চন্দ্রগঞ্জ থানা পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে লক্ষ্মীপুরে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে দ্বীন মোহাম্মদ, হত্যার হুমকী, আসামীরা প্রকাশ্যে

0
1415

জেলা প্রতিনিধি ঃ
মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে লক্ষ্মীপুর জেলার চন্দ্রগঞ্জ থানাধীন বশিকপুর ইউনিয়নের বিরাহিমপুর গ্রামের মৃত জবেদ উল্যার পুত্র দ্বীন মোহাম্মদ (৩৫)। আসামীরা প্রকাশ্যে থেকে আবারো দ্বীন মোহাম্মদকে প্রান নাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে। মামলার দায়িত্ব প্রাপ্ত চন্দ্রগঞ্জ থানার পুলিশ কর্মকর্তার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে স্থানীয় মহলে। জানা যায়, গত ২৯ শে মে, রাত সাড়ে ১০টায় বড় ভাই মোঃ ইউনুছ (৪০), ভাতিজা খলিল হোসেন পান্তু (১৮) ও বড় ভাবি পাখি বেগম (৩৫) ওয়ারিশি সম্মত্তি নিয়ে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ছোট ভাই দ্বীন মোহাম্মদকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা চেষ্টা চালায়। এলো পাথাড়ী কুপিয়ে দ্বীন মোহাম্মদকে মৃত ভেবে আসামীরা পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা মারাত্মক আহত অবস্থায় দ্বীন মোহাম্মদকে উদ্ধার করে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে দ্বীন মোহাম্মদের পুরো শরীরে ৫৭টি কোপের আঘাতে ৬৪টি সেলাই দিতে হয়। দীর্ঘদিন উন্নত চিকিৎসা দিয়ে কিছুটা সুস্থ্য করে তুললে ও অনেকটাই পঙ্গুত্ব বরন করে এখনো মৃত্যুর প্রহর গুনছে দ্বীন মোহাম্মদ। এ বিষয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় একটি এজাহার দাখিল হয়। গত ৩ ই জুন ২০১৭ ইং । অফিসার ইনচার্জ মোঃ মোক্তার হোসেন মামলাটির তদন্তভার এস.আই মোতাহার হোসেনকে প্রদান করেন। দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও পুলিশ কাউকে গ্রেপ্তার করছে না এবং আসামীরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন ও মামলা তুলে নেয়ার জন্য বিভিন্ন ভাবে হত্যার হুমকি দিচ্ছেন বলে বাদী আহত দ্বীন মোহাম্মদ অপরাধ বিচিত্রাকে জানান। বাদী দ্বীন মোহাম্মদ জানান রোগী রেজিষ্ট্রেী নং- ২৮০৩/২৪ এর মাধ্যমে তিনি সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকাকালীন তাহার স্ত্রী সুমাইয়া আক্তার সিমুর মাধ্যমে ০৩/০৬/১৭ইং চন্দ্রগঞ্জ থানায় এজাহার দাখিল করলেও পুলিশ অধ্যাবধি কাউকেই গ্রেপ্তার করেনি। এ বিষয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানার এস.আই মোতাহের হোসেনের সাথে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি জানান-আসামী ধরার প্রচেষ্টা চালিয়ে তিনি আসামীদের গ্রেপ্তার করতে পারেননি। গ্রেপ্তার ব্যর্থতা স্বীকার করলে ও ২নং ও ৩নং আসামী জামিনে আছেন বলে তিনি জানান। গ্রেপ্তারের ব্যর্থতা ও জামিনের তথ্য নিশ্চিত করতে পারায় এ পুলিশ কর্মকর্তার ভূমিকা যেমন স্থানীয় জনমনে প্রশ্ন বিদ্ধ অন্য দিকে দ্বীন মোহাম্মদ স্থানীয়দের বিষয়টি মিমাংসা করার আশ্বাসের কথা জানালেও স্থানীয়রা জানায় আসামী ইউনুছের খুঁটির জোর শক্তিশালী হওয়ায় সে স্থানীয়দের মানছে না। আমাদের প্রশ্ন হলো ধারালো অস্ত্রের কোপে আহত হয়ে পঙ্গুত্ব বরন করা ও মৃত্যুর প্রহর গোনা দ্বীন মোহাম্মদ আইনের প্রতি শ্রদ্ধশীল হয়ে থানা পুলিশের কাছে ৪৪৭/ ৪৪৮/ ৩২৩/ ৩২৪/ ৩২৬/ ৩০৭/ ৩৫৪/ ৩৮০/ ৪০৭/ ৫০৬ ধারায় মামলা দায়ের করেও পুলিশের ভূমিকায় হতাশ দ্বীন মোহাম্মদ ও স্থানীয় জনগন।

Advertisement
Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here