ট্রমা সেন্টার স্থাপনের পরিকল্পনা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন

এস এম নজরুল ইসলাম: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাখাওয়াত হোসেন বকুল সোমবার (১১ মে) বিকেল ৩টায় বরিশালের গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেছেন। এ সময় তিনি হাসপাতালের সার্বিক চিকিৎসাসেবা, রোগীদের সুযোগ-সুবিধা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান পর্যবেক্ষণ করেন।পরিদর্শনকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন এবং চিকিৎসক, নার্স ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। পাশাপাশি চিকিৎসাসেবা নিতে আসা রোগীদের সঙ্গে কথা বলে তাদের অভিজ্ঞতা ও সমস্যার বিষয়েও খোঁজখবর নেন। তিনি স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।এসময় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রেবিস ভ্যাকসিন সংকটের বিষয়টি মন্ত্রীর নজরে আনা হলে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন এবং দ্রুত ভ্যাকসিন সরবরাহ নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন। এছাড়া হাসপাতালকে দালালমুক্ত রাখার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দেন।পরিদর্শন শেষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, জনগণের দোরগোড়ায় আধুনিক ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে। তিনি জানান, গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে বর্তমান ৫০ শয্যা থেকে উন্নীত করে আগামী বছরের মধ্যে ১০০ শয্যায় রূপান্তরের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।তিনি আরও জানান, গৌরনদীতে একটি আধুনিক ট্রমা সেন্টার স্থাপনের বিষয়টি বিবেচনাধীন রয়েছে। পাশাপাশি গয়নাঘাটায় অবস্থিত মা ও শিশু কেন্দ্রটি পুনরায় চালুর লক্ষ্যে সংশ্লিষ্টমন্ত্রণালয়েরসঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে।এসময় উপস্থিত ছিলেন বরিশালের জেলা প্রশাসক খাইরুল আলম সুমন, সিভিল সার্জন মনজুর-ই-এলাহী, ডেপুটি সিভিল সার্জন শওকত আলী, গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ইব্রাহিম, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোঃ ফখরুল ইসলাম মৃধা, গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তারিক হাসান রাসেল এবং গৌরনদী প্রেসক্লাবের সভাপতি সিনিয়র সাংবাদিক জহুরুল ইসলাম জহিরসহ স্বাস্থ্য বিভাগের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।স্বাস্থ্যমন্ত্রীর এ পরিদর্শনকে কেন্দ্র করে হাসপাতাল এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। স্থানীয় জনগণ ও স্বাস্থ্যসেবা সংশ্লিষ্টরা এই সফরকে গৌরনদীর স্বাস্থ্যখাত উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন।



