অপরাধ

বনানীতে দলীয় সাইনবোর্ড আড়ালে নানান অপকর্মের হোতা   সুন্দরী শিলাও হারুনের ফান্দে দিশেহারা সুকান্ত কান্দে!!!

হাবিব সরকার স্বাধীন : ঢাকা গুলশান বনানী কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে অর্ধশতাধিক চক্র এমনই অভিযোগ পাওয়া গেছে। কৌশল হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে অল্প বয়সী সুন্দরী নারীদের ওদের মাঝে অন্যতম একজন  শিলা। এখানেই শেষ না খেলা,দলীয় সাইনবোর্ড লাগিয়ে চলছে নানান ধরনের অপরাধ কর্মকাণ্ড!সরকার পতনের পর দলীয় সাইনবোর্ড যেন আলাদিনের চেরাগ।দুই বাটপার  কে নিয়ে  ইতিপূর্বে কয়েকটি শিরোনাম হয়েছিল।  ইতিপূর্ব বিষয়টি সংবাদ প্রকাশ হওয়ায় কিছুদিন চুপ এখন আবারও বেপরোয়া অভিযোগ পাওয়া গেছে। ফিল্ম স্টাইলে  ব্যবসায়ীকে ফাঁদে ফেলে প্রতারক শিলা ও বহুরূপে হারুন। দিন যতই যাচ্ছে ভয়ংকর হয়ে উঠছে ‘শিলা ও বাহিনীর অন্যতম হারুন। দলীয় ব্যানার একমাত্র কৌশল! তথ্যসূত্রের জানা যায়, পল্টিবাজ হারুন, তারেক রহমানের বিশ্বাস তো কর্মী পরিচয় দেন।এবং তারেক জিয়ার সাথে ছবি তুলেন, এবং ওই ছবি দেখিয়ে মানুষকে ব্ল্যাকমেল করেন তিনি।সরজমিনে এমনি  অভিযোগ পাওয়া গেছে,প্রতিবেদকের হাতে আসা রেকর্ড ছবি স্পষ্ট তিনি নিজেকে যুবদল নেতা দাবি করেন। ফোনে কথা হলে হঠাৎ মতামত ঘুরিয়ে বলেন তিনি  মানবাধিকার বড় অফিসার।একটু সময় যেতে নিজেকে আবার সম্পাদক বলে জানান ভণ্ড হারুন। একজন মানুষের কয়টি পদবী প্রয়োজন প্রশ্ন করলে তিনি জানান আবারও  যুবদল  মহানগর কমিটির নেতা তিনি!! ও সংসদ নির্বাচন করার জন্য বাড়িতে ব্যস্ত তিনি।গুলশান বনানী জনগণের প্রশ্ন কে এই হারুন/ একাধিক পরিচয় দেওয়া অবশ্যই প্রতারণা। হারুনের কুকর্ম  উন্মোচনে কিছু তথ্য আমাদের দপ্তরে এসেছে।ল্যান্ড কোম্পানির সাক্ষ্য জালিয়াতি করে তিনি হয়ে গেছেন রাতারাতি ব্যবসায়ী পার্টনার। তথ্যসূত্র জানা যায় ভয়ংকর বিশ্বাসঘাতকতা  আড়ালে দুর্দান্ত সাহসী ভূমিকায় যার সবচেয়ে বেশি অবদান তবে তিনি পারভিন শিলা। এই তরুণীর হিংস্র কর্মকাণ্ড অফিসের স্টাফ সহ সকলের চোখের ঘুম নাই বললেই চলে।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ভুক্তভোগী জানান তিনি নারী মানুষ সবকিছু সম্ভব,তার বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করলে তাকে মিথ্যে নাটকীয় মামলা ফাঁষানো কোন ব্যাপারই না। শিলার নিজের অনৈতিক কর্মকাণ্ড অপকর্ম প্রতারণা আড়াল করতে হারুনের ভূমিকা প্রশংসনীয়। ছলনাময়ী নারী  শিলা কখনো মিলা, আবার কখনো  লিনা মাহমুদ। কৌশলে বড় ব্যবসায়ীদের মোবাইল ফোন নম্বর সংগ্রহ করে প্রেমের অভিনয়। একপর্যায়ে লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া। এজন্য ভুয়া বিয়ে নয়তো অশ্লীল কিংবা অন্তরঙ্গ ছবি তুলে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি। এভাবেই চলছিল তাদের প্রতারণা।

সবশেষে টার্গেট বনানী বড় এক ব্যবসায়ী। কৌশলে প্রেমের অভিনয় করেন শিলা।পরবর্তীতে থানায়  শ্রীলতা হানির চেষ্টা  অভিযোগ অথবা জিডি তার পড়ে মামলার হুমকি! এটা তার  নেশা, অভিযোগ রয়েছে বাসায় ডেকে ভুয়া বিয়ের কাগজপত্র তৈরি করে দাবি করা হয়  ৩ লাখ টাকা অথবা শিলার বিশ্বস্ত ব্যক্তিকে টাকা ছাড়াই ব্যবসায়ী  পার্টনার বানাতে হবে।

গোয়েন্দা পুলিশের উপ-কমিশনার বলেন, এই চক্রের মোট সদস্যর এর মধ্যে শিলা মাহমুদ ওরফে মিলা নয় বহু নারী  চক্র সদস্য রয়েছে ডিএমপিতে। সহযোগীরা বড় ব্যবসায়ী, চাকরিজীবী, এমনকি প্রবাসীদের মোবাইল ফোন নম্বর সংগ্রহ করে তাকে দেয়। পরে কৌশলে ফোনে কথা বলে প্রেমের ফাঁদ পাতে।  এক সময় প্রেমিককে বাসায় ডাকে। একপর্যায়ে অন্তরঙ্গ ছবি তুলে টাকা দাবি করে। অনেকে সম্মানের ভয়ে টাকাও দেন।

তিনি বলেন, চক্রটি শুধু প্রেমের ফাঁদ নয়, অনেক সময় ভুয়া বিয়েও করে। সেই বিয়ের কাবিনের টাকা আদায়ও করে।

ডিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের সাইবার ক্রাইমের অতিরিক্তি উপ-পুলিশ কমিশনার বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে ব্যবহার করে প্রতারণা অভিযোগ এখনো অনেক বেশি। নারী ও পুরুষ উভয়েরই অভিযোগ আসছে।

তিনি বলেন, নারীদের দ্বারা ব্ল্যাকমেইলিং শিকার যেমন হচ্ছে, তেমনি পুরুষের দ্বারা  ব্ল্যাকমেইলিং শিকার হচ্ছে অনেকে। তবে অধিকাংশই সম্মান নষ্টের ভয়ে নিজেরাই মিটিয়ে নিচ্ছে, আবার অনেকে অভিযোগও দিচ্ছেন। এ ধরনের বেশ কিছু সিন্ডিকেটকে আমরা আটকও করেছি।সবচেয়ে বড় বিষয় হলো সতর্কতা। লোভ সংবরণ করে সতর্কতার সঙ্গে চলাচল করলে সমস্যায় পড়তে হবে না

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button