পাসপোর্ট কর্মকর্তা আইয়ুব আলীর ‘বিপুল সাম্রাজ্য’: ৩ বাড়ি ও ৪০ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের হদিস

নিজস্ব প্রতিবেদক। ঢাকা
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় তিনটি আলিশান বাড়িসহ প্রায় ৪০ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে পাসপোর্ট অধিদপ্তরের কর্মকর্তা আইয়ুব আলী-এর বিরুদ্ধে। সরকারি চাকরিতে থেকে ক্ষমতার অপব্যবহার এবং ঘুষ-দুর্নীতির মাধ্যমে তিনি এই বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন বলে জানা গেছে।
তিন বাড়ি ও বেনামি সম্পদ
অনুসন্ধানে জানা যায়, আইয়ুব আলীর বৈধ আয়ের সাথে তার বর্তমান জীবনযাপন ও সম্পদের কোনো সংগতি নেই। রাজধানীর নামি এলাকায় তার মালিকানাধীন তিনটি আবাসিক ভবনের তথ্য পাওয়া গেছে। এছাড়া ঢাকা ও ঢাকার বাইরে বিভিন্ন স্থানে তার নামে ও বেনামে একাধিক জমি এবং ব্যাংক হিসাবের সন্ধান মিলেছে, যার বাজারমূল্য প্রায় ৪০ কোটি টাকা বলে ধারণা করা হচ্ছে।
দুদকের জালে আইয়ুব আলী
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সূত্রে জানা গেছে, আইয়ুব আলীর বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগে এরই মধ্যে আনুষ্ঠানিক অনুসন্ধান শুরু হয়েছে। দুদকের প্রাথমিক অনুসন্ধানে তার অর্জিত সম্পদের একটি বিশাল খতিয়ান উঠে এসেছে। সংস্থাটি মনে করছে, দীর্ঘ সময় একই বিভাগে কর্মরত থাকার সুযোগ নিয়ে তিনি একটি সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছিলেন, যার মাধ্যমে অবৈধ অর্থের পাহাড় গড়েছেন।
প্রশাসনিক ব্যবস্থা ও আইনি প্রক্রিয়া
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আইয়ুব আলীর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে বিভাগীয় ব্যবস্থার পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হবে। দুদক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মাঠ পর্যায়ের তদন্ত শেষ করে দ্রুতই আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।



