অন্যান্যজাতীয়

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে তিন বাহিনী প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ: দেশের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতায় সম্মিলিত অঙ্গীকার

নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা তারিখ: ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের নবনির্বাচিত মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে আজ বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) তিন বাহিনী প্রধানের এক সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে এই বৈঠক সম্পন্ন হয়।

শুভেচ্ছা বিনিময় ও নিরাপত্তা পর্যালোচনা বৈঠকের শুরুতে সেনাবাহিনী প্রধান, নৌবাহিনী প্রধান এবং বিমানবাহিনী প্রধান মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে অভিনন্দন জানান এবং পারস্পরিক কুশলাদি বিনিময় করেন। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণের পর তিন বাহিনী প্রধানের সঙ্গে এটিই তার প্রথম আনুষ্ঠানিক সম্মিলিত বৈঠক। সাক্ষাতকালে তারা দেশের বর্তমান সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি, সীমান্তের সুরক্ষা এবং অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা বজায় রাখার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

বিমান বাহিনী প্রধানের অঙ্গীকার বৈঠকে বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন (বিবিপি, ওএসপি, জিইউপি, এনএসডব্লিউসি, পিএসসি) দেশের আকাশসীমা সুরক্ষায় বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি প্রধানমন্ত্রীকে আশ্বস্ত করে বলেন, “জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় এবং দেশের যেকোনো পরিস্থিতিতে বিমান বাহিনীর প্রতিটি সদস্য সর্বোচ্চ সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করবে।” তিনি আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিমান বাহিনী গড়ে তোলার লক্ষে বাহিনীর বর্তমান সক্ষমতা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়েও সংক্ষেপে আলোকপাত করেন।

সমন্বিত কার্যক্রম ও পেশাদারিত্ব প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনীর গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, একটি আধুনিক ও শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলা সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। বৈঠকে তিন বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। তিন বাহিনীর প্রধানগণ দেশমাতৃকার প্রয়োজনে এবং যেকোনো দুর্যোগ মোকাবিলায় সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

উপস্থিতি অনুষ্ঠানে সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট সচিবগণ উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের অবস্থান আরও সুসংহত করার বিষয়েও ইতিবাচক আলোচনা হয়।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই সাক্ষাতের মধ্য দিয়ে সরকারের সঙ্গে সশস্ত্র বাহিনীর কাজের গতিশীলতা বাড়বে এবং দেশের সার্বিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় একটি শক্তিশালী বার্তা প্রতিফলিত হয়েছে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button