চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী ওসমান আটক বাবলা হত্যার ঘটনায় পুলিশের জালে

মুহাম্মদ জুবাইর
চট্টগ্রাম পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী ওসমান আলী সেগুনকে রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নগরের খুলশী থানার ইমপেরিয়াল হাসপাতাল এলাকা থেকে আটক করা হয়েছে।পুলিশি সূত্রে জানা গেছে, আটকের পর তাকে মনসুরাবাদ ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে।
ওসমান আলীর বিরুদ্ধে অভিযোগ,তিনি গত বছরের ৫ নভেম্বর চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী ও চান্দগাঁও) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এরশাদ উল্লাহর গণসংযোগ চলাকালীন গুলিতে নিহত হওয়া সরোয়ার হোসেন ওরফে বাবলা হত্যার সঙ্গে জড়িত।
ওসমান আলী একসময় বড় সাজ্জাদ হোসেন খানের সহযোগী হিসেবে পরিচিত ছিলেন।কিন্তু পরে গুরু সাজ্জাদের সঙ্গে বিরোধের কারণে আলাদা দল গঠন করেন। এই বিরোধের জেরে বাবলার ওপর একাধিক হামলা চালানো হয়।শেষ পর্যন্ত ৫ নভেম্বর সংঘটিত ওই হামলায় বাবলা নিহত হন।
প্রশাসনের সূত্র জানায়,গুরু সাজ্জাদের নির্দেশে ওসমান আলী ও তার সহযোগীরা বাবলাকে লক্ষ্যবস্তু হিসেবে ধরে একাধিকবার হামলা চালায়। বাবলা আগে কিছু হামলায় বেঁচে গেলেও ৫ নভেম্বরের ঘটনায় তার জীবন শেষ হয়।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) উত্তর জোনের উপ-কমিশনার (ডিসি) আমিরুল ইসলাম বলেন,
আমরা ওসমান আলীর আটক নিয়ে তথ্য সংগ্রহ করছি। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।
পুলিশ আরও জানিয়েছে,শহরের নিরাপত্তা ও সন্ত্রাস নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশেষ অভিযান চলবে।
স্থানীয়রা বলছেন,এ ধরনের সংঘাত ও সন্ত্রাস এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করে।তাদের মতে, পুলিশি অভিযান দ্রুত ও কার্যকর হওয়ায় পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এসেছে।
ওসমান আলীর গ্রেপ্তারের পর জেলা পুলিশ ও ডিবি সংযুক্ত দল ঘটনার সাথে জড়িত অন্যান্য সন্ত্রাসীদের খুঁজে বের করতে তদন্ত চালাচ্ছে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এর মাধ্যমে চট্টগ্রামের সন্ত্রাসী সংঘর্ষ ও নির্বাচনী সহিংসতা কমানো সম্ভব হবে।



