আইন-শৃঙ্খলাজাতীয়

বার্তা বাজার অনলাইনের আলফাডাঙ্গা প্রতিনিধি রাষ্ট্রদ্রোহের অপরাধ করেছেন তার অপরাধটি এলাকার সচেতন জনগণ আমলে নিয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার : সরকারের আদেশে “হ্যাঁ” ভোটের প্রচারে আলফাডাঙ্গা পৌরসভার প্রশাসক কর্তৃক ব্যানার টানানোয় নিরপেক্ষতার প্রশ্ন তুলে “হ্যা” ভোটের বিরোধিতা মূলক নিউজ করে বার্তা বাজারের আলফাডাঙ্গার প্রতিবেদক রাষ্ট্রদ্রোহিতা করেছে। যা নিয়ে রাষ্ট্রদ্রোহ আইনে তার বিরুদ্ধে মামলা হতে পারে। দেশকে ভালবাসা ও দেশের কল্যানকামী যেকোন নাগরিক বা আলফাডাঙ্গা পৌরসভা প্রশাসনের কেউ বা পুলিশ স্ব প্রণোদিত হয়ে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা রুজু করতে পারেন।

“হ্যা” ভোট দিলে যা চাইলেন “না” ভোট দিলে তা চাইলেন না

১. তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন ও সরকারি কর্ম কমিশন গঠনে সরকারি দল ও বিরোধী দল একত্রে কাজ করবে।

২. সরকারি দল ইচ্ছেমতো সংবিধান সংশোধন করতে পারবে না।

৩. সংবিধানের গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে গণভোটের বিধান চালু থাকবে।

৪. বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার এবং গুরুত্বপূর্ণ সংসদীয় কমিটিসমূহের সভাপতি নির্বাচিত হবেন।

৫. যতই মেয়াদ হোক, কেউ সর্বোচ্চ ১০ বছরের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন না।

৬. সংসদে নারীর প্রতিনিধিত্ব পর্যায়ক্রমে বাড়ানো হবে।

৭. ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠার জন্য সংসদে একটি উচ্চকক্ষ গঠিত হবে।

৮. দেশের বিচারব্যবস্থা স্বাধীনভাবে কাজ করবে।

৯. আপনার মৌলিক অধিকারের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে, যেমন ইন্টারনেট সেবা কখনো বন্ধ করা যাবে না।

১০. দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধীকে রাষ্ট্রপতি ইচ্ছেমতো ক্ষমা করতে পারবেন না।

১১. রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার মধ্যে ভারসাম্য থাকবে।

“হ্যা” ভোটের প্রচারে সরকারের নির্দেশের নিউজের লিংক সংযুক্ত করা হল।

সরকারি যোগাযোগে গণভোটের লোগো ব্যবহারের নির্দেশ

শনিবার (১০ জানুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গত ৭ জানুয়ারি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সব মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব/সচিব, বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের কাছে এ বিষয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। এর আগে, ৫ জানুয়ারি এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে চিঠি পাঠানো হয়।

এতে বলা হয়, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন একই সঙ্গে জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫-এ লিপিবদ্ধ সংবিধান সংস্কার সম্পর্কিত প্রস্তাবগুলোর ওপর গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ এ গণভোটের বিষয়ে ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক জনসচেতনতা তৈরি করা প্রয়োজন।

চিঠিতে বলা হয়, নির্বাচনের আগ পর্যন্ত সব সরকারি যোগাযোগে—পত্র, আদেশ, প্রজ্ঞাপন, পরিপত্রসহ—গণভোটের লোগো ব্যবহার করতে হবে। পাশাপাশি সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের স্ব-উদ্যোগে দুটি করে খাড়া (ভার্টিক্যাল) ব্যানার প্রিন্ট করে অফিসের সামনে দৃষ্টিনন্দন স্থানে প্রদর্শন করতে হবে, যাতে সেবাগ্রহীতা ও সাধারণ জনগণের মধ্যে ব্যাপক প্রচারণা নিশ্চিত হয়।

এ বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার সম্মতি রয়েছে বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।

নির্বাচনের আগ পর্যন্ত সব সরকারি যোগাযোগে গণভোটের লোগো ব্যবহার এবং সংশ্লিষ্ট সব সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে দুটি করে খাড়া ব্যানার দৃষ্টিনন্দন স্থানে প্রদর্শনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে চিঠিতে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button