ফেনীতে অপহরণ ও ধর্ষণ মামলার ১৪ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ফেনী জেলার ফেনী সদর থানায় দায়ের করা অপহরণ ও ধর্ষণ মামলায় ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ও ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি শহিদুল ইসলাম প্রকাশ বাপ্পিকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৭, চট্টগ্রাম।
র্যাব সূত্র জানায়,গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৭ জানতে পারে যে, ফেনী সদর থানার মামলা নম্বর নারী ও শিশু-১৮৫/২০১২-এর সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি শহিদুল ইসলাম প্রকাশ বাপ্পি ফেনী সদর থানা এলাকায় আত্মগোপনে অবস্থান করছে। উক্ত মামলায় তাকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধিত/২০০৩) এর ৭ ধারায় অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। একই সঙ্গে তাকে এক লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড এবং অর্থদণ্ড অনাদায়ে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন আদালত।
প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে গত শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি ২০২৬) বিকেল আনুমানিক ৫টা ১৫ মিনিটে র্যাব-৭, চট্টগ্রামের একটি আভিযানিক দল ফেনী জেলার ফেনী সদর থানাধীন উত্তর চারিপুর এলাকার মৌলভী বাড়িতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে বর্ণিত ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি শহিদুল ইসলাম প্রকাশ বাপ্পি (২৭) কে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামি শহিদুল ইসলাম প্রকাশ বাপ্পির পিতার নাম আব্দুল হক মোয়াজ্জিন। তার স্থায়ী ঠিকানা উত্তর চারিপুর, থানা ফেনী সদর, জেলা ফেনী।
র্যাব জানায়,দীর্ঘদিন ধরে সাজাপ্রাপ্ত হওয়া সত্ত্বেও আসামি আত্মগোপনে থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে চলছিল।গোপন নজরদারি ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান নিশ্চিত করে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে ফেনী জেলার ফেনী সদর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব-৭, চট্টগ্রামের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নারী ও শিশু নির্যাতনের মতো জঘন্য অপরাধে জড়িত সাজাপ্রাপ্ত ও পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে র্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে তারা সর্বোচ্চ তৎপর রয়েছে।
এ তথ্য নিশ্চিত করেন এ. আর. এম. মোজাফ্ফর হোসেন, সহকারী পুলিশ সুপার, সহকারী পরিচালক (মিডিয়া), র্যাব-৭, চট্টগ্রাম, পক্ষে অধিনায়ক।



