আইন-শৃঙ্খলা

মাদক চাঁদাবাজ অচিরেই ধ্বংস হবে আইজিপি বাহারুল আল

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ রবিবার ২২ ফেব্রুয়ারি বিকেলে বাংলাদেশ পুলিশের হেডকোয়ার্টার্স থেকে ভার্চুয়াল সভায় সকল ইউনিট প্রধান, মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি ও জেলার পুলিশ সুপারদের সঙ্গে আলোচনা করেন। তিনি বলেন, স্বাভাবিক আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা জরুরি, কেউ চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস বা মাদকসংক্রান্ত অপরাধ করলে দলমত নির্বিশেষে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। আইজিপি আরও বলেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের কোনো ধরনের তৎপরতা চলতে দেওয়া যাবে না। বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে।
আইজিপি মহাসড়কে ডাকাতি প্রতিরোধে হাইওয়ে পুলিশকে কড়া নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি বলেন, যেকোনো মূল্যে হাইওয়ে ডাকাতি বন্ধ করতে হবে। জেলা পুলিশকেও মহাসড়কে নজরদারি জোরদার এবং ডাকাতি দমনের জন্য কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সভায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স প্রান্তে সংশ্লিষ্ট অতিরিক্ত আইজিগণ উপস্থিত ছিলেন।

আইজিপি বাহারুল আলম বলেন, মাঠ পর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রতিটি ইউনিটকে শক্তিশালী, দ্রুত এবং প্রমাণভিত্তিক ব্যবস্থা নিতে হবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে সাধারণ মানুষকে নিরাপদ রাখতে এবং অপরাধীদের দমন করতে সর্বোচ্চ দায়িত্ব পালন করতে হবে। তিনি বলেন, কোনো ধরনের রাজনৈতিক প্রভাব, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস বা মাদক চক্রের উপস্থিতি আইজিপি কার্যালয় সহ্য করবে না।

আইজিপি বলেন, মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সচেতনভাবে টহল দপ্তর কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। তিনি নির্দেশ দেন, হাইওয়ে পুলিশকে ২৪ ঘণ্টা টহল জোরদার এবং অভিযানে কোনো শিথিলতা করা যাবে না। তিনি আরও বলেন, জেলা পুলিশকে স্থানীয় মানুষের সঙ্গে সমন্বয় করে মহাসড়কে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। আইজিপি সব জেলার পুলিশ সুপারদের বলেন, তারা অপরাধী চক্র শনাক্ত, তথ্য সংগ্রহ এবং অভিযান পরিচালনায় সম্পূর্ণ দায়িত্বশীল হোন।

আইজিপি বাহারুল আলম বলেন, স্বাভাবিক আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা জাতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, সন্ত্রাস ও মাদক ব্যবসায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। তিনি জানান, এই ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের ধরার জন্য বিশেষ অভিযান চালানো হবে। পুলিশকে বলা হয়েছে, অপরাধী চক্রকে কঠোরভাবে আটক করতে হবে এবং তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে।

আইজিপি আরও বলেন, হাইওয়ে পুলিশের পাশাপাশি জেলা পুলিশকে সমন্বিত টহল কার্যক্রম করতে হবে। তিনি বলেন, পুলিশের উপস্থিতি বৃদ্ধি করতে হবে এবং জনগণ যাতে নিরাপদে চলাফেরা করতে পারে তা নিশ্চিত করতে হবে। চাঁদাবাজি, ছিনতাই ও মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত রাখতে হবে। তিনি বলেন, পুলিশের সকল ইউনিটকে সর্বদা প্রস্তুত থাকতে হবে এবং তৎপরতার সঙ্গে আইন শৃঙ্খলা রক্ষা করতে হবে।

আইজিপি বাহারুল আলম বলেন, ভার্চুয়াল সভার মাধ্যমে তিনি প্রত্যেক ইউনিট প্রধান, মেট্রোপলিটন কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি ও জেলা পুলিশ সুপারদের স্পষ্টভাবে নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, কোনো ধরনের রাজনৈতিক প্রভাব বা অপরাধী চক্রের চাপ পুলিশের কার্যক্রমে বাধা দিতে পারবে না। তিনি বলেন, সুষ্ঠু ও প্রমাণভিত্তিক কার্যক্রম নিশ্চিত করতে হবে।

আইজিপি আরও বলেন, স্থানীয় জনগণকে সুরক্ষিত রাখা পুলিশের প্রধান দায়িত্ব। তিনি বলেন, পুলিশের উপস্থিতি বৃদ্ধি করে চাঁদাবাজি, ছিনতাই, মাদক ও সন্ত্রাসমূলক কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে। তিনি জানান, পুলিশকে অভিযানের সময় সতর্ক, উদ্যোগী এবং পরিকল্পিতভাবে পদক্ষেপ নিতে হবে। তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা সকল ইউনিটের প্রধান দায়িত্ব এবং কোনো শিথিলতা গ্রহণযোগ্য নয়।

আইজিপি বলেন, আইন শৃঙ্খলা রক্ষা করতে পুলিশকে সর্বোচ্চ প্রস্তুত থাকতে হবে। তিনি বলেন, হাইওয়ে পুলিশের পাশাপাশি জেলা পুলিশের কার্যক্রম সমন্বিত করতে হবে। তিনি বলেন, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, সন্ত্রাস এবং মাদক ব্যবসায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করতে হবে। তিনি বলেন, পুলিশকে সতর্কভাবে অভিযান পরিচালনা করতে হবে এবং অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
আইজিপি বলেন, পুলিশের সকল ইউনিটকে নিয়মিত রিপোর্ট দিতে হবে এবং টহল কার্যক্রম জোরদার রাখতে হবে। তিনি বলেন, কোনো ধরনের লুপ্ত বা অব্যবস্থাপনা সহ্য করা হবে না। তিনি বলেন, আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় মাঠ পর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। তিনি বলেন, জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা পুলিশের প্রধান দায়িত্ব।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button