অপরাধআইন-শৃঙ্খলা

রাজধানীর উত্তর কুতুব খালি এলাকায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মারধর, প্রাণনাশের চেষ্টা এবং শ্লীলতাহানির অভিযোগ।

নিজস্ব প্রতিবেদক: ডিএমপির রাজধানী যাত্রাবাড়ী থানাধীন উত্তর কতখালী এলাকায় আপন দুই ভাইয়ের মধ্যে নন্দন ফুড় এন্ড কনফেকশনারী এন্ড বেকারি নিজ দখলে পরিচালনা এবং পাওনা টাকা আত্মসাৎ করার উদ্দেশ্যে ছোট ভাই মোঃ আবিদ এবং তার ভয়ঙ্কর সিন্ডিকেট আপন ভাই-বোনসহ অজ্ঞাতনামা আরো এক দুইজনকে নিয়ে সংঘটিত নৃশংস হামলায় বড় ভাই আহাদ মৃধা কে হত্যার চেষ্টা, মারধর এবং তার স্ত্রীকে শ্রীলত হানি সহ নানা রকম ভয়-ভীতী এবং হুমকি দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রিন্ট, ইলেকট্রিক মিডিয়া এবং অনলাইনে প্রতিবেদনের মাধ্যমে দেখা যায়, নিজের ব্যক্তি স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে নিজের আখের গোছাতে উত্তরাধিকার সূত্রে পারিবারিক সম্পত্তি কিংবা ব্যক্তিগত সম্পত্তি অবৈধভাবে ভোগ দখলের দখলের উদ্দেশ্যে জেল, জুলুম, মারামারি, নির্যাতন, অপহরণ এবং প্রাণহানির মত অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটে।

অপরাধ বিচিত্রা অনুসন্ধানে জানা গেছে, তেমনি একটি ঘটনার সূত্রপাত ঘটে, যাত্রাবাড়ী থানার রাজধানীর উত্তর কুতুবখালী এলাকায় আপন দুই ভাইয়ের মধ্যে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী মোহাম্মদ আহাদ মৃধাকে নন্দন ফুড এন্ড কনফেশনারী নামক বেকারির মালিকানা হতে সরিয়ে ছোট ভাই মোহাম্মদ আবিদ ক্ষমতার অপব্যবহার করে পেশী শক্তির মাধ্যমে অবৈধভাবে ভোগ দখল করে নিজ মালিকানায় পরিচালনা এবং মোটা অংকের টাকা আত্মসাৎ করার উদ্দেশ্যে কয়েক মাস যাবত সুপরিকল্পিতভাবে ষড়যন্ত্র করার অংশ হিসেবে মেজর পরিচয় দানকারী মোঃ আমিন এবং নন্দন ফুড এন্ড কনফেকশনারীর প্রকৃত মালিক মোঃ কবির হোসেনের শেল্টারে লোভী, প্রতারক, বিশ্বাসঘাতক মোঃ আবিদ নীতি এবং মনুষ্যত্বকে বিসর্জন দিয়ে অনৈতিক পথে টাকা অর্জনের উদ্দেশ্যে সত্যকে গোপন করে শেয়ালের মত ধূর্ত ও চতুর প্রকৃতির আবিদ তার আপন ভাই বোনকে ভুল বুঝিয়ে নিজ দলে নিয়ে ভাই-বোন এবং অজ্ঞাত নাম আর ও একা দুজন কে সঙ্গে নিয়ে একটি সঙ্গবদ্ধ চক্র তৈরি করে।

ছোট ভাই আবিদের অসৎ উদ্দেশ্য সফল করার জন্য সঙ্গবদ্ধ চক্রটি বিভিন্ন সময় ন ভুক্তভোগী আহাদ মৃধা কে নানারকম ভয়-ভীতী সহ প্রাণ নাশের হুমকি প্রদান করে আসছে। এমনকি হীন স্বার্থ হাসিল করার উদ্দেশ্যে ছোট ভাই আবিদ এবং তার ভয়ংকর সিন্ডিকেট মিলে আহাদ মৃধাকে দুনিয়া থেকে সরিয়ে ফেলার জন্য ছোট ভাই আবিদ তার ভয়ংকর সিন্ডিকেট মিলে নানারকম পরিকল্পিত মব সৃষ্টি করে হত্যা করার অপচেষ্টায় লিপ্ত থাকে। অনুসন্ধানে জানা যায়, লোভী, প্রতারক, ভন্ড, নারীবাজ আবিদের অসৎ উদ্দেশ্য সফল করার জন্য মাস্টার মাইন্ড এবং মূলহোতা হিসেবে কাজ করে নানারকম ভয়-ভীতিসহ প্রাণনাশের হুমকি প্রদানকারী অদৃশ্যমান মুঠোফোনের মাধ্যমে প্রভাব বিস্তারকারী মেজর পরিচয় দানকারী মোঃ আমিন্দ এবং নন্দন ফুড এন্ড কনফেশনারীর মালিক মোঃ কবির হোসেন।

