অনুসন্ধানঅভিযান

বুড়িগঙ্গার তীরে প্লাস্টিকসহ সব বর্জ্য ১৫ দিনের মধ্যে অপসারণের নির্দেশ হাইকোর্টের

বুড়িগঙ্গা নদীর লালবাগ ও কামরাঙ্গীরচর থানার ইসলামবাগ এলাকায় বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে থাকা সকল প্লাস্টিক সহ অন্যান্য বর্জ্য ১৫ দিনের মধ্যে অপসারণের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।

বুড়িগঙ্গার পানি দূষণ বন্ধে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ একটি রিট পিটিশন দায়ের করলে ২০১০ সালে হাইকোট রায় দিয়ে কতিপয় নির্দেশনা দেয়..। উক্ত নির্দেশনা অনুসারে বুড়িগঙ্গার পানি দূষণ বন্ধের জন্য নদীর তীরে যে কোন প্লাস্টিক বা অন্যান্য বর্জ্য ফেলে রাখা নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
উক্ত আদালতের রায় থাকা সত্বেও ১৯.০৮.২৬ আগস্ট ডেইলি স্টার পত্রিকায় একটা রিপোর্ট প্রকাশিত হয় যে, রিপোর্টে বলা হয় লালবাগ ও কামরাঙ্গীরচর থানা এরিয়ায় ইসলামবাগে বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে শত শত প্লাস্টিক বর্জ্য সহ অন্যান্য বর্জ্য রাখা হয়েছে। সময়ের ব্যবধানে সেগুলো পানিতে মিশে পানি দূষণ করবে এবং আদালতের আদেশ হয়ে যাবে অকার্যকর।

মিডিয়ার উত্ত সংবাদ সংযুক্ত করে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের পক্ষে একটি আবেদন দাখিল করা হয় গত ৩০ শে আগস্ট। আজ শুনানি শেষে বিচারপতি আহমেদ সোহেল এবং বিচারপতি এস এম ইফতেখার উদ্দিন মাহমুদ এইচআর পি বি এর আবেদন মঞ্জুর করে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে বুড়িগঙ্গার তীরে ইসলামবাগ এলাকায় থাকা প্লাস্টিক ও অন্যান্য বর্জ্য আগামী ১৫ দিনের মধ্যে অপসারণের জন্য পরিবেশের dg, বিআইডব্লিউটিএ চেয়ারম্যান, ঢাকার ডিসি, লালবাগ ও কামরাঙ্গীরচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের কে নির্দেশ দিয়েছেন। একই সাথে আদালত উক্ত আদেশ বাস্তবায়ন করে চার সপ্তাহের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।
এইচ আর পি বি এর পক্ষে আবেদনকারী হলেন মোহাম্মদ ছারওয়ার আহাদ চৌধুরী। বিবাদীরা হলেন নৌ পরিবহন ও স্বরাষ্ট্র সচিব, ওয়াসার এমডি, চেয়ারম্যান বিএডব্লিউটিএ, মহাপরিচালক পরিবেশ অধিদপ্তর, পুলিশ কমিশনার, ঢাকার ডিসি সহ মোট তের জন।
শুনানিতে এইচআরপিবি এর পক্ষের কৌশলী সিনিয়র অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ বলেন বুড়িগঙ্গার পানি দূষণের কারণে ঢাকার পরিবেশ মারাত্মক দূষিত হচ্ছে। এইচ আর পি বি এর দায়েরকৃত মামলায় হাইকোর্ট অনেকগুলা নির্দেশনা দিয়েছেন, তা সত্ত্বেও ঢাকার ইসলামবাগ এলাকায় নদীর তীরে শত শত প্লাস্টিক বর্জ্য ফেলে রাখা হয়েছে যা চূড়ান্তভাবে বুড়িগঙ্গার পানিতে পড়ে দূষণ বৃদ্ধি পাবে।
আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র এডভোকেট মনজিল মোরসেদ। তাকে সহায়তা করেন অ্যাডভোকেট সঞ্জয় মন্ডল এবং এডভোকেট নাছরিন সুলতানা। সরকার পক্ষে ছিলেন দিয়েছি ডি এ জি খান জিয়াউর রহমান।
বার্তা প্রেরক
মনজিল মোরসেদ।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button