হাটহাজারী রাঙ্গুনিয়ায় র্যাবের সাঁড়াশি অভিযান গ্রেফতার তিন

মুহাম্মদ জুবাইর
পৃথক তিনটি অভিযানে চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী ও রাঙ্গুনিয়া থানা এলাকা থেকে তিনজন মাদক মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৭, চট্টগ্রাম।গ্রেপ্তারকৃতরা দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে থেকে মাদক সংশ্লিষ্ট অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে আদালতের ওয়ারেন্টভুক্ত ছিলেন।
র্যাব-৭ সূত্রে জানা যায়,গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে দিনব্যাপী পরিকল্পিতভাবে পৃথক তিনটি অভিযান পরিচালনা করা হয়।এসব অভিযানে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দায়ের করা একাধিক মামলার পলাতক আসামিদের অবস্থান শনাক্ত করে তাদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়।
প্রথম অভিযানে হাটহাজারী মডেল থানার মামলা নম্বর ৩০(১১)২২, জিআর-৩৮৭/২২, ২০১৮ সনের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ৩৬(১) এর ১০(ক) ধারায় দায়ের করা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি মো. আরাফাত হোসেন (৩৪) কে গ্রেপ্তার করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৭-এর একটি আভিযানিক দল বিকেল আনুমানিক ৪টা ৩০ মিনিটে হাটহাজারী মডেল থানাধীন ইছাপুর বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে। তিনি মৃত ইকবাল হোসেনের ছেলে এবং হাটহাজারীর পূর্ব মেখল এলাকার বাসিন্দা।
দ্বিতীয় অভিযানে রাঙ্গুনিয়া মডেল থানার মামলা নম্বর ১১(০৭)২০২৩, জিআর-১১০/২৩,একই আইনের ৩৬(১) এর ১০(ক) ধারায় দায়ের করা মাদক মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি আরাফাত হোসেন (২২)কে গ্রেপ্তার করা হয়। সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টা ৩০ মিনিটে র্যাব-৭-এর একটি দল রাঙ্গুনিয়া মডেল থানাধীন ইছাখালী বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাকে আটক করে।তিনি পিয়ার মোহাম্মদের ছেলে এবং রাঙ্গুনিয়া উপজেলার গুচ্ছ গ্রামের বাসিন্দা।
তৃতীয় অভিযানে রাঙ্গুনিয়া মডেল থানার মামলা নম্বর ০৯(০৫)২৩, জিআর-৭৪/২৩, ২০১৮ সনের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ৩৬(১) এর ১০(ক) ধারার ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি ইউসুফ আলী (৩৫)কে গ্রেপ্তার করা হয়। রাত আনুমানিক ৮টার দিকে রাঙ্গুনিয়া মডেল থানার সামনে উত্তর পাশের সড়ক থেকে তাকে আটক করা হয়। তিনি মৃত আব্দুল হকের ছেলে এবং মধ্যম সৈয়দ বাড়ি এলাকার বাসিন্দা।
র্যাব জানায়,গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে পলাতক থেকে মাদক সংশ্লিষ্ট অপরাধ কার্যক্রমে জড়িত ছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।তাদের বিরুদ্ধে আদালতে একাধিক মাদক মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি ছিল।
গ্রেপ্তারকৃত তিনজনের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব-৭, চট্টগ্রাম জানায়, মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ কারবার রোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং মাদক সংশ্লিষ্ট অপরাধে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।



