বরিশাল বিভাগ

বরগুনায় নারীসহ লঞ্চের কেবিনে বিএনপি নেতার ভাইরাল ভিডিও’র নেপথ্যে

রাশেদুল ইসলাম: বরগুনায় লঞ্চের কেবিনে নারীসহ বিএনপি নেতার আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোআ গাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এ নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি বরগুনা সদর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি এবং ৮ নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য মিলনের। গত দুই বছর পূর্বের পুরাতন ভিডিও দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ব্ল্যাকমেইল করে চাঁদাবাজি করে আসছেন সাংবাদিক নামধারী কয়েকজন ফেসবুক ব্যবহারকারী। চাহিদা অনুযায়ী টাকা না পেয়ে বিএনপি নেতা মিলন এবং একই এলাকার এক নারীর লঞ্চের কেবিনে থাকা একটি ভিডিও চিত্র ভাইরাল করে।

গত ১৩ ই মার্চ থেকে বরগুনা সদর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি এবং সাবেক ইউপি সদস্য মিলনের একটি আপত্তিকর ভিডিও কথিত ফেসবুক সাংবাদিক শাজনুস শরীফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়। নারীসহ আপত্তিকর অবস্থায় ভিডিওটি মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়। এনিয়ে এলাকায় বেশ চাঞ্চলের সৃষ্টি হয়েছে। ফেসবুক ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তবে প্রকাশিত আপত্তিকর ভিডিওটি গত দুই বছর পূর্বের। করোনা মহামারীর সময় একই লঞ্চে এসেছেন তারা। হেনস্তা করার জন্য পরিকল্পিতভাবে আটকানো হয়েছিলো তাদেরকে। ভিডিও প্রকাশ করায় দুষ্ট লোকের শাস্তির দাবি করেছেন ভুক্তভোগী মেয়ে ও তার পরিবার।

বিএনপি নেতা মিলন বলেন, মেয়ে আমার সম্পর্কে ভাগ্নি হয়। ওর বাবা আমার সাথে একই লঞ্চে দেশে পাঠিয়েছেন। আমি ডেকে ঘুমিয়ে ছিলাম এবং মেয়ে কেবিনে। সকালবেলা ব্যাগ ও জামাকাপড় নিতে কেবিনে গেলে পূর্বপরিকল্পিতভাবে আমাকে আটকানো হয়। সে সময়ের একটি ভিডিও ক্লিপ দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আমাকে ব্লাকমেইল করে। ইত্তিজা হাসান মনির, শাজনূস শরীফ, সোবহান, জুলহাস সহ আরও কয়েকজন আমার কাছ থেকে টাকা দাবি করেছে এবং তাদের চাহিদা মেটাতে আমি নিরপরাধ হয়েও টাকা দিয়েছি। তারপরও তারা পুরাতন ভিডিও ফেসবুকে ছেড়ে আমার সম্মানহানী করেছে। আমি এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই এবং এর বিচার চাই।

লঞ্চের কেবিনে আসা নারীর বলেন, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে আমাদের শত্রুপক্ষ একটি পরিকল্পিত ভিডিও ধারণ করেছে। প্রতি বছর আমাদের কাছ থেকে ব্ল্যাকমেইল করে টাকা নিয়েছে। আমরা টাকা না দেওয়ায় বর্তমানে সেই ভিডিও ফেসবুকে ছেড়ে আমাদের মানহানি করেছে। আমি এর বিচার চাই।

এদিকে মেয়ের মা বলেন, আমার স্বামী আমার মেয়েকে মেম্বারের সাথে পাঠিয়েছে। ভুল ভাবে ভিডিও প্রচার করে কয়েকজন ব্যাক্তি আমাদের ইজ্জতহানী করেছে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button