
শীর্ষক অনুষ্ঠানের সার্বিক আয়োজন ও সফল বাস্তবায়নের লক্ষ্যে রাজনৈতিক, অরাজনৈতিক এবং বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে ২৮ সদস্যবিশিষ্ট কেন্দ্রীয় সমন্বয় ও বাস্তবায়ন কমিটি অনুমোদন করা হয়েছে।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব ইশরাক হোসেন এই কমিটির অনুমোদন প্রদান করেন। অনুমোদিত কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি মোঃ আবু হোরায়রা।
কমিটিতে দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক ও অরাজনৈতিক সংগঠনের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা হয়েছে। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ভিত্তিক মোট ১৩টি সংগঠনের সভাপতি ও
সাধারণ সম্পাদকদের সমন্বয়ে এ কমিটি গঠন করা হয়েছে। একই সঙ্গে কোনো রাজনৈতিক বা অরাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন এমন দুইজন নারী শিক্ষার্থীকে শিক্ষার্থী প্রতিনিধি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
সর্বোপরি, কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে সকল পক্ষের অংশগ্রহণ ও প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, যাতে এটি একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সর্বজনগ্রহণযোগ্য সমন্বয় কাঠামো হিসেবে কাজ করতে পারে।
অনুষ্ঠানটিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার জন্য সম্মতি প্রদান করেছেন জনাব তারেক রহমান, এমপি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার।
আয়োজকদের প্রত্যাশা, এই অনুষ্ঠান জুলাই গণঅভ্যুত্থানে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের অবিস্মরণীয় অবদানকে যথাযথ মর্যাদায় স্মরণ ও স্বীকৃতি প্রদানের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের রূপরেখা নির্মাণে তরুণ প্রজন্মের ভূমিকা, দায়িত্ব ও করণীয় নিয়ে একটি অর্থবহ আলোচনা ও মতবিনিময়ের ক্ষেত্র সৃষ্টি করবে। একই সঙ্গে এটি বিভিন্ন রাজনৈতিক, অরাজনৈতিক ও শিক্ষার্থী সংগঠনের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি, ঐক্য ও সহযোগিতার বন্ধন আরও সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আয়োজকরা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।



