তার সুবিধা অসুবিধা টা কোথায়, হিসাব মিলালে

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button