অভিযোগ সূত্রে আরোও জানা যায় রাজধানীর উত্তর কুতুবখালী এলাকার বাসিন্দা ভুক্তভোগী মোহাম্মদ আহাদ মৃধা জানায়, গত চৌদ্দ মাস যাবত কাজলা নয় নগর আলফালাহ মসজিদ সংলগ্ন নন্দন ফুড এন্ড কনফেকশনারীর প্রকৃত মালিকা মোঃ কবির হোসেনকে নগদ দেড় লক্ষ টাকা জামানত বাবদ প্রদান করে। প্রতি মাসে নির্দিষ্ট ভাড়া দেওয়ার শর্তে নিজ মালিকানায় নন্দন ফুড এন্ড কনফেকশনারি পরিচালনা করে আসছিলাম। আমার আপন ভাই মোহাম্মদ আবিদ দীর্ঘদিন যাবত কর্মহীন অবস্থায় দিন যাপন করে আসছিল। আমি বড় ভাই হিসেবে কর্তব্যের তাগিদে বেকারত্ব দূর করার উদ্দেশ্যে ছোট ভাই মোহাম্মদ আবিদ কে নির্দিষ্ট বেতন ধরে এবং কিছু শর্তে উক্ত কনফেকশনারী পরিচালনা করার দায়িত্ব প্রদান করি। ছোট ভাই আবিদ বেশ কিছুদিন দোকান দায়িত্বের সাথে সুন্দরভাবে পরিচালনা করার পর গত দুই মাস যাবত ভন্ড, প্রতারক লোভী আবিদ নিজের ব্যক্তি স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে নিজের আখের গোছাতে ক্ষমতার অপব্যবহার করে আমার মোটা অংকের টাকা আত্মসাৎ এবং আমার মালিকানায় থাকা নন্দন ফুড এন্ড কনফেকশনারী অবৈধভাবে দখল করে নিজে পরিচালনা করার জন্য সুপরিকল্পিতভাবে ষড়যন্ত্র করার পায়তারা করে আসছে।

আমার ছোট ভাই মোঃ আবিদের অসৎ উদ্দেশ্য সফল করার জন্য আমার সাথে শত্রুতামূলক আচরণ করে। আমার ছোট ভাই মো: আবিদের অসৎ উদ্দেশ্য সফল করার মূল হোতা এবং মাস্টারমাইন্ট হিসেবে কাজ করে সেনাবাহিনীর পোশাক পরিধান করা মেজর পরিচয়দানকারী মোহাম্মদ আমিন এবং নন্দন ফুড এন্ড কনফেকশনারীর প্রকৃত মালিক নিজেকে প্রভাবশালী এবং ক্ষমতাবান হিসেবে নিজেকে প্রদর্শন করা জালিম প্রকৃতির মোহাম্মদ কবির হোসেন। অপরাধ বিচিত্রার অনুসন্ধানে আরো জানা যায়, অদৃশ্যমানরূপে নিজেকে সেনাবাহিনীর মেজর পরিচয় দিয়ে মোহাম্মদ আমিন সেনা পোষাক পরিধান করে অভিনব কায়দায় সু কৌশলে মুঠোফোনের মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করে প্রতিপক্ষকে ভয়-ভীতি এবং আতঙ্ক সৃষ্টি করে ও নন্দন ফুড এন্ড কনফেকশনারীর প্রকৃত মালিক উত্তর কুতুবখালী এলাকার বাসিন্দা মোঃ কবির হোসেন নিজেকে প্রভাবশালী এবং ক্ষমতার পরিচয় প্রদান করে নানা রকম ভয়-ভীতি সহ অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ এবং একাধিকবার প্রাণ নাশের হুমকি ও চোখ উপড়ে ফেলার মত দৃষ্টতা প্রদান করে ভুক্তভোগী আহাদ কে আতঙ্ক সৃষ্টি করে।

নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী আহাদের ছোট ভাই মোহাম্মদ আবিদ এর অসৎ উদ্দেশ্য সফল করতে তার পক্ষ অবলম্বন করে আহাদের বোন জামাই মোঃ ইউনুস তপদ্দার, বড় ভাই মোঃ রশিদ মৃধা মেজু ভাই মোঃ রিয়াদ মৃধা, বড় বোন শাহনাজ বেগম এবং নন্দন ফুড এন্ড কনফেকশনারীর প্রকৃত মালিক মোঃ কবির হোসেন ভূক্তভোগী আহাম মৃধাকে বিভিন্ন সময় নানা রকম ভয়-ভীতী সহ প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করে আসছে। তাঁরই ধারাবাহিকতায় গত ১৩ই অক্টোবর ২০২৫ তারিখ আনুমানিক দেড় ঘটিকার সময় আহাদের বোন জামাই মোহাম্মদ ইউনুস তপদ্দার উত্তর কুতুবখালী এলাকায় আহাদ মৃধার বাসার সামনে দেখা করে বিভিন্ন রকম কথাবার্তা বলে সু কৌশলে সালিশ দরবারের নামে বিচার করে আহাদ মৃধার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক তার ছোট ভাই আবিদের অসৎ উদ্দেশ্য সফল করার চেষ্টা করে। আহাদ ইউনুস তপদ্দার এর হীন উদ্দেশ্যের বিষয়টি আচ করতে পেরে সালিশ দরবারে যেতে না চাইলে আহাদ মৃধার বোনজামাই ইউনুস তপদ্দার আহাদ মৃধাকে নানারকম ভয়-ভীতি সহ হুমকি প্রদান করে।

আহাদ মৃধা এর প্রতিবাদ করলে এক পর্যায়ে আহাদ মৃধাকে কিল, ঘুষি, লাথি, থাপ্পর দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলা ফোলা সহ জখম করে। আহাদ মৃধা কিভাবে যাত্রাবাড়ী এলাকায় দোকান পরিচালনা করি দেখে নিবে বলে ইউনুস তপদ্দার হুমকি প্রদান করে। পরবর্তীতে একই তারিখ দুপুর অনুমান (০১:৪৫) ঘটিকার সময় পূর্ব থেকে উৎ পেতে থাকা আহাদ মৃধার ছোট ভাই মোঃ আবিদ, আহাদ মৃধার বোন জামাই ইউনুস তপদ্দার, আহাদ মৃধার বড় ভাই রশিদ মিধা, আহাদ মৃধার মেজু ভাই রিয়াদ মৃধা, আহাদ মৃধার বড় বোন শাহনাজ বেগম সহ অজ্ঞাত নামা আরোও এক/দুইজন লোক বে-আইনি জনতাবদ্ধে যাত্রাবাড়ী থানাধীন উত্তর কুতুব খালী এলাকায় দুই নং মসজিদ রোড ফিরোজা বেগমের বাড়ি আহাদ মৃধার ভাড়াটিয়া বাসার সামনে সংঘঠিত নৃশংস হামলায় ভুক্তভোগী আহাদ মৃধা এবং তার স্ত্রীর সুমাইয়া বেগমকে কিল, ঘুষি, লাথি, থাপ্পড় মারিয়া শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলা-ফলা সহ জখম করে।

লোভী, প্রতারক ও বিশ্বাসঘাতক মোহাম্মদ আবিদ, আহাদ মৃধাকে হত্যার উদ্দেশ্যে গলা চাপিয়া ধরে। এতে আহাদ মৃধা নিঃশ্বাসের অভাবে অনেকটা নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়লে তার স্ত্রীর সুমাইয়া বেগম প্রাণে বাঁচানোর চেষ্টা করলে আহাদের বোন জামাই ইউনুস তপদ্দার এবং মোহাম্মদ আবিদ আহাদের স্ত্রীর পরিধানের কাপড় টানা হেচড়া করিয়া শ্রীলতাহানী করে।

