পাহাড়তলী অলংকারবাসীর অভিযোগ চাঁদাবাজ চক্রের দৌরাত্ম্য থামছে না

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ চট্টগ্রাম মহানগরীতে যুবদল অফিসে দফায় দফায় হামলা ভাঙচুর লুটপাট
চট্টগ্রাম মহানগরীর পাহাড়তলী থানা এলাকার আলিফ হোটেল গলিতে যুবদলের একটি কার্যালয়ে দফায় দফায় হামলা ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত একদল সন্ত্রাসী টিনসেট নির্মিত অফিসে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সাধন করে এবং অফিসে থাকা আসবাবপত্র তছনছ করে দেয়।
হামলার সময় শহীদ জিয়ার স্মৃতি নামের একটি ব্যানার ছিঁড়ে ফেলা হয় বলেও অভিযোগ করেন নেতাকর্মীরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায় অলংকার এলাকার দীর্ঘদিনের প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে এ হামলার ঘটনা ঘটে।স্থানীয়দের দাবি চিহ্নিত চাঁদাবাজ জাকির হোসেন রনির নেতৃত্বে তার অনুসারীরা এ হামলা চালায়।
তারা অভিযোগ করেন এলাকায় চাঁদাবাজি কিশোর গ্যাং পরিচালনা দখলবাজি ছিনতাই ও নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সাথে একটি সংঘবদ্ধ চক্র জড়িত রয়েছে।
ভুক্তভোগী জি কুইনটেন রিবেরো সাংগঠক জাতীয়তাবাদী যুবদল চট্টগ্রাম মহানগর ও আহ্বায়ক বাংলাদেশ খ্রিস্টান এসোসিয়েশন চট্টগ্রাম জেলা বলেন তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত। এলাকার চুরি ছিনতাই ও চাঁদাবাজি প্রতিরোধ এবং সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্যেই নিজস্ব অর্থায়নে অফিসটি স্থাপন করেন।তার দাবি স্থানীয় সন্ত্রাসী চক্র তাদের অবৈধ কর্মকাণ্ডে বাধা পাচ্ছিল বলেই এ হামলা চালানো হয়েছে।তিনি আরও অভিযোগ করেন তাকে অস্ত্র দিয়ে ফাঁসানোর ষড়যন্ত্রও চলছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক চট্টগ্রাম মহানগরীর এক যুবদল নেতা বলেন অভিযুক্ত জাকির হোসেন রনি এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে চাঁদাবাজি ও কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণ করে আসছে।প্রশাসনের সাথে সখ্যতার কারণে সে দীর্ঘদিন ধরে পার পেয়ে যাচ্ছে বলে তাদের ধারণা।
এক ছাত্রদল নেতা বলেন অলংকার এলাকায় এমন কোনো অপরাধ নেই যার সাথে জাকির হোসেন রনির নাম ওঠেনি।এ ঘটনায় দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তিনি।
এলাকাবাসীর অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় চাঁদাবাজি চুরি ছিনতাই রাহাজানি ও দখলবাজি চলে আসছে।তারা বলেন অতীতে বিভিন্ন রাজনৈতিক পরিচয়ে প্রভাব বিস্তার করা হলেও বর্তমানে ভিন্ন পরিচয়ে সক্রিয় রয়েছে একটি চক্র।এই জাকির হোসেন রনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সাথে ছবি প্রকাশ করে সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগও তোলেন তারা।এলাকাবাসী নিরাপত্তা ও স্থিতিশীল পরিবেশ চান।
অভিযুক্ত জাকির হোসেন রনির সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন তিনি এসব ঘটনার সাথে জড়িত নন।
ঘটনাটি নিয়ে পাহাড়তলী থানা এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।ভুক্তভোগী ও স্থানীয়রা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।



