সীতাকুণ্ডে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে যুবক নিহত

মুহাম্মদ জুবাইর
ইউপি নির্বাচন ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ,আহত অন্তত ৮
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে সজিব নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আরও অন্তত ৭ থেকে ৮ জন আহত হয়েছেন।
নিহত সজিব মিরসরাই উপজেলার মঘাদিয়া ইউনিয়নের খোরমাওয়ালা গ্রামের শাহ আলামের ছেলে। তিনি মুরাদপুর ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহাবুদ্দিনের গ্যারেজে কাজ করতেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল ১০টার দিকে মুরাদপুর ইউনিয়ন পরিষদের সামনে যুবদল নেতা শাহাবুদ্দিন ও আলিমের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। পরে ওই ঘটনার জেরে সন্ধ্যায় শাহাবুদ্দিনের অনুসারীরা আলিমের ওপর হামলা চালালে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়।
আলিমের স্ত্রী তাহমিনা আক্তার অভিযোগ করেন, এলাকাবাসী তার স্বামীকে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার জন্য অনুরোধ করছেন। কিন্তু শাহাবুদ্দিন তার স্বামীর জনপ্রিয়তা মেনে নিতে পারছেন না। মঙ্গলবার পরিষদে চাল বিতরণকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। পরে সন্ধ্যায় শাহাবুদ্দিনের অনুসারীরা চারটি সিএনজি ও দুটি মোটরসাইকেল নিয়ে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে হামলা চালায় বলে তিনি দাবি করেন।
অন্যদিকে শাহাবুদ্দিন বলেন, একটি রিকশার ব্যাটারি চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে সালিশি বৈঠকে আলিমের সঙ্গে তার বিরোধ তৈরি হয়। পরে মঙ্গলবার ইফতার মাহফিল শেষে তার অনুসারীরা সিএনজিযোগে গোপ্তাখালীর দিকে গেলে আলিমের লোকজন তাদের ওপর হামলা চালায়। সেই হামলাতেই সজিব নিহত হয়েছেন বলে তিনি দাবি করেন।
সীতাকুণ্ড মডেল থানার কর্মকর্তা মহিনুর ইসলাম জানান, আসন্ন ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে সজিব নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন এবং কয়েকজন আহত হয়েছেন। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে পুলিশের একটি টিম কাজ করছে।