ভুক্তভোগী আহাদের ডাক চিৎকারে বাড়ির মালিক ফিরোজা বেগম সহ আশে-পাশের লোকজন আগাইয়া আসিলে মোহাম্মদ আবিদ সহ তার ভয়ংকর অপরাধী সিন্ডিকেট কে ফিরোজা বেগম নিবৃত্ত করার চেষ্টা করলে সঙ্ঘবদ্ধ অপরাধী চক্রটি ফিরোজা বেগমকে ধাক্কা দিয়ে নিচে ফেলে দেয়।

অপরাধ বিচিত্রার গভীর অনুসন্ধানে আরো জানা যায় ভন্ড প্রতারক এবং বিশ্বাসঘাতক আবিদের অসৎ উদ্দেশ্য সফল করার মিশনে বাধাগ্রস্ত হওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে আবিদকে খুশি করতে চূড়ান্ত সফলতা অর্জন করার স্বার্থে উক্ত ঘটনা কে কেন্দ্র করে একই তারিখ আনুমানিক দুপুর ২:১৪ ঘটিকার সময় সুফিয়া বেগম নামে একজন মহিলার রেজিস্ট্রেশন কৃত ব্যক্তিগত মোবাইল ০১৬১৬ ১২৭ ৭৪০ নম্বর হতে ভুক্তভোগী আহাদের ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর ০১৭৫৩১৯৯২৪৪ এ কল করে সেনা পোশাক পরিধান করে মেজর পরিচয় পরিচয়দানকারী মোঃ আমিন ভুক্তভোগী আহাদ মৃধা কে গত ১৯ শে নভেম্বর ২০২৫ তারিখ পর্যন্ত নানারকম ভয়- ভীতী সহ শুয়োরের বাচ্চা বলে গালি দিয়ে হুমকি প্রদান করে এবং সঠিক পথে আসবে কিনা,

যদি না আসিস ঘুটি চাল দিয়ে তুলিয়া নিয়ে যাবে বলে মেজর পরিচয়দানকারী মোঃ আমিন ভুক্তভোগী আহাদ কে হুমকি প্রদান করে। এমন কি মেজর পরিচয়দানকারী প্রতারক মোঃ আমিন মোঃ আহাদ মৃধার নিকট হইতে মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রতারণার ফাঁদে ফেলে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে।


এতে ভুক্তভোগী আহাদ মৃধা মেজর পরিচয় দানকারী মোঃ আমিন সুফিয়া বেগমের ব্যক্তিগত নম্বর ০১৬১৬ ১২৭ ৭৪০ হতে আহাদের ব্যবহত নম্বর ০১৭৫৩ ১৯৯২৪৪ কল করিয়া ধারাবাহিক ভাবে ভয় ভীতি সহ এবং প্রাণনাশের হুমকি প্রদান এবং ছোট ভাই মোহাম্মদ আবিদ সহ তার ভাই-বোন এবং অজ্ঞাতনামা আরো এক দুজন কর্তৃক হামলা, হুমকি, হয়রানির ঘটনায় ভুক্তভোগী আহাদ তীব্র উদ্বেগ এবং উৎকণ্টায় ভীত সন্তুস্ত হয়ে চরম হতাশায় শারীরিক ও মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়ে কোন কুল-কিনারা না পেয়ে ভাড়াটিয়া বাসায় আশ্রয় গ্রহণ করে। ভুক্তভোগী আহাদের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে মেজর পরিচয়দানকারী মোঃ আমিন এবং নন্দন ফুড এন্ড কনফেকশনারির প্রকৃত মালিক মোঃ কবির হোসেনের ইশারায় পরিকল্পিত চক্রান্তের ফাঁদে ফেলে ছোট ভাই আবিদের অসৎ উদ্দেশ্য সফল করার জন্য অভিনব কায়দায় ভিন্ন পথ অবলম্বন করে একই তারিখে আনুমানিক বিকাল তিনটে আট ঘটিকার সময় উক্ত ঘটনার বিষয়ে সুষ্ঠ সমাধানের উদ্দেশ্যে ভুক্তভোগী আহাদের ভাড়াটিয়া বাসায় নিরপেক্ষ বাবু এবং রাসেল নামে দুজন ব্যক্তি প্রবেশ করে। নিরপেক্ষ বাবু এবং রাসেল ভুক্তভোগী আহাদ এবং আহাদের বাড়ির মালিক ফিরোজা বেগমকে নানা রকম আশ্বাস প্রদান করে সুষ্ঠ বিচারের প্রতিশ্রুতি দিয়ে নন্দন ফুড এন্ড কনফেকশনারী এন্ড বেকারির সংলগ্ন হোল্ডিং নং ৪১/২৩ বেকারির ভিতর নিয়ে যায়।


