জাতীয় প্রেসক্লাবের শোক সভায় তোফায়েল বাঙ্গালি জাতির মুক্তির জন্য বঙ্গবন্ধু ৪,৬৮২ দিন জেল খেটেছেন

0
1587

বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, বাঙ্গালি জাতির মুক্তির জন্য বঙ্গবন্ধু ৪,৬৮২ দিন জেল খেটেছেন। বাঙ্গালি জাতিকে তিনি উদ্বুদ্ধ করেছিলেন স্বাধীনতার জন্য। লক্ষ্যছিল একটাই বাঙ্গালি জাতির মুক্তি, বাংলাদেশের স্বাধীনতা। বাঙ্গালি জাতির প্রত্যেককে তিনি পরিবারের সদস্য মনে করতেন। তাঁর বিরুদ্ধে স্বরযন্ত্রের কথা শুনলে তিনি তা বিশ^াস করতেন না। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে-বিদেশে বঙ্গবন্ধুর জনপ্রিয়তা ছিল আকাশ ছোঁয়া। বিপুল জনপ্রিয়তার কারনেই তিনি দেশীয় ও আন্তর্জাতিক চক্রান্তের শিকার হন। বঙ্গবন্ধু সারা জীবন বাঙ্গালি জাতির জন্য সংগ্রাম করে গেছেন। দেশীয় ও আন্তর্জাতিক একটি গোষ্টি বাংলাদেশেল স্বাধীনতা মেনে নিতে পারেনি। চক্রান্ত করে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়েছিল, আজ তাঁরই কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকেও বার বার হত্যার চক্রান্ত করা হচ্ছে।
বাণিজ্যমন্ত্রী জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে জাতীয় প্রেসক্লাব আয়োজিত “বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হব্যাকান্ড ঃ দেশীয় ও আন্তর্জাতিক চক্রান্ত” শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির  বক্তৃতায় এ সব কথা বলেন।
তোফায়েল আহমেদ বলেন, দেশীয় ও আন্তর্জাতিক চক্রান্ত করে ব্যক্তি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করা হলেও, কেউ বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে হত্যা করতে পারবে না। যতদিন বাংলাদেশ থাকবে, বাংলার মাটি থাকবে, বাংলাদেশের মানুষ থাকবে, ততদিন বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বেচে থাকবে।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু শুণ্য হাতে যুদ্ধবিদ্ধস্থ বাংলাদেশ পরিচালনার দায়িত্বভার গ্রহণ করেছিলেন। তিনি মাত্র তিন বছর সাত মাস দেশ পরিচালনার সুযোগ পেয়েছিলেন। তিনি দু‘টি লক্ষ্যকে সামনে রেখে সংগ্রাম করেছেন। একটি হলো বাঙ্গালি জাতির স্বাধীনতা, অপরটি অর্থনৈতিক মুক্তি। তিনি দেশকে স্বাধীন করেছেন, আজ তাঁরই সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাঙ্গালি জাতির অর্থনৈতিক মুক্তির পথে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছেন। ২০২১ সালে বাংলাদেশ হবে  ডিজিটাল মধ্য আয়ের দেশ। একসময় যারা বাংলাদেশকে বলতো তলাবিহীন ঝুড়ি, দরিদ্র দেশের মডেল এবং বলতো বাংলাদেশ উন্নতি করলে পৃথিবীতে আর কোন দরিদ্র দেশ থাকবে না। আজ তারাই বলছেন, বাংলাদেশের বিশ^য়কর উত্থান হয়েছে। বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের রোল মডেল। জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি মো. শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিশিষ্ট সাংবাদিক সৈয়দ বদরুল হাসান। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা মো. ইকবাল সোবহান চৌধুরী, সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক আবু সাঈদ, আওয়ামীলীগ নেতা মোজাফ্ফর আহমেদ পল্টু, দৈনিক সমকালের সম্পাদক গোলাম সারওয়ার, ঢাকসুর সাবেক ভিপি মাহফুজা খানম, বিএফইউজে-এর সভাপতি মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল, দৈনিক প্রথম আলোর যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল কাইয়ুম মুকুল, জাতীয় প্রেস ক্লাবের প্রথম সহ-সভাপতি মো. সাইফুল ইসলাম,  সহ-সভাপতি মো. আজিজুল ইসলাম ভূঁইয়া এবং সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন দৈনিক ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত।

Advertisement
Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here