রৌমারী রাজিবপুরে ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি দুই উপজেলার ২ লাখ মানুষ পানি বন্দি ১০ হাজার রোপা আমনসহ ডুবে গেছে

0
1291

মাজহারুল ইসলাম,রৌমারী (কুড়িগ্রাম)ঃ প্রতিনিধিঃ
কুড়িগ্রামের রৌমারী ও রাজিবপুরসহ দুই উপজেলার বন্যার ভয়াবহ পরিস্থিতি দেখাদিয়েছে।  এতে প্রায় ১০ হাজার হেক্টর ফসলি জমির ধানসহ সবই গত কয়েকদিনের টানা বর্ষন ও ভারতীয় পাহাড়ী ঢলে প্লাবিত হয়ে গেছে রৌমারী রাজিবপুরসহ । ভেঙ্গেগেছে অসংখ্য কাচাপাকা সড়ক। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে দুই উপজেলার ২ লাখ মানুষ। বসত ভিটা স্কুল রাস্তা সর্বস্তরে পানিতে টইটম্বুর। বানভাসিদের ঘুমনেই, দাড়াবার ঠাই নেই,রান্না ও সুপেয়ও পানির ব্যবস্থা নেই। পানিবন্দি মানুষেরা হাস-মুরগী গরু-ছাগল নিয়ে অতিকষ্টে উচু সড়কে আশ্রয়কেন্দ্রে, ও কেহ-কেহ খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছে।ভারতীয় পাহাড়ী ঢলে প্রতিমুহুত্বে বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ রুপ ধারণ করছে। ইতো মধ্যে কয়েকটি গ্রামীণ সড়ক ভেঙ্গে গেছে।  মারাত্বক ঝুকিতে রয়েছে বন্দবেড় বাঘমারা বেঢ়ীবাধ ও একমাত্র ঢাকা গামী প্রধান ডিসি সড়কটি যে কনো মর্হতে ভেঙ্গে যেতে পাড়ে। বেড়িবাঁধটি যে কোন মুহুত্বে ভেঙ্গে যেতে পারে বলে আশংকা করা হচ্ছে। বন্যায়  ক্ষতিগ্র¯ বানভাসি  পরিবারের মধ্যে ত্রান সামগ্রী তেমন কোন ব্যবস্থা না থাকায় মানুষ হা হুতাশে পড়েছে। সরকারী পর্যায়ে ৬ টি ইউনিয়নে সামান্য কিছু ত্রানের চাল দিলেও যাহা সর্ম্পুন্য অপ্রতুল ।
দীর্ঘদিন ধরে উপজেলা বাস্তবায়ন কর্মকর্তার পদ শুন্য থাকায় ত্রান সামগ্রী সরবরাহ কাজ ব্যহত হচ্ছে। কৃষি বিভাগ সুত্রে জানা গেছে ৬ হাজার ১শত হেক্টর রোপা আমন অর্জিত হয়েছে, তন্মধ্যে ৪ হাজার ১শত হেক্টর বন্যার পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। বীজ তলা ৫০ হেক্টর, শাক সবজি ১৫০ হেক্টর, আখ ২৫০ হেক্টর পানিতে তলিয়ে গেছে। সরকারী ভাবে কৃষকের মাঝে আমনের চারা বিতরন ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ বানভাসী মানুষকে সাহায্য সহযোগীতা অত্যন্ত জরুরী হয়ে পড়েছে।

Advertisement
Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here