ভুক্তভোগী আহাদ মৃধাকে বেকারীর ভিতর নিয়ে যাওয়ার পর ছোট ভাই আবিদ সহ তার ভাই বোন এবং নন্দন ফুড এন্ড কনফেকশনারীর প্রকৃত মালিক মোঃ কবির হোসেন অজ্ঞাত নামা আরও এক সুজন ভুক্তভোগী আহাদ মৃধা কে নানারকম ভয়-ভীতী এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ সহ প্রাণে শেষ করে দেওয়ার চেষ্টা করে। নন্দন ফুড এন্ড কনফেকশনারীর প্রকৃত মালিক মোঃ কবির হোসেন একাধিকবার আহাদের চোখ উপড়ে ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করে এবং ভুক্তভোগি আ হাদের জন্মদাত্রী মাকে খানকি বলে গালি দেই। ভাড়াটিয়া বাসায় থাকা ভুক্তভোগী আহাদের বাড়ির মালিক সম্মানিতা ফিরোজা বেগম ঘটনার বিষয়ে কোন কিছু বলতে চাইলে এবং প্রতিবাদ করলে ফিরোজা বেগমের কোন কথায় কর্ণপাত না করে অভিযুক্তকারীদের কথায় আপোষ না করায় উল্লেখিত অভিযুক্তকারীরা নানা রকম ভয় ভীতী সহ অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ এবং প্রাণে মেরে ফেলার অপচেষ্টায় লিপ্ত থাকে। ভুক্তভোগী আহাদ কোনরকম ভাবে নিজেকে রক্ষা করে এ বিষয়ে যাত্রাবাড়ী থানায় গত ১৯-১০ ২০২৫ তারিখ একটি অভিযোগ দায়ের করে। অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকতা এসআই সায়েদুর রহমান।

অভিযোগ দেওয়ার পর অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পরেও অফিসার ইনচার্জ কামরুজ্জামান তালুকদার এর নির্দেশ অমান্য করে তদন্তের নামে নানারকম তালবাহানা হয়রানি করে ভুক্তভোগী আহাদ মৃধাকে ভীতি প্রদর্শন করে পারিবারিক বিবাদ বলে আহাদ এর ইচ্ছার বিরুদ্ধে তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই সায়েদুর রহমান উল্লেখিত অভিযুক্তকারীদের অপকর্ম ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে। এ বিষয়ে সংবাদ কর্মী মুঠোফোনের মাধ্যমে তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই সায়েদুর রহমানের নিকট জানতে চাইলে সংবাদ কর্মীর সাথে চরম অপেশাদার মূলক এবং অশালীন আচরণ করে। এক পর্যায়ে ভুক্তভোগী আহাদের অভিযোগের দায়িত্বপ্রাপ্ত এসআই মিজানুর রহমান নেওয়ার পরে অভিযোগের তদন্তের নামে ভুক্তভোগী আহাদের নিকট হতে পনেরো হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়।

ভুক্তভোগী আহাদের পূর্ব পরিচিত একজন সংবাদকর্মীর প্রচেষ্টায় যাত্রাবাড়ী থানার দুজন তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই সাইদুর রহমান এবং এসআই মিজানুর রহমান এর অপকর্মের বিষয়টি সাবেক যাত্রাবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ কামরুজ্জামান তালুকদারের নিকট জানতে চাইলে, তিনি অভিযুক্তকারী দুজন তদন্তকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যথাযথ কঠোর ব্যবস্থা নিবে বলে আশ্বাস প্রদান করে। অপরাধ বিচিত্রার নামক পত্রিকার একজন দক্ষ, নির্ভীক সাংবাদিকের প্রচেষ্টায় এবং অপরাধ বিচিত্রার নামক পত্রিকার অনলাইন প্রতিবেদনের মাধ্যমে যাত্রাবাড়ী থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ কামরুজ্জামান তালুকদার ভুক্তভোগী আহাদের অভিযোগের সত্যতা পেয়ে অফিসার ইনচার্জের নির্দেশে গত ১০-১১-২০১৯ তারিখ অভিযুক্ত কারীদের বিরুদ্ধে যাত্রাবাড়ী থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।

