
আব্দুল মতিন মুন্সী
ফরিদপুর-১ সংসদীয় আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী খন্দকার নাসিরুল ইসলামের মনোনয়নপত্রকে বৈধ ঘোষণা করে চূড়ান্ত রায় প্রদান করেছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একই সঙ্গে এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী শাহ মোঃ আবু জাফরের দায়ের করা আপিল আবেদন খারিজ করে দেওয়া হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের এ সিদ্ধান্তের ফলে ফরিদপুর-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে খন্দকার নাসিরুল ইসলামের নির্বাচনে অংশগ্রহণ সম্পূর্ণভাবে নিশ্চিত হলো। ইসির চূড়ান্ত রায়ের মধ্য দিয়ে চলমান অনিশ্চয়তার অবসান ঘটেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
জানা গেছে, মনোনয়ন যাচাই-বাছাইকে কেন্দ্র করে শাহ মোঃ আবু জাফর নির্বাচন কমিশনে আপিল দায়ের করেন। তবে শুনানি শেষে নির্বাচন কমিশন তার আপিল গ্রহণযোগ্য নয় বলে মত দেন এবং খন্দকার নাসিরুল ইসলামের মনোনয়নপত্র বৈধ বলে রায় ঘোষণা করেন।
রায় ঘোষণার পরপরই ফরিদপুর-১ আসনের বিভিন্ন এলাকায় বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে আনন্দ ও উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। দলীয় কার্যালয় ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নেতাকর্মীরা একত্রিত হয়ে মিষ্টি বিতরণসহ উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। অনেকেই এই রায়কে গণতন্ত্র ও নির্বাচনী প্রক্রিয়ার জন্য ইতিবাচক বার্তা হিসেবে দেখছেন।
স্থানীয় বিএনপি নেতারা বলেন, নির্বাচন কমিশনের এই ন্যায়সঙ্গত সিদ্ধান্ত প্রমাণ করে যে খন্দকার নাসিরুল ইসলাম একজন যোগ্য ও বৈধ প্রার্থী। তারা আশা প্রকাশ করেন, এই রায়ের মাধ্যমে নির্বাচনী মাঠে বিএনপি আরও শক্ত অবস্থান নিতে পারবে এবং সাধারণ ভোটারদের মাঝে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি হবে।
সমর্থকদের মতে, খন্দকার নাসিরুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে ফরিদপুর-১ আসনের মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থেকেছেন এবং এলাকার উন্নয়ন ও জনস্বার্থে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন। ফলে তার মনোনয়ন বহাল থাকায় সাধারণ ভোটারদের প্রত্যাশা আরও বেড়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই রায়ের ফলে ফরিদপুর-১ আসনের নির্বাচনী সমীকরণে নতুন মাত্রা যুক্ত হবে। আগামী দিনে প্রচার-প্রচারণা আরও গতিশীল হবে এবং নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়বে বলেও তারা ধারণা করছেন।
সব মিলিয়ে নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত রায়ের মাধ্যমে ফরিদপুর-১ আসনে বিএনপির নির্বাচনী কার্যক্রম নতুন গতি পাবে এবং ভোটের মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতা আরও জোরদার হবে বলে সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে।



