দুর্নীতি

সৈয়দা আসমা খাতুনের ‘বিপুল বিত্ত’: নেপথ্যে কি অবৈধ সম্পদের পাহাড়?

নিজস্ব প্রতিবেদক । ঢাকা

স্থানীয় রাজনৈতিক ও ব্যবসায়ী অঙ্গনের পরিচিত মুখ সৈয়দা আসমা খাতুন-এর নামে কোটি কোটি টাকার রহস্যজনক সম্পদের তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে। সাম্প্রতিক এক অনুসন্ধানে তার এই বিশাল বিত্ত-বৈভবের খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও সচেতন মহলের মধ্যে ব্যাপক বিস্ময় ও কৌতূহলের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, তার দৃশ্যমান আয়ের উৎসের সঙ্গে অর্জিত সম্পদের আকাশ-পাতাল অসঙ্গতি রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, সৈয়দা আসমা খাতুনের বৈধ আয়ের তুলনায় তার বর্তমান জীবনযাপন ও সম্পদের পরিমাণ বহুগুণ বেশি। অনুসন্ধানে অভিযোগ উঠেছে, তিনি সাধারণ আয়ের আড়ালে বিপুল পরিমাণ ‘জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ’ গড়ে তুলেছেন। স্থানীয়দের মতে, এসব সম্পদের মধ্যে বড় অঙ্কের নগদ অর্থ এবং স্থাবর সম্পত্তি রয়েছে, যার বৈধ কোনো ভিত্তি এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।

দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে দুর্নীতি প্রতিরোধ ও প্রশাসনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার যে জোর প্রচেষ্টা চলছে, তার সঙ্গে আসমা খাতুনের এই সম্পদের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। স্থানীয় সমাজ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, একজন ব্যক্তির হাতে এত অল্প সময়ে অস্বাভাবিকভাবে সম্পদ জমা হওয়া সুশাসনের জন্য অশনিসংকেত। তারা মনে করেন, এই সম্পদের প্রকৃত উৎস এবং এর পেছনে কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতি রয়েছে কি না, তা এখন সময়ের দাবি।

সচেতন নাগরিকদের দাবি, বিষয়টি কেবল গুঞ্জন বা আলোচনার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে অবিলম্বে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং গণপূর্ত অধিদপ্তরের নজরে আনা প্রয়োজন। একটি নিরপেক্ষ তদন্তই পারে এই সম্পদের বৈধতা নিশ্চিত করতে এবং জনমনে থাকা প্রশ্নের অবসান ঘটাতে।

সম্পদ ও অনিয়মের এই গুরুতর অভিযোগের বিষয়ে সৈয়দা আসমা খাতুন কিংবা তার আইনি প্রতিনিধিদের সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button