যার মামলা নং-২৮। যাত্রাবাড়ী থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ কামরুজ্জামান তালুকদারের নির্দেশে সেনা কর্মকর্তার পোষাক পরিধান করে মেজর পরিচয়দানকারী মোঃ আমিন এর বিরুদ্ধে যাত্রাবাড়ী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করা হয় এবং সাধারণ ডায়েরির তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই হুমায়ুন কবিরকে ভুক্তভোগী আহাদের সাধারণ ডায়েরিকে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে অথর্তব্য অপরাধ তদন্তের অনুমতির আবেদনের জন্য নির্দেশ প্রদান করে। যার সাধারণ ডায়েরি নং-২০২২। তারিখ ১৮/১০ ২০২৫ ইং।

এ বিষয়ে গত ফেব্রুয়ারির ২ তারিখ ভুক্তভোগী মোহাম্মদ আহাদ মৃধা প্রতিকার পাওয়ার জন্য মাননীয় সেনাবাহিনী প্রধান, এডজুটেন্ট জেনারেল জিও সি ৯ পদাদিক ডিভিশন, ডিজি, ডিজিএফআই, ডি জি এন এস আই, কমান্ডার এ এস ইউ এর নিকট লিখিত অভিযোগ প্রদান করে। বর্তমানে অভিযুক্তকারী অদৃশ্যমান মুঠোফোনের মাধ্যমে প্রভাক বিস্তারকারী মেজর পরিচয়দানকারী মোহাম্মদ আমিন এবং নন্দন ফুড এন্ড কনফেকশনারী এন্ড বেকারি মালিক মোঃ কবির হোসেন এর সেলটারে এবং ইশারায় অভি যুক্তকারী মোঃ আবিদ তাঁর ভয়ংকর সিন্ডিকেট সহ অজ্ঞতমান আরো কয়েকজন ভুক্তভোগী আহাদকে বিভিন্ন সময় নানা রকম ভয়-ভীতি সহ হুমকি প্রদান করে আসিতেছে।

তারই ধারাবাহিকতায় নন্দন ফুড এন্ড কনফেকশনারীর প্রকৃত মালিক মোঃ কবির হোসেন এর স্ত্রী গত ১৮/০১/২০২৬ ইং তারিখ আনুমানিক সকাল ১০:২০ ঘটিকার সময় সালাহউদ্দিন সাহেবের বাসার সামনে ভুক্তভোগী আহাদকে দেখামাত্র নানারকম ভয়-ভীতি সহ নানারক অকথ্য ভাষায় গালি-গালাজ করে। এতে ভুক্তভোগী আহাদ মৃধা প্রতিবাদ করলে মোঃ কবির হোসেন এর স্ত্রী জুতা নিয়ে আহাদ কে পিটানোর চেষ্টা করে এবং তার স্বামী মোঃ কবির হোসেন এর বিরুদ্ধে মামলা তুলে নেয়ার জন্য হুমকি প্রদান করে।

এতে আহাদ মৃধা চক্ষু লজ্জায় ও জানমালের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে ভুক্তভোগী আহাদ মৃধা উক্ত স্থান ত্যাগ করে চলে আসে। এ বিষয়ে প্রতিকার পাওয়ার জন্য ভুক্তভোগী আহাদ মৃধা গত ২২ শে ফেব্রুয়ারি যাত্রাবাড়ী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ প্রদান করে। যার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আওলাদ হুসাইন। বর্তমানে ভুক্তভোগী মোহাম্মদ আহাদ মৃধা সহ তার পরিবার জানমালের নিরাপত্তার জন্য প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট হস্তক্ষেপ কামনা করা সহ অভিযুক্ত কারীদের বিরুদ্ধে শীঘ্রই আই নানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার দাবি জানায়। অনুসন্ধান চলবে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button