
আইনের চোখে ধুলো দিয়ে এক নির্লজ্জ জমিদস্যুর উত্থান, যাকে থামাতে রাষ্ট্রও যেন আজ পুরোপুরি ব্যর্থ! ১৬ লাখ টাকার বিজ্ঞাপনের টোপ দিয়ে অভিনেত্রী স্নিগ্ধা চৌধুরীকে আটকে রেখে হাত-পা বেঁধে গলা চেপে শর্টগানের হুমকিতে নির্যাতন, গরম কফি নিক্ষেপ ও জোরপূর্বক ওষুধ মেশানো মদ পান করানো এবং দোতলা থেকে লাফিয়ে বাঁচার মতো ভয়ংকর ঘটনার পরও আশিয়ান সিটির নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া মাত্র ৫০০ টাকায় জামিন পেয়ে যায়।
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অমান্য করে ৪৩ একরের অনুমোদনে খালবিল ভরাট করে ১২০০ একর দখল, ৩১৮০ কাঠা কিনে ৩২ হাজার কাঠা বিক্রি এবং ৫০ লাখের জরিমানা ৫ লাখে নামিয়ে আনার মতো জালিয়াতি করতেও এই বেহায়ার বুক কাঁপেনি। নিজের চাচাতো বোন আনোয়ারা বেগমের ১০ শতাংশ জমি দখল, দুদকের মামলায় ৭.৮৯২৫ একর খাসজমি লুট, আশিয়ান এডুকেশনের ৬৪৬ কোটিসহ মোট ৯৮২ কোটি টাকার খেলাপি ঋণ এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ১২টি হত্যা মামলা মাথায় নিয়েও সে বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে।
আওয়ামী সরকারের মন্ত্রী, আইজিপি, ডিবি প্রধান ও ডিজিএফআইয়ের চাটুকারিতা করে যে সাম্রাজ্য সে গড়েছিল, আজ বিএনপি নেতা মেজর (অব.) কামরুল ইসলাম এবং আমিনুল হকের নাম ভাঙিয়ে সে নিজেকে রক্ষার নির্লজ্জ অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
তবে আমিনুল হক নজরুল ইসলাম ভূঁইয়াকে উদ্দেশ্য করে স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, তার সাথে এই ঘৃণ্য অপরাধীর কখনোই কোনো কথা বা সম্পর্ক ছিল না। আইনের ফাঁক, পুলিশের চরম গাফিলতি, বছরের পর বছর চার্জশিট না হওয়া এবং ব্যাংক কর্মকর্তাদের নিষ্ক্রিয়তার সুযোগ নিয়ে প্রশাসনিক দুর্বলতার ছাতায় এই চাটুকার এখনো আইনের ঊর্ধ্বে বসে পুরো সিস্টেমকে উপহাস করছে।



